kalerkantho

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

দেড় কিলোমিটারে সাত সাঁকো, পুরো গ্রামে ১৫!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ নভেম্বর, ২০১৭ ১০:৩২



দেড় কিলোমিটারে সাত সাঁকো, পুরো গ্রামে ১৫!

দেড় কিলোমিটারের সড়ক। কিছুদূর অন্তর বাঁশের সাঁকো।

এভাবে সড়কের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত আসতে পাড়ি দিতে হয় সাতটি সাঁকো। ফলে গাড়ি চলে না। হাঁটা ছাড়া কোনো উপায় নেই। এ চিত্র চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার কেয়াগড় গ্রামের প্রধান সড়কের। শুধু প্রধান সড়ক নয়, গ্রামের বিভিন্ন পাড়ায় যাতায়াতে রয়েছে আরও আটটি সাঁকো। যোগাযোগ সমস্যার কারণে উপজেলার চাতরী ইউনিয়নের এ গ্রামটি উন্নয়নেও পিছিয়ে রয়েছে। অথচ উপজেলা সদর থেকে এই গ্রামের দূরত্ব মাত্র দেড় কিলোমিটার। ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয় সূত্র জানায়, গ্রামটি তিনটি পাড়ায় বিভক্ত পূর্ব, পশ্চিম ও উত্তরপাড়া। বসবাস অন্তত ১০ হাজার মানুষের। নানা কাজে প্রতিদিন স্থানীয় বাসিন্দাদের যেতে হয় উপজেলা সদরে। ফলে চলাচলে ভোগান্তির যেন শেষ নেই।

উপজেলা সদরের আধা কিলোমিটার উত্তরে কেয়াগড়ের ঔমাতারা সড়কের শুরু। এ সড়কটির আধা কিলোমিটার পেরোলে পড়ে প্রথম সাঁকো। এটির দৈর্ঘ্য ১০-১২ ফুট। সেখান থেকে ২০০ মিটার পর কান্দরিয়া খাল। এই খালের ওপর রয়েছে ভাঙা সেতু। সেতুটি তিন ভাগে ভেঙেছে। ভাঙা অংশগুলো জোড়া লাগানো হয়েছে বাঁশের সাঁকো দিয়ে। এরপর আরও কিছুদূর গেলে শিবমন্দির এলাকায় রয়েছে ছোট আরও দুটি সাঁকো। এভাবে সড়কের শেষ প্রান্ত পশ্চিমপাড়া হাসপাতাল এলাকা যেতে আরও চারটি সাঁকো পাড়ি দিতে হয়। এ ছাড়া গ্রামের অভ্যন্তরীণ সড়কে পূর্বপাড়ায় চারটি, পশ্চিমপাড়ায় একটি ও উত্তরপাড়ায় তিনটি সাঁকো রয়েছে।

ইউপি কার্যালয় সূত্র জানায়, ২০১২ সালের দিকে কেয়াগড় এলাকার ঔমাতারা সড়কে শুরু থেকে আধা কিলোমিটার পর্যন্ত ইট বিছানো হয়। পরে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে জেলা পরিষদ থেকে ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়ে তিন পাড়ায় যাতায়াতের সড়কে ইট বিছানো হলেও তা বিভিন্ন সময় ভেঙে যায়। গ্রামটির মূল সমস্যা বর্ষায় জলমগ্ন থাকে। তা ছাড়া পূর্ণিমা ও অমাবস্যার সময় গ্রামের পাশের কর্ণফুলী নদীতে জোয়ারের পানির উচ্চতা বাড়লেও প্লাবিত হয়।


মন্তব্য