|
|
বধির সারাহ শুনতে পেলেন
কালের কণ্ঠ ডেস্ক
পাখির কলতান, বাতাসের ধ্বনি কিংবা মানুষের কণ্ঠস্বর শোনার জন্য অধীর ছিলেন সারাহ চারম্যান। কারণ জন্মের পর থেকেই তিনি বধির। তবে সেই বাধা জয় করে এখন তিনি শুনতে পাচ্ছেন নিজের আদরের সন্তানদের ডাক, পাখির গান, বাতাসের শব্দসহ সবকিছু। এটা সম্ভব হয়েছে আমেরিকার চিকিৎসকদের কল্যাণে। প্রথমবারের মতো নিজের কণ্ঠস্বর শুনতে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেলেন সারাহ।
টেঙ্াসের মেয়ে সারাহ দুই বছর বয়স থেকে হিয়ারিং এইড ব্যবহার করলেও তাতে তেমন সুবিধা পাননি। অন্যের কথা বুঝতে তাঁকে শেষ পর্যন্ত তাদের ঠোঁটের নড়াচড়ার ওপরই নির্ভর করতে হয়েছে। এনভয় মেডিক্যালের চিকিৎসকরা তাঁর কানের ভেতরে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে স্থাপন করেন নতুন ধরনের একটি যন্ত্র। যন্ত্রটি কানের পর্দার কম্পনের মাধ্যমে শুনতে সাহায্য করে। অস্ত্রোপচারের আট সপ্তাহ পর আসে জীবনের স্মরণীয় সেই মুহূর্তটি।
২৯ বছর বয়সী সারাহর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এ মুহূর্তটি ভিডিও ক্যামেরায় ধরে রাখেন তাঁর স্বামী স্লোন চারম্যান। হাসপাতালের নার্স যখন ওই যন্ত্রটি চালু করলেন, তখন চারম্যান সবকিছু বেশ উচ্চৈঃস্বরে শুনতে পেলেন। পরে তাঁরা ওই ভিডিও ইউটিউবে ছেড়ে দেন। ইউটিউবের কল্যাণে ইতিমধ্যে ১০ লাখেরও বেশি লোক ভিডিওটি দেখেছে। তাতে দেখা যায়, হাসপাতালের সেবিকা যন্ত্রটি চালু করে সারাহকে জিজ্ঞেস করছেন, তিনি শুনতে পাচ্ছেন কি না। সারাহ জানান, তিনি শুনতে পেয়েছেন। পরমুহূর্তেই কেঁদে ফেলেন। তিনি এতটাই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন যে, অনুভূতি প্রকাশের ভাষা পাচ্ছিলেন না। শুধু মুখ ঢেকে কখনো হাসছেন কিংবা কাঁদছেন। নার্সের প্রশ্নের জবাবে তিনি একসময় বলেন, 'আমার মেয়ের কণ্ঠস্বর বেশ উঁচু।' সারাহ জানান, যন্ত্রটি তাঁকে দিয়েছে এনভয় মেডিক্যালের সহায়তায় 'এসটিম'। অন্যান্য হিয়ারিং এইডের থেকে যন্ত্রটি আলাদা। এটিকে কানের ভেতরে বিশেষ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বসানো হয়। এটি কানের পর্দার কম্পনের মাধ্যমে কাজ করে। সূত্র : ডেইলি মেইল।
কালের কণ্ঠ ডেস্কটেঙ্াসের মেয়ে সারাহ দুই বছর বয়স থেকে হিয়ারিং এইড ব্যবহার করলেও তাতে তেমন সুবিধা পাননি। অন্যের কথা বুঝতে তাঁকে শেষ পর্যন্ত তাদের ঠোঁটের নড়াচড়ার ওপরই নির্ভর করতে হয়েছে। এনভয় মেডিক্যালের চিকিৎসকরা তাঁর কানের ভেতরে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে স্থাপন করেন নতুন ধরনের একটি যন্ত্র। যন্ত্রটি কানের পর্দার কম্পনের মাধ্যমে শুনতে সাহায্য করে। অস্ত্রোপচারের আট সপ্তাহ পর আসে জীবনের স্মরণীয় সেই মুহূর্তটি।
২৯ বছর বয়সী সারাহর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এ মুহূর্তটি ভিডিও ক্যামেরায় ধরে রাখেন তাঁর স্বামী স্লোন চারম্যান। হাসপাতালের নার্স যখন ওই যন্ত্রটি চালু করলেন, তখন চারম্যান সবকিছু বেশ উচ্চৈঃস্বরে শুনতে পেলেন। পরে তাঁরা ওই ভিডিও ইউটিউবে ছেড়ে দেন। ইউটিউবের কল্যাণে ইতিমধ্যে ১০ লাখেরও বেশি লোক ভিডিওটি দেখেছে। তাতে দেখা যায়, হাসপাতালের সেবিকা যন্ত্রটি চালু করে সারাহকে জিজ্ঞেস করছেন, তিনি শুনতে পাচ্ছেন কি না। সারাহ জানান, তিনি শুনতে পেয়েছেন। পরমুহূর্তেই কেঁদে ফেলেন। তিনি এতটাই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন যে, অনুভূতি প্রকাশের ভাষা পাচ্ছিলেন না। শুধু মুখ ঢেকে কখনো হাসছেন কিংবা কাঁদছেন। নার্সের প্রশ্নের জবাবে তিনি একসময় বলেন, 'আমার মেয়ের কণ্ঠস্বর বেশ উঁচু।' সারাহ জানান, যন্ত্রটি তাঁকে দিয়েছে এনভয় মেডিক্যালের সহায়তায় 'এসটিম'। অন্যান্য হিয়ারিং এইডের থেকে যন্ত্রটি আলাদা। এটিকে কানের ভেতরে বিশেষ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বসানো হয়। এটি কানের পর্দার কম্পনের মাধ্যমে কাজ করে। সূত্র : ডেইলি মেইল।
দেশে দেশে -এর আরো সংবাদ
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com








