kalerkantho

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

রমজান ও গ্রীষ্মে চট্টগ্রাম নগরীতে পানির সংকট হবেনা : চট্টগ্রাম ওয়াসা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ মে, ২০১৮ ২১:২৮



রমজান ও গ্রীষ্মে চট্টগ্রাম নগরীতে পানির সংকট হবেনা : চট্টগ্রাম ওয়াসা

রমজানে এবার চট্টগ্রাম শহরের মানুষ পানির সংকটে পড়বেনা। রমজানের আগ থেকেই চট্টগ্রাম ওয়াসা কর্তৃপক্ষ চাহিদা অনুযায়ী পানির সরবরাহ শতভাগ নিশ্চিত করতে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল্লাহ বাসসকে বলেন, জরুরি প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ ট্যাংক লরির মাধ্যমে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ ছাড়া রমজানে পানির হালনাগাদ চাহিদা, উৎপাদন,সরবরাহ ব্যবস্থা মনিটর ও সার্বক্ষণিক মোবাইল টীম গঠন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, নগরীর ৪০ লাখ মানুষের স্বাভাবিক সময়ে পানির দৈনন্দিন চাহিদা থাকে সর্বোচ্চ ৩০ কোটি লিটার। এরমধ্যে এখন পর্যন্ত দৈনিক পানি সরবরাহ দেয়া হচ্ছে প্রায় সমপরিমান। অবশ্য রমজান ও গ্রীষ্মে পানির চাহিদা সর্বোচ্চ ৩২ কোটি লিটারে পৌঁছায়। বর্তমানে ভূ-উপরিস্থ পানি দিয়ে নগরবাসীর চাহিদার ৮৫ ভাগ পানি সরবরাহ দেয়া হচ্ছে। বাকি ১৫ ভাগ পানি গভীর নলকূপের সাহায্যে ভূ-গর্ভ থেকে উত্তোলন করে চাহিদা পূরণ করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম ওয়াসার কৌশলগত পরিকল্পনা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহার বৃদ্ধি করে ভূ-গর্ভস্থ পানির উৎপাদন, ব্যবহার, সরবরাহ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেয়া হবে।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসা ২০২১ সাল নাগাদ কিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এরমধ্যে নগরবাসীকে সুপেয় ও নিরাপদ পানি সরবরাহ করার লক্ষ্যে পানি উৎপাদন ২১০ এমএলডি থেকে ৫৪০ এমএলডিতে উন্নীত করা, পুরাতন ট্রান্সমিশন ও বিতরণ পাইপলাইন পুনর্বাসন এবং নতুন পাইপলাইন প্রতিস্থাপন করা, রাজস্ব আয় বহি:র্ভূত পানির পরিমান কমানোর চেষ্টা অব্যাহত রাখা, পানির বিল আদায়ের সময়সীমা ১৮০ দিন থেকে কমিয়ে ৯০ দিনে সীমাবদ্ধ রাখা, বিদ্যমান পানির দর পদ্ধতি পরিবর্তন করে ব্যবহারানুক্রমিক হারে পানির দর পদ্ধতি প্রবর্তন করা এবং পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থা চালু করা।
মূলত:অতিমাত্রায় ভূ-গর্ভস্থ পানি ব্যবহার ও উত্তোলনের কারণে ভূমি ধ্বস, ভূমিকম্প, আর্সেনিকসহ নানা রকম স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে নগরবাসীকে পরিত্রাণ দেয়া এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশিত ভূ-গর্ভস্থ নয়, ভূ-উপরিস্থ পানি, বৃষ্টির পানি, পুকুর, জলাধারের পানির যথাযথ সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে চট্টগ্রাম ওয়াসার সব ক’টি উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।



মন্তব্য