kalerkantho

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত

সীতাকুণ্ডে শিক্ষক গ্রেপ্তার

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

৭ জানুয়ারি, ২০১৮ ০৩:০৬



সীতাকুণ্ডে শিক্ষক গ্রেপ্তার

প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এতিমখানায় শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক মো. রহিমের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে সলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মোস্তাকিম আরজু বাদী হয়ে এ মামলা করেন। ঘটনার পরপরই আটক শিক্ষক রহিমকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকাল শনিবার কোর্ট হাজতে পাঠানো হয়েছে।

সংশি্লষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার সীতাকুণ্ডের সলিমপুর ইউনিয়নের ফৌজদারহাট চিস্তিয়া হাফেজিয়া এতিমখানার শিক্ষক মো. রহিম ওই এতিমখানার নাজরার ছাত্র মো. মাহফুজ হোসেন জিহাদকে (৮) নির্মমভাবে প্রহার করেন। এতে শিশুটির সারা শরীর রক্তাক্ত হয়ে যায়। এরপর তাকে কোনো চিকিত্সা না দিয়ে এতিমখানায় ফেলে রাখা হলে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। অভিভাবকদের এ বিষয়ে খবর দেওয়া হয়নি। গত শুক্রবার অন্য এক শিশুর অভিভাবক এতিমখানায় তাঁর সন্তানকে দেখতে এসে জিহাদকে অসুস্থ দেখে তার মা-বাবাকে জানালে তাঁরা ছুটে যান। তাঁরা উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মো. মোস্তাকিম আরজুকে খবর দিলে তিনি পুলিশের সহায়তায় জিহাদকে সেখান থেকে উদ্ধার করেন। ওই সময় পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষক রহিমকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

তবে হয়রানির শিকার হতে পারেন-এ আশঙ্কায় শিশু জিহাদের দরিদ্র মা-বাবা মামলা করতে অনাগ্রহ দেখানোয় ইউপি সদস্য মোস্তাকিম আরজু বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

সলিমপুর ইউপি সদস্য মো. মোস্তাকিম আরজু বলেন, ওই এতিমখানায় আগেও অনেক রকম শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু কোনোটিরই বিচার না হওয়ায় আবার এ রকম একটা ঘটনা ঘটিয়েছেন ওই শিক্ষক।

সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মোজাম্মেল হক বলেন, 'আসলে শিশু ছাত্র নির্যাতনের কথা শুনে আমি ফোর্স পাঠিয়ে ওই শিক্ষককে আটক করে নিয়ে আসি। কিন্তু তা মা-বাবা মামলা করতে ভয় পাচ্ছিলেন। তাই ইউপি সদস্য মোস্তাকিম আরজুকে বাদী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করিয়ে শিক্ষক রহিমকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কোর্ট হাজতে পাঠিয়েছি।'



মন্তব্য