|
|
লোকসান কাটাতে ২৮ কাঠা জমি ডেভেলপারকে দেবে সমতা লেদার
তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত চামড়া শিল্প খাতের কম্পানি সমতা লেদার কমপ্লেঙ্ লিমিটেডের লোকসান কাটছে না। বছরের পর বছর ধরে লোকসান দিয়ে যাচ্ছে কম্পানিটি। আর এর শেয়ারহোল্ডাররাও বঞ্চিত রয়েছেন লভ্যাংশ পাওয়া থেকে। লোকসান কাটাতে এবার কম্পানিটি ২৮ কাঠা জমি ডেভেলপারকে দিয়ে দেওয়ার চিন্তা করছে। ফ্ল্যাট বিক্রি করে ব্যাংকের লোন সমন্বয়ের জন্য তা করা হবে।
জানা গেছে, ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ক্রাশ চামড়া রপ্তানির একটি বড় আদেশ বাতিল হয়ে যায়। তিন মাস পর ছয় কোটি টাকা লোকসান দিয়ে চামড়া বিক্রি করে দেয় কম্পানিটি। সেই থেকে লোকসানের শুরু। এর পর ব্যাংকের দেনা যুক্ত হতে থাকে কম্পানির ঘাড়ে। জনতা ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখায় ২৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকার ঋণ রয়েছে কম্পানিটির।
'জেড' ক্যাটাগরির এই কম্পানিটি ১৯৯৮ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এর অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ১০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। বাজারে এ কম্পানির ১০ লাখ ৩২ হাজার শেয়ার রয়েছে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ পরিচালনা পর্ষদ, ২১.২৯ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এবং ২৯.৭১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে। এ শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার এ কম্পানির প্রতিটি শেয়ার ১৪.২০ টাকা দরে লেনদেন হয়েছে। এদিন ১৩ বারে মোট ৬৫ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়।
কম্পানি সূত্রে জানা গেছে রাজধানীর হাজারীবাগে তাদের দুটি ইউনিটে ৫২ কাঠারও বেশি জমিতে ফ্যাক্টরি রয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় শতকোটি টাকা। অব্যাহত লোকসান না দিয়ে কম্পানিটি তাদের জমি বিক্রি বা একটি ইউনিট বিক্রি করলেই ব্যাংকের দায়দেনা শোধ করে আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে। ব্যাংক ঋণ পরিশোধ হলে তারা বিদেশে মতভাগ রপ্তানিতে হাত দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে লোকসানও অনেক কমে যাবে।
এ প্রসঙ্গে কম্পানির শেয়ার শাখার প্রধান নজরুল ইসলাম মাসুদ কালের কণ্ঠকে বলেন, 'আমরা লোকসান কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। এর অংশ হিসেবে জনতা ব্যাংকের ২৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকার লোন পরিশোধ করব। এ জন্য হাজারীবাগের কারখানার ইউনিট ২-এর ২৮ কাঠা জমি ডেভেলপারকে দিয়ে দেওয়া হবে। ফ্ল্যাট বিক্রি করে ব্যাংকের লোন সমন্বয়ের জন্য জনতা ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখায় একটি প্রস্তাবনা দাখিল করা হয়েছে। ব্যাংকের অনুমোদন পাওয়ার পরই ডেভেলপার কম্পানির সঙ্গে চুক্তি হবে। এরপর সাভারে বিসিকের ছয় বিঘা জমি নেওয়া রয়েছে। সেখানে চলে যাব।'
তৌহিদুল ইসলাম মিন্টুজানা গেছে, ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ক্রাশ চামড়া রপ্তানির একটি বড় আদেশ বাতিল হয়ে যায়। তিন মাস পর ছয় কোটি টাকা লোকসান দিয়ে চামড়া বিক্রি করে দেয় কম্পানিটি। সেই থেকে লোকসানের শুরু। এর পর ব্যাংকের দেনা যুক্ত হতে থাকে কম্পানির ঘাড়ে। জনতা ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখায় ২৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকার ঋণ রয়েছে কম্পানিটির।
'জেড' ক্যাটাগরির এই কম্পানিটি ১৯৯৮ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এর অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ১০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। বাজারে এ কম্পানির ১০ লাখ ৩২ হাজার শেয়ার রয়েছে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ পরিচালনা পর্ষদ, ২১.২৯ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী এবং ২৯.৭১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে। এ শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার এ কম্পানির প্রতিটি শেয়ার ১৪.২০ টাকা দরে লেনদেন হয়েছে। এদিন ১৩ বারে মোট ৬৫ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়।
কম্পানি সূত্রে জানা গেছে রাজধানীর হাজারীবাগে তাদের দুটি ইউনিটে ৫২ কাঠারও বেশি জমিতে ফ্যাক্টরি রয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় শতকোটি টাকা। অব্যাহত লোকসান না দিয়ে কম্পানিটি তাদের জমি বিক্রি বা একটি ইউনিট বিক্রি করলেই ব্যাংকের দায়দেনা শোধ করে আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে। ব্যাংক ঋণ পরিশোধ হলে তারা বিদেশে মতভাগ রপ্তানিতে হাত দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে লোকসানও অনেক কমে যাবে।
এ প্রসঙ্গে কম্পানির শেয়ার শাখার প্রধান নজরুল ইসলাম মাসুদ কালের কণ্ঠকে বলেন, 'আমরা লোকসান কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। এর অংশ হিসেবে জনতা ব্যাংকের ২৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকার লোন পরিশোধ করব। এ জন্য হাজারীবাগের কারখানার ইউনিট ২-এর ২৮ কাঠা জমি ডেভেলপারকে দিয়ে দেওয়া হবে। ফ্ল্যাট বিক্রি করে ব্যাংকের লোন সমন্বয়ের জন্য জনতা ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখায় একটি প্রস্তাবনা দাখিল করা হয়েছে। ব্যাংকের অনুমোদন পাওয়ার পরই ডেভেলপার কম্পানির সঙ্গে চুক্তি হবে। এরপর সাভারে বিসিকের ছয় বিঘা জমি নেওয়া রয়েছে। সেখানে চলে যাব।'
আয় ব্যয় -এর আরো সংবাদ
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com








