|
|
জিনজিয়াংয়ে পৃথক হামলায় নিহত ১৯পাকিস্তানে প্রশিক্ষিত 'সন্ত্রাসীদের' দায়ী করল চীন
কালের কণ্ঠ ডেস্ক
জিনজিয়াং অঞ্চলে হামলার পেছনে পাকিস্তানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুসলিম বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হাত রয়েছে বলে দাবি করেছে চীন সরকার। সংখ্যালঘু মুসলিম উইঘুর সম্প্রদায় অধ্যুষিত জিনজিয়াংয়ের কাশগর শহরে সপ্তাহান্তে দুটি পৃথক সহিংসতায় ১৯ জন নিহত হয়। ঘটনার পর এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
চীনা কর্তৃপক্ষ এ হামলার জন্য পাকিস্তানে তৎপর ইস্ট তুর্কমেনিস্তান ইসলামিক মুভমেন্টকে (ইটিআইএম) দায়ী করেছে। কাশগরের স্থানীয় সরকার তাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, হামলাকারী গ্রুপের প্রধানরা পাকিস্তানে তৎপর সন্ত্রাসী গ্রুপ ইটিআইএমর ক্যাম্প থেকে বিস্ফোরক ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর জিনজিয়াংয়ে প্রবেশ করে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, হামলাকারীরা 'উগ্র ধর্মীয় মতাদর্শে' বিশ্বাসী।
ইটিআইএম জিনজিয়াংয়ের উইঘুরদের জন্য একটি স্বাধীন আবাসভূমির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। সংগঠনটি ওই অঞ্চলে প্রায়ই এ ধরনের হামলা চালায়। জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্রের তালিকায় তারা সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত। চীন এর আগে জানায়, ইটিআইএম পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে তৎপর। জিনজিয়াংয়ে তুর্কি ভাষীদের উইঘুরদের সংখ্যা প্রায় ৮০ লাখ। উইঘুরদের দাবি, কয়েক দশক ধরে তারা রাজনৈতিক ও ধর্মীয়ভাবে নিষ্পেষণের শিকার। চীনের প্রধান জাতিগোষ্ঠী হানদের ওই এলাকায় অভিবাসী হিসেবে স্থায়ী করার চেষ্টাও তাদের পছন্দ নয়। সরকারের মতে, সম্প্রতি ওই এলাকার জীবনযাত্রার মান অনেক বেড়েছে। তবে উইঘুরদের অভিযোগ, সুযোগ-সুবিধার বেশির ভাগই দেওয়া হয় হান জাতিগোষ্ঠীকে। মূলত এসব সমস্যার কারণেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খনিজসম্পদ সমৃদ্ধ জিনজিয়াংয়ে সহিংসতা বাড়ছে। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানসহ আরো আটটি দেশের সীমান্ত রয়েছে এ অঞ্চলের সঙ্গে।
চীনা কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রথম হামলার ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে কাশগরের এক রেস্তোরাঁয় দ্বিতীয় দফা হামলা চালানো হয়। দুই হামলায় ১৯ জন নিহত এবং ২০ জন আহত হয়। এর মধ্যে পুলিশের গুলিতে পাঁচ হামলাকারী নিহত হয়। স্থানীয় গণমাধ্যমে বলা হয়, উভয় ঘটনার জন্যই সন্ত্রাসীরা দায়ী। ইংরেজি দৈনিক গ্লোবাল টাইম তাদের সম্পাদকীয়তে জানায়, 'সম্প্রতি এই ধরনের সন্ত্রাসী হামলার হার বাড়ছে।'
কাশগরের বাসিন্দারা জানায়, রবিবারের হামলার পর রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। গতকাল সোমবার সব খুলে দেওয়া হয়। তবে শহরে বহু পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাস্তাঘাটে লোকজনের উপস্থিতিও কম। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক দোকানদার বলেন, 'রাস্তাঘাট খোলা কিন্তু মানুষজন কম। গত রাতে (রবিবার) হামলার পর সব দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়। আমরা খুবই আতঙ্কিত। এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। সরকারের উচিত, এ জাতীয় সংকট সমাধানে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া।'
