|
|
« পূর্ববর্তী সংবাদ |
বন্দোবস্ত এখানেও আছে তবে সেটা তাপসের মতো জাতীয় দলের দৃষ্টিসীমার বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের জন্য অবশ্যই নয়। 'এ' দল কিংবা একাডেমীর ক্রিকেটারদেরও ব্যস্ত রাখা হয় কখনো-সখনো। কিন্তু ক্রিকেটারের সরবরাহ ঠিক রাখতে হলে যে এর বাইরেও নজর দেওয়া জরুরি। সেটা কতটুকু হচ্ছে? বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও একাডেমীর প্রধান গাজী আশরাফ হোসেন মেনেও নিচ্ছেন যে, 'আমরা শীর্ষস্থানীয় ৫০-৬০ জনের জন্য ব্যবস্থা করতে পারছি। এর বাইরে আরো ১০০ জনের কথা যদি ধরি, সেটা হয়তো পারছি না।'
যাঁদের জন্য পারছেন, তাঁদের বিশেষ করে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের এবার আবার অফসিজন অনেক বেশি লম্বা হতে যাচ্ছে। জুলাই-আগস্টে নির্ধারিত জিম্বাবুয়ে সফর পিছিয়ে চলে গেছে আগামী বছরের এপ্রিলে। দক্ষিণ আফ্রিকাকেও সিরিজ খেলানোয় রাজি করানো যায়নি। আর এ মুহূর্তে আয়ারল্যান্ড সফরও আলোর মুখ দেখবে বলে মনে হচ্ছে না। সব মিলিয়ে লম্বা বিরতি আবার বাংলাদেশ দলের ছন্দ কেড়ে নেয় কি না, তা নিয়ে সংশয় থাকা বিচিত্র নয়। এর আগে এমন একেকটা বিরতিতে পারফরম্যান্সের অধঃপতনই দেখা গেছে বারবার। ২০০৬ সালে দেশের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে দারুণ পারফরম করার ১৩ মাস পর আবার টেস্ট খেলতে নেমে যাচ্ছেতাই অবস্থা হয়েছিল বাংলাদেশের। আর ২০১১ বিশ্বকাপ প্রস্তুতির জন্য বেশ কিছুদিন টেস্ট খেলতে না চাওয়ার কুফল গত বছর জিম্বাবুয়ে সফরেই দেখা গেছে। এবার অবশ্য স্বেচ্ছা বিরতি নয়, এশিয়া কাপে দুর্দান্ত পারফরম করার পর নানা কারণে সেপ্টেম্বরে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠেয় টোয়েন্টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে কোনো খেলা নেই।
তা নিয়ে উদ্বেগও আছে প্রধান নির্বাচক আকরাম খানের, 'বোর্ড তো চেষ্টা চালাচ্ছে খেলা আয়োজনের। যে কারণে এটা মানতেই হবে যে এবার জাতীয় দলের বিরতিটা অনেক লম্বা হয়ে যাচ্ছে।' আর এ সময়টা কাজে লাগানোয় বিসিবির উদ্যোগকে খুব জরুরি মনে করেন খালেদ মাহমুদ। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তাঁর নিজের দেখা থেকে বললেন, 'জাতীয় দলের সহকারী কোচ থাকার সময় আমি তখনকার হেড কোচ জেমি সিডন্সকে একটা কথা সব সময় বলতাম। ক্যাম্পে ছিল কিন্তু মূল দলে জায়গা পায়নি, এমন ক্রিকেটাররা জাতীয় দলের বিদেশ সফরের সময়টা বসেই কাটাত। আর জানেন তো, আমাদের ক্রিকেটারদের সবচেয়ে খারাপ অভ্যাস হলো ওরা কেউ ব্যক্তিগত ট্রেনিংটা করতে চায় না। করে, তবে কম। এর ফলে স্কিলের উন্নতিটা হয় না।'
