|
|
টানা হরতালে কমেছে সূচক ও লেনদেন
নিজস্ব প্রতিবেদক
হরতালের প্রথম দিন উপস্থিতি কম থাকলেও তৃতীয় দিন গতকাল মঙ্গলবার শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি ছিল স্বাভাবিক। ব্রোকারেজ হাউসগুলোয় ভিড় ছিল হরতাল-পূর্ববতী দিনের মতোই। তবে লেনেদেনে হরতালের নেতিবাচক প্রভাব লক্ষ করা গেছে। ডিএসইতে গতকাল কমেছে সূচক ও লেনদেনের পরিমাণ।
তবে আগের দিন প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক ২১ পয়েন্ট বাড়লেও গতকাল তা কমে গেছে ৩১ পয়েন্ট। সাদ সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেলোয়ার হোসেন বলেন, টানা হরতালের তