|
|
চমেক হাসপাতালচিকিৎসকদের অনাগ্রহে বন্ধ হতে চলেছে ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ড!
নূপুর দেব, চট্টগ্রাম
চিকিৎসকদের অনাগ্রহে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ড যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এক হাজার ১০ শয্যার চমেক হাসপাতালে গুরুত্বপূর্ণ এ ওয়ার্ডে যেকোনো ঘটনা-দুর্ঘটনায় আসা আহতদের জরুরি ভিত্তিতে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। প্রতিদিন গড়ে এ ওয়ার্ডে ৩০ থেকে ৪০ জন রোগী ভর্তি থাকলেও দুর্ঘটনা বেশি হলে এ হার বেড়ে দ্বিগুণ হয়। তবে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. ফসিউর রহমান চিকিৎসকদের অনাগ্রহের বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেছেন, 'চিকিৎসক স্বল্পতার কারণে ওয়ার্ডটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। তবে ওয়ার্ডটি বন্ধ হবে না। এ জন্য আমি উদ্যোগ নিয়েছি।'
গতকাল রবিবার দুপুরে চমেক হাসপাতালের নবাগত এ পরিচালক জানান, গত সপ্তাহে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চিঠি দিয়ে ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডে চিকিৎসকের স্থায়ী পদ সৃষ্টির জন্য জানানো হয়েছে। চিঠিতে এ ওয়ার্ডের জন্য একজন সহযোগী অধ্যাপক, দুজন সহকারী অধ্যাপক, জুনিয়র কনসালট্যান্ট, রেজিস্ট্রার এবং তিনজন মেডিক্যাল অফিসার পদায়নের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, গত মঙ্গলবার হাসপাতালের সার্জারি বিভাগ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রধান অধ্যাপক ডা. ওমর ফারুক ইউসুফের কক্ষে সার্জারি চিকিৎসকরা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। বৈঠকে অধ্যাপক (সার্জারি) ডা. খন্দকার এ কে আজাদ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. এস এম আশরাফ আলীসহ আরো কয়েকজন চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ডা. আজাদকে সার্জারি অধ্যাপকের শূন্য পদে নিয়োগের বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে ডা. আজাদের স্থলে ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে বলে মতামত চাইলে উপস্থিত চিকিৎসকদের কেউই ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডের দায়িত্ব নিতে রাজি হননি। বৈঠক শেষে সার্জারির জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকরা হাসপাতাল পরিচালকের সঙ্গে দেখা করে 'চিকিৎসক পাওয়া না গেলে' ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ড বন্ধ করে দেওয়ার পরামর্শ দেন। এ সময় পরিচালক চিকিৎসকদের কাছ থেকে দুই দিনের সময় নেন। এরপর পরিচালক গত বৃহস্পতিবার ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডের জন্য সহযোগী অধ্যাপকসহ বিভিন্ন পদে চিকিৎসক চেয়ে চিঠি দেন সংশ্লিষ্টদের।
সার্জারি চিকিৎসকদের এই বৈঠক সম্পর্কে জানতে চাইলে হাসপাতালের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. এস এম আশারফ আলী কালের কণ্ঠকে বলেন, 'এসব বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই। সার্জারি বিভাগের প্রধানের কাছ থেকে জেনে নেন।' এরপর একই বিষয়ে শনিবার দুপুরে সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. ওমর ফারুক ইউসুফের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'ফোনে বলা সম্ভব নয়। আপনি অফিসে আসেন।'
জানা যায়, ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে আছেন সহযোগী অধ্যাপক (সার্জারি) ডা. খন্দকার এ কে আজাদ। সম্প্র্রতি তিনি বিভাগীয় পদোন্নতি পেয়ে অধ্যাপক হয়েছেন। এ ওয়ার্ডে অধ্যাপকের পদ না থাকায় তিনি হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের অধ্যাপকের একটি শূন্য পদে যোগদান করবেন। সহকারী রেজিস্ট্রারের পদে ডা. হাসমত আলী মিয়া থাকলেও তিনি প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চলে যাবেন। রেজিস্ট্রার পদে আছেন ডা. রাশেদুল হাসান। এ ছাড়া মেডিক্যাল অফিসারের একমাত্র পদটিও শূন্য। বর্তমানে দুই-তিনজন এইচএমও (অনারারি মেডিক্যাল অফিসার) দিয়ে কোনোমতে চলছে ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ড।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ২৯ এপ্রিল তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি চমেক হাসপাতালে মূল ভবনের নিচ তলায় ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। তবে এর কিছুদিন আগ থেকে ওয়ার্ডটির কার্যক্রম শুরু হয়।
