|
|
টম জেন্টলি বললেনবাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা প্রযুক্তি খাতের ৪০ শতাংশ জিইর
নিজস্ব প্রতিবেদক
বিশ্বের ১০০টি দেশের উন্নত প্রযুক্তির চিকিৎসা সরঞ্জার সরবরাহ করছে জেনারেল ইলেকট্রিক (জিই) হেলথ কেয়ার। সম্প্রতি এ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী টম জেন্টলি ঢাকায় এসেছিলেন। এ সময় বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা খাত নিয়ে কথা বলেছেন কালের কণ্ঠের সঙ্গে। তিনি এ খাত সম্পর্কে তাঁর ধারণা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
টম জেন্টলির কাছে বাংলাদেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা প্রযুুক্তির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ও এর সম্ভাবনার বিষয়ে তিনি খুবই অনুপ্রাণিত। টম বলেন, ১৬ কোটি জনসংখ্যার এ দেশে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মুজিবুর রহমান ফকিরের সঙ্গে আমার দেখা করার সুযোগ হয়েছে এবং আমার কাছে মনে হয়েছে, সরকার স্বাস্থ্যসেবা খাতে বিনিয়োগে প্রস্তুত এবং পাশাপাশি পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) মাধ্যমেও এ খাতের উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী। বাংলাদেশের বর্তমান স্বাস্থ্যসেবার মান সম্পর্কে টম বলেন, ঢাকায় বেশ কিছু ক্ষেত্রেই বিশ্বমানের প্রযুক্তি ও সেবা দেখে অত্যন্ত মুগ্ধ হয়েছি। ইতিমধ্যে আমরা ইউনাইটেড হসপিটালে আমাদের অংশীদারদের সঙ্গে দেখা করেছি এবং তাদের প্রযুক্তি ও সেবাগুলো পর্যবেক্ষণ করেছি। তাদের আধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি বিশেষত সাইক্লোট্রন এবং পিইটি সিটি স্ক্যানার রয়েছে যা ক্যানসার নির্ণয় ও চিকিৎসায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সাইক্লোট্রনের অন্য প্রতিষ্ঠানেও সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে এবং মেডিনোভা হেল্থ সার্ভিসেস তাদের রেডিও ফার্মাসিউটিক্যালস ইউনাইটেড হসপিটাল থেকে সংগ্রহ করছে এবং একটি পিইটি সিটি স্ক্যানার এ বিনিয়োগও করেছে। এই উভয় প্রতিষ্ঠানে বিশ্বমানের প্রযুক্তি রয়েছে এবং আমরা তাদের অংশীদার হিসেবে গর্বিত।
বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার সামগ্রিক কার্যক্রমে জিই হেলথ কেয়ারের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে তিনি বলেন, জিই হেলথ কেয়ার বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা প্রযুক্তি খাতে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ বাজার তাদের দখলে বলে দাবি করেছেন তিনি ।
টম জেন্টলি বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার খাতে বিনিয়োগের প্রসার ও সম্ভাবনা সম্পর্কে বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে প্রসারের প্রচুর সুযোগ রয়েছে। বিশ্বের নবম বৃহত্তম জনবহুল দেশ হিসেবে এখানে স্বাস্থ্যসেবার মানের ক্ষেত্রেও দ্রুত উন্নয়ন ঘটবে। বাংলাদেশ সরকার এ খাতে বিনিয়োগ করছে এবং মান উন্নয়নে অংশীদারত্বের মাধ্যমে বিভিন্ন বিনিয়োগ পদক্ষেপেও অত্যন্ত আগ্রহী। জিই হেলথ কেয়ারের স্বাস্থ্যসেবা ও প্রযুক্তির মূল মন্ত্র হলো হেলথ ইমাজিনেশন এবং আমরা ব্যয়, মান এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবা জনগণের কাছে সহজলভ্য করে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশ এ তিনটি উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সম্ভাবনার দেশ। ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমরা একটি আউট পোর্টেবল আল্ট্রা সাউন্ড স্ক্যানার প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করেছি, যা গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলেও রোগ পরীক্ষা ও নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বেশ উপযোগী হবে।
এ ছাড়া ইউনাইটেড হসপিটাল ও মেডিনোভার মতো বাংলাদেশের বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোও আধুনিক প্রযুক্তি ও সেবা পদ্ধতির মাধ্যমে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের সেবার মান বাড়াতে বেশ আগ্রহী বলেই আমাদের মনে হয়েছে।
বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা পর্যটনের বিকাশের কোনো সম্ভাবনা নিয়ে বলতে গিয়ে টম বলেন, ইউনাইটেড হসপিটাল ও মেডিনোভার মতো বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি যেমন_ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য পিইটি সিটি এবং অন্যান্য ক্ষেত্রেও চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নে যে সার্বক্ষণিক প্রচেষ্টা, তাতে নিঃসন্দেহে বলা যায়, তারা এশিয়ার বিভিন্ন দেশে রোগীদের চিকিৎসাসেবা গ্রহণে আকৃষ্ট করতে সমর্থ হবে। এ ছাড়া যেসব বাংলাদেশি বর্তমানে উন্নততর চিকিৎসাসেবার জন্য অন্য দেশে যাচ্ছে, তারাও সমমানের উন্নত চিকিৎসাসেবা দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছেই পাবে।
বিশ্বের স্বনামধন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো কি বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী হবে_এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবশ্যই। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার পরিসর ও এর বাজার অদূর ভবিষ্যতে বেশ বড় হবে বলেই আমরা মনে করি। স্বাভাবিকভাবেই বিশ্বের স্বনামধন্য ও অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানগুলোও তাদের কার্যক্রম ও সেবা প্রসারে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে এগিয়ে আসবে।
