|
|
৭০ লাখ টাকা কেলেঙ্কারিরেলের তদন্ত কমিটি ব্যর্থ!
নিজস্ব প্রতিবেদক
অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনার তদন্ত বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে শেষ করতে ব্যর্থ হচ্ছে রেলওয়ের তদন্ত কমিটি। কমিটি তদন্ত শেষ করতে অতিরিক্ত আরো পাঁচ দিন সময় চেয়েছে। কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার কথা আগামী সোমবার ৩০ এপ্রিল (১৫ কার্যদিবস ধরে)। তবে দুই সপ্তাহেও কমিটি বিজিবি সদর দপ্তরের ঘটনাস্থলে যায়নি। রেল মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
দুই সদস্যের এই কমিটির প্রধান বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আবু তাহের গতকাল শনিবার বিকেলে কালের কণ্ঠকে বলেন, 'প্রতি সপ্তাহের পাঁচটি কার্যদিবস ধরে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ঘটনাস্থল বিজিবি সদর দপ্তরে যাওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পেতে বিলম্ব হয়েছে। এ কারণে ঘটনাস্থলে যেতে পারিনি। এ ছাড়া ওমর ফারুকের গাড়িচালক আজম খানের জবানবন্দিও নিতে পারিনি। তাই আমরা আরো পাঁচ কার্যদিবস অতিরিক্ত সময় চেয়েছি। আশা করছি এসব কাজ হয়ে গেলে প্রতিবেদন দিতে পারব।'
গত ৯ এপ্রিল রাতে ঢাকায় বিজিবি গেটের সামনে তৎকালীন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এপিএস ওমর ফারুক তালুকদারের গাড়িতে ৭০ লাখ টাকা ধরা পড়ে। ঘটনার পরদিন ১০ এপ্রিল দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
রেলওয়ের মহাপরিচালক আবু তাহের ছাড়া কমিটির অপর সদস্য হলেন রেল মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শশী কুমার সিংহ। শশী কুমার সিংহ গতকাল দুপুরে কালের কণ্ঠকে জানান, তাঁরা দুই-এক দিনের মধ্যে বিজিবিতে যাবেন। এ ছাড়া ওমর ফারুকের গাড়িচালক আজম খানকে জিজ্ঞাসাবাদের চেষ্টা চলছে। রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ইউসুফ আলী মৃধার গাড়িচালক ও বডিগার্ডকেও কমিটি জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ইউসুফ আলী মৃধা, তাঁর নিরাপত্তা কর্মকর্তা রেলওয়ের কমান্ড্যান্ট এনামুল হক ও রেলমন্ত্রীর এপিএস ওমর ফারুক তালুকদার সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বাসায় যাওয়ার পথে বিজিবির হাতে আটক হন ৯ এপ্রিল। এ নিয়ে সমালোচনার পর এপিএসকে চাকরিচ্যুত করেন সুরঞ্জিত। পরে অন্য দুজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তার পর চাপে পড়ে এক সপ্তাহের ব্যবধানে পদত্যাগ করেন সুরঞ্জিত।
নিজস্ব প্রতিবেদকদুই সদস্যের এই কমিটির প্রধান বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আবু তাহের গতকাল শনিবার বিকেলে কালের কণ্ঠকে বলেন, 'প্রতি সপ্তাহের পাঁচটি কার্যদিবস ধরে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ঘটনাস্থল বিজিবি সদর দপ্তরে যাওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি পেতে বিলম্ব হয়েছে। এ কারণে ঘটনাস্থলে যেতে পারিনি। এ ছাড়া ওমর ফারুকের গাড়িচালক আজম খানের জবানবন্দিও নিতে পারিনি। তাই আমরা আরো পাঁচ কার্যদিবস অতিরিক্ত সময় চেয়েছি। আশা করছি এসব কাজ হয়ে গেলে প্রতিবেদন দিতে পারব।'
গত ৯ এপ্রিল রাতে ঢাকায় বিজিবি গেটের সামনে তৎকালীন রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এপিএস ওমর ফারুক তালুকদারের গাড়িতে ৭০ লাখ টাকা ধরা পড়ে। ঘটনার পরদিন ১০ এপ্রিল দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
রেলওয়ের মহাপরিচালক আবু তাহের ছাড়া কমিটির অপর সদস্য হলেন রেল মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শশী কুমার সিংহ। শশী কুমার সিংহ গতকাল দুপুরে কালের কণ্ঠকে জানান, তাঁরা দুই-এক দিনের মধ্যে বিজিবিতে যাবেন। এ ছাড়া ওমর ফারুকের গাড়িচালক আজম খানকে জিজ্ঞাসাবাদের চেষ্টা চলছে। রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ইউসুফ আলী মৃধার গাড়িচালক ও বডিগার্ডকেও কমিটি জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ইউসুফ আলী মৃধা, তাঁর নিরাপত্তা কর্মকর্তা রেলওয়ের কমান্ড্যান্ট এনামুল হক ও রেলমন্ত্রীর এপিএস ওমর ফারুক তালুকদার সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বাসায় যাওয়ার পথে বিজিবির হাতে আটক হন ৯ এপ্রিল। এ নিয়ে সমালোচনার পর এপিএসকে চাকরিচ্যুত করেন সুরঞ্জিত। পরে অন্য দুজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তার পর চাপে পড়ে এক সপ্তাহের ব্যবধানে পদত্যাগ করেন সুরঞ্জিত।
শেষের পাতা -এর আরো সংবাদ
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com