ওয়ার্ডে জরুরি চিকিৎসা সেবা নেওয়ার জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতিসহ দুটি অপারেশন থিয়েটার রয়েছে। পুরুষ ব্লকে ১৫টি শয্যা, মহিলা ব্লকে সাতটি শয্যা ও পোস্ট অপারেটিভ ব্লকে পাঁচটি শয্যা রয়েছে।
নূপুর দেব, চট্টগ্রামগতকাল রবিবার দুপুরে চমেক হাসপাতালের নবাগত এ পরিচালক জানান, গত সপ্তাহে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চিঠি দিয়ে ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডে চিকিৎসকের স্থায়ী পদ সৃষ্টির জন্য জানানো হয়েছে। চিঠিতে এ ওয়ার্ডের জন্য একজন সহযোগী অধ্যাপক, দুজন সহকারী অধ্যাপক, জুনিয়র কনসালট্যান্ট, রেজিস্ট্রার এবং তিনজন মেডিক্যাল অফিসার পদায়নের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, গত মঙ্গলবার হাসপাতালের সার্জারি বিভাগ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রধান অধ্যাপক ডা. ওমর ফারুক ইউসুফের কক্ষে সার্জারি চিকিৎসকরা রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। বৈঠকে অধ্যাপক (সার্জারি) ডা. খন্দকার এ কে আজাদ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. এস এম আশরাফ আলীসহ আরো কয়েকজন চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ডা. আজাদকে সার্জারি অধ্যাপকের শূন্য পদে নিয়োগের বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে ডা. আজাদের স্থলে ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হবে বলে মতামত চাইলে উপস্থিত চিকিৎসকদের কেউই ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডের দায়িত্ব নিতে রাজি হননি। বৈঠক শেষে সার্জারির জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকরা হাসপাতাল পরিচালকের সঙ্গে দেখা করে 'চিকিৎসক পাওয়া না গেলে' ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ড বন্ধ করে দেওয়ার পরামর্শ দেন। এ সময় পরিচালক চিকিৎসকদের কাছ থেকে দুই দিনের সময় নেন। এরপর পরিচালক গত বৃহস্পতিবার ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডের জন্য সহযোগী অধ্যাপকসহ বিভিন্ন পদে চিকিৎসক চেয়ে চিঠি দেন সংশ্লিষ্টদের।
সার্জারি চিকিৎসকদের এই বৈঠক সম্পর্কে জানতে চাইলে হাসপাতালের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. এস এম আশারফ আলী কালের কণ্ঠকে বলেন, 'এসব বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই। সার্জারি বিভাগের প্রধানের কাছ থেকে জেনে নেন।' এরপর একই বিষয়ে শনিবার দুপুরে সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. ওমর ফারুক ইউসুফের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'ফোনে বলা সম্ভব নয়। আপনি অফিসে আসেন।'
জানা যায়, ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে আছেন সহযোগী অধ্যাপক (সার্জারি) ডা. খন্দকার এ কে আজাদ। সম্প্র্রতি তিনি বিভাগীয় পদোন্নতি পেয়ে অধ্যাপক হয়েছেন। এ ওয়ার্ডে অধ্যাপকের পদ না থাকায় তিনি হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের অধ্যাপকের একটি শূন্য পদে যোগদান করবেন। সহকারী রেজিস্ট্রারের পদে ডা. হাসমত আলী মিয়া থাকলেও তিনি প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চলে যাবেন। রেজিস্ট্রার পদে আছেন ডা. রাশেদুল হাসান। এ ছাড়া মেডিক্যাল অফিসারের একমাত্র পদটিও শূন্য। বর্তমানে দুই-তিনজন এইচএমও (অনারারি মেডিক্যাল অফিসার) দিয়ে কোনোমতে চলছে ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ড।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ২৯ এপ্রিল তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি চমেক হাসপাতালে মূল ভবনের নিচ তলায় ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। তবে এর কিছুদিন আগ থেকে ওয়ার্ডটির কার্যক্রম শুরু হয়।
ওয়ার্ডে জরুরি চিকিৎসা সেবা নেওয়ার জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতিসহ দুটি অপারেশন থিয়েটার রয়েছে। পুরুষ ব্লকে ১৫টি শয্যা, মহিলা ব্লকে সাতটি শয্যা ও পোস্ট অপারেটিভ ব্লকে পাঁচটি শয্যা রয়েছে।
খবর -এর আরো সংবাদ
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com








