kalerkantho

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

ইউজিসির প্রতিবেদনে প্রশ্নবিদ্ধ চবি আইইআর

কাল বসছে সিন্ডিকেট

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০১:৫৪



কাল বসছে সিন্ডিকেট

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) শিক্ষকদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) যে প্রতিবেদন দিয়েছে, সেটা নিয়ে আগামীকাল মঙ্গলবার আলোচনায় বসছে চবি সিন্ডিকেট।

আইইআরের অধীন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের জন্য ১৯টি নতুন পদ চেয়ে সম্প্রতি ইউজিসিকে চিঠি দেয় কর্তৃপক্ষ। এ চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে গত ২০ ডিসেম্বর ইউজিসির তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল আইইআর পরিদর্শনে আসে। দলটি আইইআরের জনবল, বেতন-ভাতা, অবসর নীতিমালা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখে। এ দলের সদস্যরা গত ১৫ জানুয়ারি দেওয়া এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে আইইআরের শিক্ষকদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এ প্রতিবেদনের ফলে ইনস্টিটিউটের ১৬ শিক্ষকের ভবিষ্যৎ ও অবসরে যাওয়া দুই শিক্ষকের পেনশন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান বলেন, 'যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে একটি প্রতিষ্ঠানকে আত্তীকরণ করা হয়, একটি নীতিমালা তৈরি করা হয়। সেটি হয়তো তৈরি করা হয়নি।' সে জন্য এ সংকট তৈরি হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট অনুযায়ী ইনস্টিটিউটের বিষয়ে কিভাবে একটি যৌক্তিক সমাধান বের করা যায়, সে জন্য তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমাদের কী ঘাটতি ছিল বা অনিয়ম হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী সিন্ডিকেটে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

আইইআরের সহকারী অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন বলেন, 'উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক। উপরন্তু তিনি সিন্ডিকেটের সভাপতি। তিনি এবং সিন্ডিকেটের সদস্যদের কাছ থেকে আইইআরের শিক্ষকরা এ সমস্যার একটি যৌক্তিক সমাধান পাবে বলে বিশ্বাস করে।'

চবি স্কুল ও কলেজকে আত্তীকরণ করে ২০১২ সালে আইইআর প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে ইনস্টিটিউটের ১৮ শিক্ষকের মধ্যে পাঁচজনের পিএইচডি, দুজনের এমফিল, একজনের বিএড, এমএড এবং চারজনের বিএড রয়েছে। বিএড ডিগ্রিধারী দুজন শিক্ষক বর্তমানে এমএডে অধ্যয়নরত। এ ছাড়া তিনজন পিএইচডি করছেন।



মন্তব্য