ঢাকা, রবিবার ২৯ এপ্রিল ২০১২, ১৬ বৈশাখ ১৪১৯, ৬ জমাদিউস সানি ১৪৩৩
চেন গুয়াংচেং
¦
« পূর্ববর্তী সংবাদ
মার্কিন দূতাবাসে আশ্রয় নিয়েছেন মানবাধিকারকর্মী চেন কালের কণ্ঠ ডেস্ক
চীনের ভিন্নমতাবলম্বী মানবাধিকার কর্মী চেন গুয়াংচেং গৃহবন্দিত্ব থেকে পালিয়ে বেইজিংয়ে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে আশ্রয় নিয়েছেন। ওয়াশিংটনভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা চায়না এইড ও চেনের ঘনিষ্ঠ এক বন্ধু গতকাল শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিষয়টি নিয়ে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে বেইজিং ও মার্কিন দূতাবাস কোনো মন্তব্য করেনি।
পূর্বাঞ্চলীয় শানডং প্রদেশে নিজ বাড়িতে গৃহবন্দি ছিলেন জন্মান্ধ চেন। গত রবিবার (২২ এপ্রিল) তিনি নিরাপত্তা প্রহরীদের চোখে ধুলো দিয়ে বাড়ির উঁচু দেয়াল টপকে বাইরে বেরিয়ে যান। এরপর কয়েক শ কিলোমিটার পথ গাড়ি চালিয়ে বেইজিং পেঁৗছান। চেন অন্ধ হওয়া সত্ত্বেও কিভাবে এই অসাধ্য সাধন করলেন তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
চায়না এইডের পরিচালক বব ফু জানান, চেনের এক ঘনিষ্ঠ সূত্রে তিনি জানতে পেরেছেন চেন বর্তমানে মার্কিন হেফাজতে আছেন। গত ৭২ ঘণ্টা ধরে তিনি তাদের কাছেই আছেন। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি বলেছে, 'চেনকে নিয়ে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা চলছে। তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চীনা কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।' উল্লেখ্য, গণতন্ত্রপন্থী কর্মী বব ১৯৯৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। সেখানে তিনি চায়না এইড প্রতিষ্ঠা করেন। দেশ থেকে চলে গেলেও চেন ও তাঁর সমর্থকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল ববের।
চীনের এক সন্তান নীতি ও জোরপূর্বক গর্ভপাতের বিরোধিতা করে ২০০৫ সালে আলোচনায় আসেন চেন। দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় শানডং প্রদেশের স্থানীয় কর্মকর্তাদের বিরাগভাজন হন তিনি। সরকারি নীতির বিরোধিতার কারণে তাঁকে চার বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়। ২০১০ সালে মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই চেনকে তাঁর বাড়িতে গৃহবন্দি করে রাখা হয়। এ সময় চেন ও তাঁর পরিবারের ওপর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ করেছেন তিনি। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও তাঁর কাছে আছে বলে জানা গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ও অর্থমন্ত্রী টিমোথি গেইথনারের বেইজিং সফরের আগে এ ঘটনা উভয় দেশের জন্যই অস্বস্তিকর। পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের চীনা পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ঝু ফেং বলেন, 'যদি খবরটি সত্য হয় তবে দুই পক্ষের জন্যই এটা বিতর্কের বিষয় হবে। এটি রাজনৈতিকভাবে খুবই স্পর্শকাতর বিষয়। চেন সেখানে (মার্কিন দূতাবাস) আছে কি না আমরা তা জানি না। তবে আশ্চর্যের বিষয় হল এ নিয়ে দূতাবাসের কর্মকর্তারা কিছুই বলছেন না।' সূত্র : এএফপি, বিবিসি।
« পূর্ববর্তী সংবাদ
দেশে দেশে -এর আরো সংবাদ
আজকের পাঠকসংখ্যা
৭২২৩৪২
পুরোনো সংখ্যা
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
free counters
Latest News Portal Food Recipe in Bangladesh jobs in Bangladesh