|
|
রাজশাহীতে হরতালে পিকেটারের ভূমিকায় পুলিশ!
রফিকুল ইসলাম, রাজশাহী
গতকাল সোমবার হরতালের সময় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজশাহী নগরীর জিরোপয়েন্ট মোড়ে দায়িত্ব পালন করছিলেন বোয়ালিয়া থানার সহকারী কমিশনার শাহদাৎ হোসেন, মহানগর পুলিশের বিশেষ শাখার সহকারী কমিশনার হুমায়ন কবীর, মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার রোকনুজ্জামানসহ শতাধিক পুলিশ। এ সময় সহকারী কমিশনার শাহাদৎ হোসেনসহ কয়েকজন কনেস্টবল মারমুখী হয়ে পথচারীদের ধাওয়া দেন। পুলিশের এমন আচরণ দেখে হকচকিয়ে যায় সাধারণ মানুষ এবং তারা প্রকাশ্যে একে অপরকে বলাবলি করে 'রাস্তায় পিকেটার নাই, তাতে কী? পুলিশই তো পিকেটারের ভূমিকায় আছে।' হরতাল চলাকালীন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিএনপির ডাকা হরতালের দ্বিতীয় দিনে গতকাল সকালে রাজশাহী সিটি কলেজের সামনে থেকে রাজশাহী কলেজের দুই ছাত্রকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শফিকুল ইসলাম সুমন ও মাহবুব আলম নামের গণিত বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ওই দুই ছাত্র প্রাইভেট পড়ে ফেরার সময় তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় বই-খাতা ও কলেজের পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করে বোয়ালিয়া থানায় নিয়ে যায়। ওই দুই ছাত্রের সহপাঠীরা অভিযোগ করে জানায়, পাঁচ বন্ধু প্রাইভেট পড়ে আসার সময় পুলিশ তাদের ধাওয়া দেয়। এ সময় বারবার পুলিশকে জানানো হয়, তারা প্রাইভেট পড়ে ফিরছে। কিন্তু পুলিশ তাদের কোনো কথা না শুনে সুমন ও মাহবুবকে আটক করে। অথচ ওরা কোনো রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল না।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, 'হরতালে যাতে কেউ নাশকতা করতে না পারে, সে কারণেই সন্দেহভাজনদের আটক করা হচ্ছে। এর বাইরে কোনো কিছুই করা হচ্ছে না।'
রফিকুল ইসলাম, রাজশাহীপুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিএনপির ডাকা হরতালের দ্বিতীয় দিনে গতকাল সকালে রাজশাহী সিটি কলেজের সামনে থেকে রাজশাহী কলেজের দুই ছাত্রকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শফিকুল ইসলাম সুমন ও মাহবুব আলম নামের গণিত বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ওই দুই ছাত্র প্রাইভেট পড়ে ফেরার সময় তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় বই-খাতা ও কলেজের পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করে বোয়ালিয়া থানায় নিয়ে যায়। ওই দুই ছাত্রের সহপাঠীরা অভিযোগ করে জানায়, পাঁচ বন্ধু প্রাইভেট পড়ে আসার সময় পুলিশ তাদের ধাওয়া দেয়। এ সময় বারবার পুলিশকে জানানো হয়, তারা প্রাইভেট পড়ে ফিরছে। কিন্তু পুলিশ তাদের কোনো কথা না শুনে সুমন ও মাহবুবকে আটক করে। অথচ ওরা কোনো রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল না।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, 'হরতালে যাতে কেউ নাশকতা করতে না পারে, সে কারণেই সন্দেহভাজনদের আটক করা হচ্ছে। এর বাইরে কোনো কিছুই করা হচ্ছে না।'
খবর -এর আরো সংবাদ
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com








