kalerkantho

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

অসুস্থ মহিউদ্দিন চৌধুরীকে নেওয়া হলো সিঙ্গাপুরে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৭ নভেম্বর, ২০১৭ ০৬:২৬



অসুস্থ মহিউদ্দিন চৌধুরীকে নেওয়া হলো সিঙ্গাপুরে

ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জেট এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাঁকে নিয়ে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয় পরিবারের সদস্যরা।

 

তাঁর সঙ্গে ছেলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীন এবং বড় মেয়ের জামাতা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরীও সিঙ্গাপুরে গেছেন।

মহিউদ্দিন চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী ওসমান গণি জানিয়েছেন, স্কয়ার হাসপাতাল থেকে বিমানবন্দরে নেওয়ার আগে মহিউদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করে সুস্থতা কামনা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বিমানবন্দরে মহিউদ্দিন চৌধুরীকে বিদায় জানান আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ও শাহজাদা মহিউদ্দিন। এ সময় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিল। আগামী রবিবার মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা মহিউদ্দিন সিঙ্গাপুরে যাবেন বলেও জানিয়েছেন ওসমান গণি।

উল্লেখ্য, গত ১১ নভেম্বর রাতে নিজ বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়ার পর মহিউদ্দিন চৌধুরীকে প্রথমে নগরের মেহেদিবাগে ম্যাক্স হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁকে আইসিইউতে রেখে চিকিত্সা দেওয়া হয়। পরদিন রবিবার দুপুরে তাঁকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নিয়ে স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি মৃদু হার্ট অ্যাটাকের পাশাপাশি কিডনিজনিত রোগে ভুগছেন।

সুস্থতা কামনায় প্রিমিয়ারে দোয়া মাহফিল : মহিউদ্দিন চৌধুরীর সুস্থতা কামনায় গতকাল বিকেলে নগরের বেসরকারি প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল হয়েছে। তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা। এতে উপস্থিত ছিলেন ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহীত উল আলম, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু তাহের এবং ডেপুটি রেজিস্ট্রার খুরশিদুর রহমান। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এতে অংশ নেন।  

মিলাদ মাহফিলে মহিউদ্দিন চৌধুরীর রোগ মুক্তি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মাঈনুদ্দিন।


মন্তব্য