|
|
হিলারির সঙ্গেই চীন ছাড়তে চান চেনওবামার সাহায্য প্রার্থনা
কালের কণ্ঠ ডেস্ক
নিরাপত্তার খাতিরে চীন ছাড়তে চান মানবাধিকারকর্মী চেন গুয়াংচেং। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যেতে চান। এ জন্য তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সাহায্য চেয়েছেন। চীন সফররত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে একই বিমানে করে তিনি চীন ছাড়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
চেনের অভিযোগ, বেইজিং কর্তৃপক্ষ তাঁর পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। মার্কিন দূতাবাস ছাড়তে তাঁকে বাধ্য করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মার্কিন দূতাবাস অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
চীন সরকার চেন ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা দেবে_এমন আশ্বাসের ভিত্তিতে গত বুধবার চেন বেইজিংয়ের মার্কিন দূতাবাস ছাড়েন। তবে এখন সরকার প্রতিশ্রুতি ভেঙে তাঁর পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন চেন। সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'আমি প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে বলতে চাই, সপরিবারে আমাকে এখান (চীন) থেকে বের করার জন্য আপনি কিছু করুন। নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে আমি খুবই উদ্বিগ্ন। সম্ভব হলে আমাকে হিলারির সঙ্গে দেশত্যাগের ব্যবস্থা করে দিন।' এ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চেন তাদের কাছে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইলে তারা তাঁকে সাহায্য করতে প্রস্তুত আছে।
মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে গত বুধবার জানানো হয়েছে, চেন স্বেচ্ছায় দূতাবাস ছেড়েছেন। তবে সিএনএনকে চেন বলেন, দূতাবাস ছাড়তে তাঁকে বাধ্য করা হয়েছে। তাঁর অবস্থান দূতাবাসের নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ_এ কারণে দেখিয়ে তাঁকে সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তারাও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন না বলে তিনি জানান। তবে চীনে নিয়োজিত মার্কিন রাষ্ট্রদূত গ্যারি লক অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা জানিয়েছে, চেন ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে তাঁরা নিয়মিত যোগাযোগ করছেন।
চেন টেলিফোনে ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানকে বলেন, 'আমি বাইরে যেতে পারছি না। আমার কোনো বন্ধুও আমার সঙ্গে দেখা করতে পারছে না। আমার মোবাইল ফোনও কাজ করছে না। আমার অনেক আত্মীয় এখনো গ্রামের বাড়িতে রয়েছে। শুনেছি, লাঠিসোঁটা নিয়ে অনেক লোক আমার বাড়ির বাইরে অবস্থান নিয়েছে। সেখানে গোপন ক্যামেরা এবং বাড়ির চারপাশে বৈদ্যুতিক তারের বেড়াও বসানো হয়েছে। এ কারণে আমি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।' চীনের মানবাধিকারকর্মীরাও চেনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ওয়াং সংলিয়ান নামের এক কর্মী বলেন, 'মানবাধিকার রক্ষার প্রশ্নে সরকারের ওয়াদা ভঙ্গের নজির আছে। আমরা সবচেয়ে উদ্বিগ্ব শানদংয়ে থাকা চেনের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে। কর্তৃপক্ষ তাদের ওপর নির্যাতন চালাতে পারে।' ২০১০ সাল থেকে পূর্বাঞ্চলীয় শানদং প্রদেশে নিজ বাড়িতে গৃহবন্দি ছিলেন জন্মান্ধ চেন। গত ২২ এপ্রিল তিনি নিরাপত্তা প্রহরীদের চোখ এড়িয়ে পালিয়ে যান। এরপর কয়েক শ কিলোমিটার পথ গাড়ি চালিয়ে বেইজিং পেঁৗছান এবং সেখানে মার্কিন দূতাবাসে আশ্রয় নেন। তবে চেনের পালানো ও গাড়ি চালানো নিয়ে নানা প্রশ্ন আছে। এ নিয়ে ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রও চুপ ছিল। গত বুধবার হিলারি পূর্ব-নির্ধারিত সফরে বেইজিং পেঁৗছানোর কয়েক ঘণ্টা পরে 'চেন ইস্যু'তে মুখ খোলে মার্কিন দূতাবাস।