প্রধান নির্বাচক জানালেন, বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান এনায়েত হোসেন সিরাজের নির্দেশনা অনুযায়ী ইতিমধ্যেই ৩০ জনের একটা তালিকা তিনি তৈরি করে রেখেছেন। যাঁদের নিয়ে অচিরেই একটা ক্যাম্প করার পরিকল্পনার কথাও শুনিয়েছেন। ক্রিকেটারদের স্কিলের ত্রুটি-বিচ্যুতি সারিয়ে আরো পরিণত করে তোলার জন্য এ বিরতির সময়টাকেই সেরা সময় বলছেন মাহমুদ, 'খেলা চলার সময় বড় কোনো সমস্যা নিয়ে আপনি কাজ করতে পারবেন না। কোনো ছেলের হয়তো ব্যাটের গ্রিপ নিয়ে সমস্যা হচ্ছে বা ব্যাক লিফটে ঝামেলা, এসব ঠিক করতে হয় অফসিজনেই। এবার অফসিজনও অনেক লম্বা। এ সময়টা কাজে লাগাতে না পারলে তা খুবই দুঃখজনক হবে। এখন অফসিজনে ক্যাম্প ডেকে ছেলেদের স্কিল ডেভেলপমেন্ট খুব জরুরি।'
সমস্যা হলো বাংলাদেশে অফসিজনে আবার খোলা আকাশের নিচে সব সময় অনুশীলন করাও অসম্ভব হয়ে যায় আবহাওয়ার কারণে। জাতীয় দল, 'এ' দল কিংবা একাডেমীর ক্রিকেটারদের প্রস্তুতিতে হয়তো সেটা সমস্যা নয়, কারণ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের পাশেই ইনডোরে অনুশীলনের সুবন্দোবস্ত আছে। কিন্তু সবাইকে তো আর সে সুযোগ করে দেওয়া সম্ভব হয় না। আর তাপসের মতো অনেকে তো ঢাকার বাইরেও থাকেন। যাঁরা প্রতি বছর জাতীয় লিগ ও প্রিমিয়ার ক্রিকেটে খেলেন। অফসিজনে সুযোগ-সুবিধার অপ্রতুলতায় ভোগেন জাতীয় দলের সাবেক পেসার তাপসের মতো অনেকেই, 'আমাদের সিলেটে ইনডোর যেটা আছে, সেটা শুধু নামেই। নেট নেই। সারফেস ভাঙা। এ জন্য বৃষ্টির দিনে রাস্তায় কিংবা চা বাগানে দৌড়ে নিজেকে ফিট রাখার চেষ্টা করি। কিন্তু সেটা করলেই শুধু হয় না, স্কিল ট্রেনিংও করতে হয়।' তা করতে না পারার দুঃখ ঝরে পড়ে তাঁর কথায়, 'অন্যান্য দেশের ক্রিকেটাররা অফসিজনেই নিজেদের সমস্যাগুলো ঠিক করে নেয়। আর আমার বোলিংয়ের একটা সমস্যা গত তিন বছর ধরে ঠিকই করা হয়ে উঠছে না। এখানে (সিলেটে) সুযোগ-সুবিধাই নেই।' সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চলের ক্রিকেটারদের জন্য আপাতত একটা আশাই দেখছেন গাজী আশরাফ, 'ক্রিকেট বিকেন্দ্রীকরণ হচ্ছে। রিজিওনাল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে অন্যান্য অঞ্চলে বরাদ্দ যেতে পারে।'
« পূর্ববর্তী সংবাদ |
খেলা -এর আরো সংবাদ
আজকের বাজি১. মুম্বাইকে হারিয়ে আইপিএলের ফাইনালে উঠবে রাজস্থান।এর পক্ষে বাজির রেট ১ : ২বাজির সংখ্যা : (১-৯৯)২. ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন একাধিক সেঞ্চুরি হবে।এর পক্ষে বাজির রেট ১ : ৫বাজির সংখ্যা : (১-৯৯)বাজিতে অংশগ্রহন করতে চাইলে সাইনইন করুন
* আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন
ফলাফল
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com








