kalerkantho

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

মহাসড়কের ওজন স্কেল বন্ধ করার দাবি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ জুলাই, ২০১৮ ১৫:৩৮



মহাসড়কের ওজন স্কেল বন্ধ করার দাবি

ছবি অনলাইন

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে স্থাপিত ওজন স্কেল স্থায়ীভাবে বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা। বাড়তি ওজনের পণ্যবাহী ট্রাক চলাচলের দাবিতে রবিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ভবনের সামনে এ মানববন্ধন হয়।

ওভারলোডিংয়ের কারণে প্রায় চার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নবনির্মিত ঢাকা-চট্টগ্রাম ফোর লেন মহাসড়কের মারাত্মক ক্ষতি হওয়ায় সম্প্রতি বাড়তি ওজনের পণ্যবাহী ট্রাক ও কন্টেইনারবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ।

ওজন স্কেলের কারণে মহাসড়কে বাড়তি ওজনের পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল করতে পারছে না। এতে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হচ্ছে দাবি করে খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সংগঠনের ব্যবসায়ীরা মানববন্ধনে অংশ নেন।

মানববন্ধনে খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ ছগীর আহমদ বলেন, বড় দারোগাহাট ওজন স্কেলের কারণে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা ১৩ টনের বেশি পণ্য পরিবহন করতে পারছেন না। আগে একেকটি গাড়িতে ২০-৩০ টন পণ্য পরিবহন করা হতো। ফলে পণ্যের দাম বাড়ছে। ব্যবসায়ীরা লোকসান দিচ্ছেন।

পণ্যবাহী গাড়িতে ওভারলোডিংয়ের কারণে মহাসড়ক বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দুই জায়গায় গাড়ির ওজন মাপার স্কেল (এক্সেল লোড কন্ট্রোল) স্থাপন করা হয়েছে। এরপর ২০১৬ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে ওজন নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেয়া হলেও আপত্তি জানান পরিবহন মালিক-শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা।

নানামুখী বাধার মুখে কিছু দিন কার্যকর থাকলেও আবার তা বন্ধ হয়ে যায়। সর্বশেষ গত ডিসেম্বর থেকে ওজন স্কেল পুরোপুরি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়। বর্তমানে ১৩ টনের বেশি পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। এবার সে উদ্যোগের বিরুদ্ধে দাঁড়ালেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে ওজন স্কেল ব্যবহার বন্ধ করে দিলে ভারি যানবাহনের চাপে কয়েক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক আগের মতো চলাচলের অযোগ্য হয়ে যাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।



মন্তব্য