বাণিজ্য ও সিরিয়া নিয়ে বৈঠকের জন্য গত বুধবার হিলারি চীন পেঁৗছান। অর্থমন্ত্রী টিমোথি গেইথনারও তাঁর সঙ্গে রয়েছেন। গতকাল উভয় পক্ষে এক দফা বৈঠক হয়েছে। আজ শুক্রবার ফের বৈঠক হবে। তারপর বাংলাদেশের উদ্দেশে চীন ছাড়বেন হিলারি। সূত্র : এএফপি, গার্ডিয়ান, বিবিসি।
কালের কণ্ঠ ডেস্কচেনের অভিযোগ, বেইজিং কর্তৃপক্ষ তাঁর পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে। মার্কিন দূতাবাস ছাড়তে তাঁকে বাধ্য করা হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মার্কিন দূতাবাস অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
চীন সরকার চেন ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা দেবে_এমন আশ্বাসের ভিত্তিতে গত বুধবার চেন বেইজিংয়ের মার্কিন দূতাবাস ছাড়েন। তবে এখন সরকার প্রতিশ্রুতি ভেঙে তাঁর পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন চেন। সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'আমি প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে বলতে চাই, সপরিবারে আমাকে এখান (চীন) থেকে বের করার জন্য আপনি কিছু করুন। নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে আমি খুবই উদ্বিগ্ন। সম্ভব হলে আমাকে হিলারির সঙ্গে দেশত্যাগের ব্যবস্থা করে দিন।' এ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চেন তাদের কাছে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইলে তারা তাঁকে সাহায্য করতে প্রস্তুত আছে।
মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে গত বুধবার জানানো হয়েছে, চেন স্বেচ্ছায় দূতাবাস ছেড়েছেন। তবে সিএনএনকে চেন বলেন, দূতাবাস ছাড়তে তাঁকে বাধ্য করা হয়েছে। তাঁর অবস্থান দূতাবাসের নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ_এ কারণে দেখিয়ে তাঁকে সেখান থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তারাও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন না বলে তিনি জানান। তবে চীনে নিয়োজিত মার্কিন রাষ্ট্রদূত গ্যারি লক অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা জানিয়েছে, চেন ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে তাঁরা নিয়মিত যোগাযোগ করছেন।
চেন টেলিফোনে ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানকে বলেন, 'আমি বাইরে যেতে পারছি না। আমার কোনো বন্ধুও আমার সঙ্গে দেখা করতে পারছে না। আমার মোবাইল ফোনও কাজ করছে না। আমার অনেক আত্মীয় এখনো গ্রামের বাড়িতে রয়েছে। শুনেছি, লাঠিসোঁটা নিয়ে অনেক লোক আমার বাড়ির বাইরে অবস্থান নিয়েছে। সেখানে গোপন ক্যামেরা এবং বাড়ির চারপাশে বৈদ্যুতিক তারের বেড়াও বসানো হয়েছে। এ কারণে আমি নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।' চীনের মানবাধিকারকর্মীরাও চেনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ওয়াং সংলিয়ান নামের এক কর্মী বলেন, 'মানবাধিকার রক্ষার প্রশ্নে সরকারের ওয়াদা ভঙ্গের নজির আছে। আমরা সবচেয়ে উদ্বিগ্ব শানদংয়ে থাকা চেনের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে। কর্তৃপক্ষ তাদের ওপর নির্যাতন চালাতে পারে।' ২০১০ সাল থেকে পূর্বাঞ্চলীয় শানদং প্রদেশে নিজ বাড়িতে গৃহবন্দি ছিলেন জন্মান্ধ চেন। গত ২২ এপ্রিল তিনি নিরাপত্তা প্রহরীদের চোখ এড়িয়ে পালিয়ে যান। এরপর কয়েক শ কিলোমিটার পথ গাড়ি চালিয়ে বেইজিং পেঁৗছান এবং সেখানে মার্কিন দূতাবাসে আশ্রয় নেন। তবে চেনের পালানো ও গাড়ি চালানো নিয়ে নানা প্রশ্ন আছে। এ নিয়ে ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রও চুপ ছিল। গত বুধবার হিলারি পূর্ব-নির্ধারিত সফরে বেইজিং পেঁৗছানোর কয়েক ঘণ্টা পরে 'চেন ইস্যু'তে মুখ খোলে মার্কিন দূতাবাস।
বাণিজ্য ও সিরিয়া নিয়ে বৈঠকের জন্য গত বুধবার হিলারি চীন পেঁৗছান। অর্থমন্ত্রী টিমোথি গেইথনারও তাঁর সঙ্গে রয়েছেন। গতকাল উভয় পক্ষে এক দফা বৈঠক হয়েছে। আজ শুক্রবার ফের বৈঠক হবে। তারপর বাংলাদেশের উদ্দেশে চীন ছাড়বেন হিলারি। সূত্র : এএফপি, গার্ডিয়ান, বিবিসি।
দেশে দেশে -এর আরো সংবাদ
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com








