kalerkantho

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

চার পাইলটকে উদ্ধারে এগিয়ে যান দুই জেলে সহোদর

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার   

২৯ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০১:২০



চার পাইলটকে উদ্ধারে এগিয়ে যান দুই জেলে সহোদর

কক্সবাজারের মহেশখালীতে গত বুধবার বিধ্বস্ত হওয়া দুই প্রশিক্ষণ বিমানের চার পাইলট প্যারাশুটের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। তখন ওই পাইলটদের উদ্ধারে এগিয়ে যান দুই জেলে সহোদর। তাঁরা হলেন কামাল পাশা (৩০) ও মোহাম্মদ মুবিন (২০)। তাঁরা মহেশখালী পেৌর এলাকার ঘোনার পাড়ার মৃত নুরুল হকের ছেলে।

এই দুই ভাই পানি থেকে উদ্ধার করেন এক পাইলটকে। বাকি তিনজনকে উদ্ধার করা হয় সাগর তীরবর্তী এলাকা থেকে। উদ্ধারপ্রাপ্ত পাইলটরা হলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন শরীফ, স্কোয়াড্রন লিডার রাজীব, উইং কমান্ডার মনির ও উইং কমান্ডার আজিম।

গত রাতে বিমানবাহিনীর স্কোয়াড্রন লিডার আরমান কালের কণ্ঠকে জানান, চার পাইলট প্যারাশুট নিয়ে নিরাপদে নেমে পড়ার পর তাঁদের উদ্ধার করতে প্রথম এগিয়ে যান মহেশখালীর দুই সহোদর। তিনি বলেন, 'গতকাল মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে ওই দুই ভাইকে নিয়ে অনেক আলাপ হয়েছে।'

বিমানবাহিনীর ফ্লাইট লে. ইফতেখার কালের কণ্ঠকে বলেন, 'মহেশখালীর দুই সহোদর জেলে এগিয়ে না এলে এবং তাঁদের মোবাইল ফোন না থাকলে আমাদের সঙ্গীদের খুঁজে নিতে অনেক কষ্ট হতো।'

এদিকে বিধ্বস্ত বিমান দুটির ধ্বংসাবশেষ উদ্ধারের কাজ চলছে। উদ্ধারকাজ দেখতে হেলিকপ্টারে করে গতকাল দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার।


মন্তব্য