নিজস্ব প্রতিবেদকটম জেন্টলির কাছে বাংলাদেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা প্রযুুক্তির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা ও এর সম্ভাবনার বিষয়ে তিনি খুবই অনুপ্রাণিত। টম বলেন, ১৬ কোটি জনসংখ্যার এ দেশে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মুজিবুর রহমান ফকিরের সঙ্গে আমার দেখা করার সুযোগ হয়েছে এবং আমার কাছে মনে হয়েছে, সরকার স্বাস্থ্যসেবা খাতে বিনিয়োগে প্রস্তুত এবং পাশাপাশি পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) মাধ্যমেও এ খাতের উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী। বাংলাদেশের বর্তমান স্বাস্থ্যসেবার মান সম্পর্কে টম বলেন, ঢাকায় বেশ কিছু ক্ষেত্রেই বিশ্বমানের প্রযুক্তি ও সেবা দেখে অত্যন্ত মুগ্ধ হয়েছি। ইতিমধ্যে আমরা ইউনাইটেড হসপিটালে আমাদের অংশীদারদের সঙ্গে দেখা করেছি এবং তাদের প্রযুক্তি ও সেবাগুলো পর্যবেক্ষণ করেছি। তাদের আধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রপাতি বিশেষত সাইক্লোট্রন এবং পিইটি সিটি স্ক্যানার রয়েছে যা ক্যানসার নির্ণয় ও চিকিৎসায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সাইক্লোট্রনের অন্য প্রতিষ্ঠানেও সরবরাহের সক্ষমতা রয়েছে এবং মেডিনোভা হেল্থ সার্ভিসেস তাদের রেডিও ফার্মাসিউটিক্যালস ইউনাইটেড হসপিটাল থেকে সংগ্রহ করছে এবং একটি পিইটি সিটি স্ক্যানার এ বিনিয়োগও করেছে। এই উভয় প্রতিষ্ঠানে বিশ্বমানের প্রযুক্তি রয়েছে এবং আমরা তাদের অংশীদার হিসেবে গর্বিত।
বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার সামগ্রিক কার্যক্রমে জিই হেলথ কেয়ারের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে তিনি বলেন, জিই হেলথ কেয়ার বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা প্রযুক্তি খাতে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ বাজার তাদের দখলে বলে দাবি করেছেন তিনি ।
টম জেন্টলি বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার খাতে বিনিয়োগের প্রসার ও সম্ভাবনা সম্পর্কে বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে প্রসারের প্রচুর সুযোগ রয়েছে। বিশ্বের নবম বৃহত্তম জনবহুল দেশ হিসেবে এখানে স্বাস্থ্যসেবার মানের ক্ষেত্রেও দ্রুত উন্নয়ন ঘটবে। বাংলাদেশ সরকার এ খাতে বিনিয়োগ করছে এবং মান উন্নয়নে অংশীদারত্বের মাধ্যমে বিভিন্ন বিনিয়োগ পদক্ষেপেও অত্যন্ত আগ্রহী। জিই হেলথ কেয়ারের স্বাস্থ্যসেবা ও প্রযুক্তির মূল মন্ত্র হলো হেলথ ইমাজিনেশন এবং আমরা ব্যয়, মান এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবা জনগণের কাছে সহজলভ্য করে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশ এ তিনটি উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সম্ভাবনার দেশ। ইতিমধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমরা একটি আউট পোর্টেবল আল্ট্রা সাউন্ড স্ক্যানার প্রকল্প নিয়ে আলোচনা করেছি, যা গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলেও রোগ পরীক্ষা ও নির্ণয়ের ক্ষেত্রে বেশ উপযোগী হবে।
এ ছাড়া ইউনাইটেড হসপিটাল ও মেডিনোভার মতো বাংলাদেশের বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোও আধুনিক প্রযুক্তি ও সেবা পদ্ধতির মাধ্যমে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের সেবার মান বাড়াতে বেশ আগ্রহী বলেই আমাদের মনে হয়েছে।
বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবা পর্যটনের বিকাশের কোনো সম্ভাবনা নিয়ে বলতে গিয়ে টম বলেন, ইউনাইটেড হসপিটাল ও মেডিনোভার মতো বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি যেমন_ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য পিইটি সিটি এবং অন্যান্য ক্ষেত্রেও চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নে যে সার্বক্ষণিক প্রচেষ্টা, তাতে নিঃসন্দেহে বলা যায়, তারা এশিয়ার বিভিন্ন দেশে রোগীদের চিকিৎসাসেবা গ্রহণে আকৃষ্ট করতে সমর্থ হবে। এ ছাড়া যেসব বাংলাদেশি বর্তমানে উন্নততর চিকিৎসাসেবার জন্য অন্য দেশে যাচ্ছে, তারাও সমমানের উন্নত চিকিৎসাসেবা দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছেই পাবে।
বিশ্বের স্বনামধন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো কি বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী হবে_এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবশ্যই। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার পরিসর ও এর বাজার অদূর ভবিষ্যতে বেশ বড় হবে বলেই আমরা মনে করি। স্বাভাবিকভাবেই বিশ্বের স্বনামধন্য ও অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানগুলোও তাদের কার্যক্রম ও সেবা প্রসারে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে এগিয়ে আসবে।
আয় ব্যয় -এর আরো সংবাদ
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com