উইঘুরের কর্মীরা সপ্তাহান্তের এ ঘটনাকে সাধারণ উইঘুরদের ক্ষোভের বহির্প্রকাশ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এর আগে ২০০৯ সালেও উইঘুরদের সঙ্গে হান জাতিগোষ্ঠীর সহিংসতা হয়। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ওই সহিংসতায় ২০০ জন নিহত এবং এক হাজার ৭০০ জন আহত হয়।
সূত্র : দ্য টেলিগ্রাফ, এএফপি।
কালের কণ্ঠ ডেস্কচীনা কর্তৃপক্ষ এ হামলার জন্য পাকিস্তানে তৎপর ইস্ট তুর্কমেনিস্তান ইসলামিক মুভমেন্টকে (ইটিআইএম) দায়ী করেছে। কাশগরের স্থানীয় সরকার তাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, হামলাকারী গ্রুপের প্রধানরা পাকিস্তানে তৎপর সন্ত্রাসী গ্রুপ ইটিআইএমর ক্যাম্প থেকে বিস্ফোরক ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর জিনজিয়াংয়ে প্রবেশ করে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, হামলাকারীরা 'উগ্র ধর্মীয় মতাদর্শে' বিশ্বাসী।
ইটিআইএম জিনজিয়াংয়ের উইঘুরদের জন্য একটি স্বাধীন আবাসভূমির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। সংগঠনটি ওই অঞ্চলে প্রায়ই এ ধরনের হামলা চালায়। জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্রের তালিকায় তারা সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত। চীন এর আগে জানায়, ইটিআইএম পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে তৎপর। জিনজিয়াংয়ে তুর্কি ভাষীদের উইঘুরদের সংখ্যা প্রায় ৮০ লাখ। উইঘুরদের দাবি, কয়েক দশক ধরে তারা রাজনৈতিক ও ধর্মীয়ভাবে নিষ্পেষণের শিকার। চীনের প্রধান জাতিগোষ্ঠী হানদের ওই এলাকায় অভিবাসী হিসেবে স্থায়ী করার চেষ্টাও তাদের পছন্দ নয়। সরকারের মতে, সম্প্রতি ওই এলাকার জীবনযাত্রার মান অনেক বেড়েছে। তবে উইঘুরদের অভিযোগ, সুযোগ-সুবিধার বেশির ভাগই দেওয়া হয় হান জাতিগোষ্ঠীকে। মূলত এসব সমস্যার কারণেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খনিজসম্পদ সমৃদ্ধ জিনজিয়াংয়ে সহিংসতা বাড়ছে। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানসহ আরো আটটি দেশের সীমান্ত রয়েছে এ অঞ্চলের সঙ্গে।
চীনা কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রথম হামলার ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে কাশগরের এক রেস্তোরাঁয় দ্বিতীয় দফা হামলা চালানো হয়। দুই হামলায় ১৯ জন নিহত এবং ২০ জন আহত হয়। এর মধ্যে পুলিশের গুলিতে পাঁচ হামলাকারী নিহত হয়। স্থানীয় গণমাধ্যমে বলা হয়, উভয় ঘটনার জন্যই সন্ত্রাসীরা দায়ী। ইংরেজি দৈনিক গ্লোবাল টাইম তাদের সম্পাদকীয়তে জানায়, 'সম্প্রতি এই ধরনের সন্ত্রাসী হামলার হার বাড়ছে।'
কাশগরের বাসিন্দারা জানায়, রবিবারের হামলার পর রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। গতকাল সোমবার সব খুলে দেওয়া হয়। তবে শহরে বহু পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাস্তাঘাটে লোকজনের উপস্থিতিও কম। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক দোকানদার বলেন, 'রাস্তাঘাট খোলা কিন্তু মানুষজন কম। গত রাতে (রবিবার) হামলার পর সব দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়। আমরা খুবই আতঙ্কিত। এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। সরকারের উচিত, এ জাতীয় সংকট সমাধানে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া।'
উইঘুরের কর্মীরা সপ্তাহান্তের এ ঘটনাকে সাধারণ উইঘুরদের ক্ষোভের বহির্প্রকাশ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এর আগে ২০০৯ সালেও উইঘুরদের সঙ্গে হান জাতিগোষ্ঠীর সহিংসতা হয়। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ওই সহিংসতায় ২০০ জন নিহত এবং এক হাজার ৭০০ জন আহত হয়।
সূত্র : দ্য টেলিগ্রাফ, এএফপি।
দেশে দেশে -এর আরো সংবাদ
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com








