|
|
« পূর্ববর্তী সংবাদ |
তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধিকুলসুম আরো বলেন, 'শ্বশুরবাড়ির লোকজন চায় আমাকে মেরে ফেলতে। আমি মরে গেলে ছেলেকে আবার যৌতুক নিয়ে বিয়ে করাতে পারবে। আমাকে নির্যাতনের কারণে এর আগেও একাধিকবার গ্রাম্য সালিস বৈঠক হয়েছে। সালিস বিচারের পর কয়েক দিন ভালো থাকার পর আবারও বেড়ে যায় নির্যাতনের মাত্রা। কয়েক দিন আগেও ননদের স্বামী শমসের আমাকে পিটিয়েছে। গত ২৫ এপ্রিল রাতে আমার স্বামী রবিউল টাকার জন্য আমাকে বেদম মারধর করে দড়ি দিয়ে হাত-পা বেঁধে ব্লেড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থান কেটে দেয়। আহত অবস্থায় গলায় দড়ি পরিয়ে দিয়ে মারারও চেষ্টা করে। না পেরে ঘরে আটকে রাখে। এক দিন পর কৌশলে ঘর থেকে বেরিয়ে পাশের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে বাবার বাড়িতে মোবাইল ফোনে খবর দেই। পরে আমার বাবা ও চাচা আমাকে নিয়ে গিয়ে তানোর হাসপাতালে ভর্তি করেন। আট দিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছি। আমি বেঁচে আছি, নাকি মরে গেছি, শ্বশুরবাড়ির লোকজন খবরও নেয়নি।'
জানা গেছে, দুই বছর আগে রাজশাহীর তানোর পৌর এলাকার আমশো মুন্নাপাড়ার জসিমউদ্দিনের মেয়ে কুলসুমের সঙ্গে জেলার মোহনপুর উপজেলার ধুরইল গ্রামের হারুনের ছেলে রবিউল ইসলামের বিয়ে হয়। তাদের একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়।
কুলসুমের বাবা জসিমউদ্দিন বলেন, 'আমরা গরিব মানুষ। ধারদেনা করে বিয়ের সময় জামাইকে ৪০ হাজার টাকা যৌতুক হিসেবে দেওয়া হয়েছে। এর পরও আরো টাকার দাবিতে আমার মেয়েকে অমানুষিক নির্যাতন করে। মেয়েকে তারা মেরে ফেলার চেষ্টা করে। অসুস্থ মেয়ে আমার হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছে।'
কুলসুমের চাচা আতাউর রহমান বলেন, 'থানায় মামলা না করতে হুমকি দিচ্ছে তারা। গরিব বলে কি আমরা বিচার পাব না?'
মোহনপুর উপজেলার ধুরইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজেম উদ্দীন সরকার জানান, ইতিপূর্বে ওই গৃহবধূকে ভাতের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খাওয়ানোর ঘটনার অভিযোগ এনে গ্রাম্য সালিস হয়েছে। একে অপরকে দোষী করে দুই পক্ষ আমাকে মৌখিকভাবে বিষয়টি জানিয়েছে।
তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. আবদুল আলিম জানান, কুলসুম আগের চেয়ে এখন অনেকটা সুস্থ। তার হাত-পায়ে রশি দিয়ে বাঁধার দাগ রয়েছে। শরীরের অনেক স্থানে কাটা চিহ্ন রয়েছে।
« পূর্ববর্তী সংবাদ |
প্রিয় দেশ -এর আরো সংবাদ
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com








