|
|
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙায় গণমনস্তাত্তি্বক রোগে আক্রান্ত ২০, আতঙ্ক
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
জেলার মাটিরাঙা উপজেলার দুর্গম গুইমারাপাড়ায় অজ্ঞাত রোগে ২০ নারী ও শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাদের মধ্যে ১০ জনকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের এলাকাতেই স্বাস্থ্য বিভাগ ও সেনাবাহিনীর পৃথক দল চিকিৎসা দিচ্ছে। অবশ্য স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, এটি গণমনস্তাত্তি্বক রোগ। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। অসুস্থরা ভালো হয়ে উঠছে।
খাগড়াছড়ি হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা হলো কলিমা ত্রিপুরা (৪০), লগমা ত্রিপুরা (৩৯), ইমন ত্রিপুরা (১০), রিপন ত্রিপুরা (১১), হৃদয় ত্রিপুরা (২০), সুমতি ত্রিপুরা (৩০), বীরবালা ত্রিপুরা (১৫), দেবী রাং ত্রিপুরা (৪৫), পাংচাই ত্রিপুরা (৪০), কইসা ত্রিপুরা (২০)। অসুস্থদের মধ্যে বেশির ভাগই নারী ও শিশু।
গুইমারা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হরিপদ ত্রিপুরা ও মানেন্দ্র ত্রিপুরা জানান, গত ২ এপ্রিল প্রথম রোগের লক্ষণ দেখা দেয়। প্রথমদিকে এলাকার কিশোর-কিশোরীরা আক্রান্ত হচ্ছিল। ধীরে ধীরে বিভিন্ন বয়সীরা এই রোগে আক্রান্ত হতে থাকে। পর্যায়ক্রমে রোগটি পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে থাকে। প্রথমে রোগী শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা অনুভব করে এবং পরে পাগলের মতো প্রলাপ বকতে বকতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জানান, এখনো এলাকায় বেশ কয়েকজন রোগী রয়েছে। ফলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। রোগীর স্বজনরা জানান, এমন ধরনের রোগী দেখতে গিয়েও অনেকে বাড়িতে ফিরে আক্রান্ত হয়।
খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা সঞ্জীব ত্রিপুরা জানান, রোগের লক্ষণ দেখে ও রোগীদের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে, এটি হলো গণমনস্তাত্তি্বক রোগ (মাস সাইকোজেনিক ইলনেস)। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সব রোগীই সুস্থ।
এ ব্যাপারে মাটিরাঙা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জালাল আহমদ জানান, মাটিরাঙা হাসপাতাল হতে একজন চিকিৎসকের নেতৃত্বে তিনজন এলাকায় ঘুরে এসেছেন। অসুস্থ কয়েকজনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে ভয় পাওয়ার মতো কিছুই হয়নি।
সিভিল সার্জন ডা. হাসান ইমান চৌধুরী জানান, দুর্গত এলাকায় সেনাবাহিনী ও স্বাস্থ্য বিভাগের পৃথক তিনটি মেডিক্যাল দল কাজ করছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে। এ নিয়ে কাউকেই আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিখাগড়াছড়ি হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা হলো কলিমা ত্রিপুরা (৪০), লগমা ত্রিপুরা (৩৯), ইমন ত্রিপুরা (১০), রিপন ত্রিপুরা (১১), হৃদয় ত্রিপুরা (২০), সুমতি ত্রিপুরা (৩০), বীরবালা ত্রিপুরা (১৫), দেবী রাং ত্রিপুরা (৪৫), পাংচাই ত্রিপুরা (৪০), কইসা ত্রিপুরা (২০)। অসুস্থদের মধ্যে বেশির ভাগই নারী ও শিশু।
গুইমারা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হরিপদ ত্রিপুরা ও মানেন্দ্র ত্রিপুরা জানান, গত ২ এপ্রিল প্রথম রোগের লক্ষণ দেখা দেয়। প্রথমদিকে এলাকার কিশোর-কিশোরীরা আক্রান্ত হচ্ছিল। ধীরে ধীরে বিভিন্ন বয়সীরা এই রোগে আক্রান্ত হতে থাকে। পর্যায়ক্রমে রোগটি পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে থাকে। প্রথমে রোগী শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা অনুভব করে এবং পরে পাগলের মতো প্রলাপ বকতে বকতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি জানান, এখনো এলাকায় বেশ কয়েকজন রোগী রয়েছে। ফলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। রোগীর স্বজনরা জানান, এমন ধরনের রোগী দেখতে গিয়েও অনেকে বাড়িতে ফিরে আক্রান্ত হয়।
খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল কর্মকর্তা সঞ্জীব ত্রিপুরা জানান, রোগের লক্ষণ দেখে ও রোগীদের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে, এটি হলো গণমনস্তাত্তি্বক রোগ (মাস সাইকোজেনিক ইলনেস)। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সব রোগীই সুস্থ।
এ ব্যাপারে মাটিরাঙা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জালাল আহমদ জানান, মাটিরাঙা হাসপাতাল হতে একজন চিকিৎসকের নেতৃত্বে তিনজন এলাকায় ঘুরে এসেছেন। অসুস্থ কয়েকজনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে ভয় পাওয়ার মতো কিছুই হয়নি।
সিভিল সার্জন ডা. হাসান ইমান চৌধুরী জানান, দুর্গত এলাকায় সেনাবাহিনী ও স্বাস্থ্য বিভাগের পৃথক তিনটি মেডিক্যাল দল কাজ করছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে। এ নিয়ে কাউকেই আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
প্রিয় দেশ -এর আরো সংবাদ
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com








