|
|
বাগদাদি ব্যাটারি
সে সময় ইরাকের জাতীয় জাদুঘরের দায়িত্বে ছিলেন উইলহেম কনিগ নামের এক জার্মান। প্রত্যন্ত এক গ্রাম থেকে জাদুঘরে আনা মাটির পাত্র ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে শিহরিত হয়েছিলেন তিনি। গবেষণার পর ১৯৪০ সালে কনিগ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করলে নতুন এক সম্ভাবনায় চমকে উঠল সবাই। প্রায় পাঁচ ইঞ্চি লম্বা পাত্রটির ভেতরে ছিল তামার পাতের তৈরি একটি সিলিন্ডার। সেটার ভেতরে ছিল একটা লোহার রড। গাঠনিক বিচারে ১৮০০ সালে বিজ্ঞানী আলেসান্দ্রো ভোল্টার তৈরি ব্যাটারির অনেক মিল ছিল। কনিগের ধারণা সত্যি হলে বাগদাদী ব্যাটারির বয়স প্রায় দুই হাজার বছর পুরনো। পাত্রে কোনো তরল ভরা হলে তা ছিদ্রযুক্ত তামার সিলিন্ডারের ভেতর দিয়ে রডটিকেও ভিজিয়ে রাখত। গবেষকদের ধারণা, আদিকালের মানুষ অম্লীয় দ্রবণ হিসেবে সহজলভ্য লেবুর রস, আঙ্গুরের রস কিংবা ভিনেগার ব্যবহার করত। শুধু ব্যাটারিই নয়, একই যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আধুনিককালে কোনো ধাতব বস্তুতে সোনার প্রলেপ দেওয়া হয়। হয়তো আমাদের বুদ্ধিমান পূর্বপুরুষরা এটি দিয়ে রূপার অলংকারে সোনার প্রলেপ দেওয়ার কায়দাও রপ্ত করে নিয়েছিল। ব্যাটারির ধারণা যে অমূলক নয়, তার প্রমাণও মিলেছে। ২০০৫ সালে ডিসকভারি চ্যানেল আয়োজিত প্রোগ্রামে বাগদাদি ব্যাটারির প্রতিকৃতি বানিয়ে তাতে লেবুর রস ভরে চার ভোল্ট বিদ্যুৎ তৈরি করা সম্ভব হয়েছিল।
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com








