kalerkantho

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে চবির ৮ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩১ জানুয়ারি, ২০১৮ ২২:০৭



পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে চবির ৮ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আট শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এদের মধ্যে ছয়জনকে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে এবং দুইজনকে বিভাগের ফাইনাল পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়। আজ বুধবার ‘হেলথ এন্ড ডিসিপ্লিনারী কমিটি’র এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেন চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী।

ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে এক বছরের জন্য বহিষ্কৃতরা হলেন- শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রায়হানুল হক ও মো. শহীদুল্লাহ, মার্কেটিং বিভাগের ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষের ইশতিয়াক আহমেদ সৌরভ, ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলাম নাজমুল। আর একই অভিযোগে দুই বছরের জন্য বহিষ্কৃতরা হলেন- আরবি বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাদ্দাম হোসেন ও শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জুলকার নাইম। 

এছাড়া অর্থনীতি বিভাগের প্রথম বর্ষ ফাইনাল পরীক্ষায় এক বন্ধুর পরীক্ষায় অন্য বন্ধু অংশ নেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুই বছরের জন্য বহিষ্কৃতরা হলেন- বিভাগটির ২০১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শহিদুল ইসলাম এবং সাইদুল ইসলাম। 

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত বছরের ২৭ অক্টোবর চবিতে ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে জালিয়াতির অভিযোগে রায়হানুল হক ও মো. শহীদুল্লাহকে ক্যাম্পাসের একটি কটেজ থেকে আটক করে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে বেশ কয়েকজন ভর্তি পরীক্ষার্থীর প্রবেশ পত্র ও একাডেমিক সনদ পাওয়া যায়। এছাড়া একই অভিযোগে গত বছর ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে নগরীর বায়জিদ থেকে অত্যাধুনিক ডিভাইসসহ ইশতিয়াক এবং নাজমুলকে আটক করা হয়। ওই সময় চারজনকেই সাময়িকভাবে বহিস্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সূত্র আরো জানায়, এ ছাড়াও এক শিক্ষার্থীকে চবিতে ভর্তি করিয়ে দিতে সাড়ে তিন লাখ টাকা এবং একটি আইফোনের চুক্তি করেন সাদ্দাম ও জুলকার। জাহিদুল ইসলাম জিসান নামের ওই শিক্ষার্থী গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং বিভাগে ক্লাস করতে এলে ধরা পড়েন। তার তথ্যের ভিত্তিতেই সাদ্দাম এবং নাইম এর কথা জানতে পারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এ ব্যাপারে চবির সহকারী প্রক্টর লিটন মিত্র বলেন, ভর্তি জালিয়াতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছয়জনকে এবং বিভাগের ফাইনাল পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুইজনকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিস্কার করা হয়েছে। উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘হেলথ এন্ড ডিসিপ্লিনারী কমিটির’ জরুরী সভায় এ সিদ্ধান্ত নেন। বুধবার থেকে এদের বহিষ্কারাদেশ কার্যকর হবে।

 

 



মন্তব্য