kalerkantho

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

লক্ষ্য জলাবদ্ধতা নিরসন

চট্টগ্রামে ৫৭ খালের মাটি ও আবর্জনা উত্তোলনকাজ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

৮ জানুয়ারি, ২০১৮ ০২:১৪



চট্টগ্রামে ৫৭ খালের মাটি ও আবর্জনা উত্তোলনকাজ শুরু

আসন্ন বর্ষা মৌসুমে চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে ৫৭টি খাল থেকে মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। গতকাল রবিবার সকালে নগরের চাক্তাই খালের বহদ্দারহাট অংশে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

পরে মেয়র চাক্তাই খালের পাড় দিয়ে হেঁটে চকবাজার ফুলতল পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকার অবস্থা প্রত্যক্ষ করেন এবং পাঁচটি পয়েন্টে মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন কার্যক্রম দেখেন।

চসিক সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম ওয়াসার ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান-২০১৬ অনুযায়ী এই ৫৭টি খালকে ছয়টি জোনে বিভক্ত করে মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে করপোরেশন। এ কার্যক্রম আগামী বর্ষার আগে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

গতকাল উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র বলেন, প্রতিবছরের মতো চলতি অর্থবছরে সংস্কারকাজের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিজস্ব অর্থায়নে সম্ভাব্য ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে খালগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি, সংস্কার, মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত কার্যক্রম চলমান থাকবে।

আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, জনসাধারণকে খাল, নালা-নর্দমায় বা যত্রযত্র ময়লা ফেলা বন্ধ করতে হবে এবং এ বিষয়ে তাদের সচেতনতা বাড়াতে হবে। নাগরিক সচেতনতা ছাড়া সিটি করপোরেশন ও সরকারের পক্ষে কখনোই জলাবদ্ধতা নিরসন করা সম্ভব হবে না। মেয়র বলেন, গত বছরও একই কার্যক্রম পরিচালনার পরও চাক্তাই খালের অবস্থা প্রায় একই রকম। জনগণ অসচেতনভাবে সব ময়লা-বর্জয নালা, নর্দমা আর খালগুলোতে ফেলছে। তার ওপর রয়েছে পাহাড়ি সিলটেশন। পাহাড় ক্ষয় হয়ে বালি এসে খালে পড়ছে। নালা-নর্দমার বর্জয এসে পড়ছে খালগুলোতে। ফলে বছর যেতে না যেতেই খনন করা খাল আবার ভরাট হয়ে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে ছিলেন স্থানীয় কাউন্সিলর এম আশরাফুল আলম, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকেৌশলী আবু ছালেহ, আনোয়ার হোসাইন, নির্বাহী প্রকেৌশলী সুদীপ বসাক, মো. ফরহাদুল আলম, জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম প্রমুখ।



মন্তব্য