|
|
স্ট্রবেরি চাষে বিঘায় লাভ দুই লাখবেকারত্ব কাটছে অনেকের
ফখরে আলম, যশোর
স্ট্রবেরি চাষ করে যশোরের অনেক যুবক বেকারত্ব দূর করছে। লাল টুকটুকে সুগন্ধযুক্ত এই ফল চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন শিক্ষিত বেকাররা। যশোরের মনিরামপুর, বাঘারপাড়া ও সদর উপজেলার কয়েকটি গ্রামে স্ট্রবেরি চাষ করে অনেকেই ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন। এক বিঘা জমিতে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে এই ফল চাষ করে চাষিরা দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা আয় করছেন বলে জানা গেছে।
মনিরামপুরের মোহনপুর গ্রামের শিক্ষিত বেকার যুবক ফারুক হোসেন শিমুল আধুনিক পদ্ধতিতে এক বিঘা জমিতে স্ট্রবেরি চাষ করে এরই মধ্যে আড়াই লাখ টাকার ফল বিক্রি করেছেন। এখনো তাঁর বাগানে অনেক স্ট্রবেরি ফলছে। ফারুকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেলে, টেলিভিশনের একটি অনুষ্ঠানে স্ট্রবেরি চাষের প্রতিবেদন দেখে তিনি মাগুরার চাষি তুহিনের সঙ্গে দেখা করেন। পরে তুহিনের মাধ্যমে স্ট্রবেরির গবেষক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনজুর হোসেনের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁর কাছ থেকেই প্রশিক্ষণ নিয়ে শিমুল স্ট্রবেরি চাষ শুরু করেন। স্থানীয় কামালপুর মাঠে ২০০৯ সালে এক বিঘা জমি লিজ নেন শিমুল। সেখানে পাঁচ হাজার স্ট্রবেরির চারা লাগিয়ে ফল বিক্রি করে তাঁর লাভ হয় দেড় লাখ টাকা। এবার শিমুল ৭০ হাজার টাকা খরচ করে এক বিঘা জমিতে স্ট্রবেরির চাষ করে এরই মধ্যে আড়াই লাখ টাকার ফল বিক্রি করেছেন। তিনি যশোর-খুলনার বিভিন্ন দোকানে প্রতি কেজি স্ট্রবেরি বিক্রি করছেন চার হাজার টাকায়। দিনে তাঁর ২৫ কেজি ফল উৎপাদন হচ্ছে। মাস্টার্স পাস শিমুল এখন আধুনিক পদ্ধতিতে স্ট্রবেরির পাশাপাশি স্টেভিয়া, ক্যাপসিকামসহ নানা জাতের বিদেশি ফল চাষের জন্য গড়ে তুলেছেন অগ্রণী বিশেষায়িত কৃষি খামার। তাঁর পরামর্শ নিয়ে এখন মনিরামপুর, বাঘারপাড়া, যশোর সদর উপজেলার অনেক বেকার যুবক স্ট্রবেরি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। শিমুল জানান, কৃষিকাজ বেশ লাভজনক। তবে তা জেনে-বুঝে করতে হবে। স্ট্রবেরি বিদেশি ফল হলেও এর অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে। বাজারজাতকরণের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন। বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ ও ঋণসুবিধা দিয়ে এ ধরনের কাজে সহযোগিতা করা হলে বেকারত্ব দূর হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে দেশ লাভবান হবে।
ফখরে আলম, যশোরমনিরামপুরের মোহনপুর গ্রামের শিক্ষিত বেকার যুবক ফারুক হোসেন শিমুল আধুনিক পদ্ধতিতে এক বিঘা জমিতে স্ট্রবেরি চাষ করে এরই মধ্যে আড়াই লাখ টাকার ফল বিক্রি করেছেন। এখনো তাঁর বাগানে অনেক স্ট্রবেরি ফলছে। ফারুকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেলে, টেলিভিশনের একটি অনুষ্ঠানে স্ট্রবেরি চাষের প্রতিবেদন দেখে তিনি মাগুরার চাষি তুহিনের সঙ্গে দেখা করেন। পরে তুহিনের মাধ্যমে স্ট্রবেরির গবেষক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনজুর হোসেনের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁর কাছ থেকেই প্রশিক্ষণ নিয়ে শিমুল স্ট্রবেরি চাষ শুরু করেন। স্থানীয় কামালপুর মাঠে ২০০৯ সালে এক বিঘা জমি লিজ নেন শিমুল। সেখানে পাঁচ হাজার স্ট্রবেরির চারা লাগিয়ে ফল বিক্রি করে তাঁর লাভ হয় দেড় লাখ টাকা। এবার শিমুল ৭০ হাজার টাকা খরচ করে এক বিঘা জমিতে স্ট্রবেরির চাষ করে এরই মধ্যে আড়াই লাখ টাকার ফল বিক্রি করেছেন। তিনি যশোর-খুলনার বিভিন্ন দোকানে প্রতি কেজি স্ট্রবেরি বিক্রি করছেন চার হাজার টাকায়। দিনে তাঁর ২৫ কেজি ফল উৎপাদন হচ্ছে। মাস্টার্স পাস শিমুল এখন আধুনিক পদ্ধতিতে স্ট্রবেরির পাশাপাশি স্টেভিয়া, ক্যাপসিকামসহ নানা জাতের বিদেশি ফল চাষের জন্য গড়ে তুলেছেন অগ্রণী বিশেষায়িত কৃষি খামার। তাঁর পরামর্শ নিয়ে এখন মনিরামপুর, বাঘারপাড়া, যশোর সদর উপজেলার অনেক বেকার যুবক স্ট্রবেরি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। শিমুল জানান, কৃষিকাজ বেশ লাভজনক। তবে তা জেনে-বুঝে করতে হবে। স্ট্রবেরি বিদেশি ফল হলেও এর অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে। বাজারজাতকরণের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন। বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ ও ঋণসুবিধা দিয়ে এ ধরনের কাজে সহযোগিতা করা হলে বেকারত্ব দূর হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে দেশ লাভবান হবে।
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com








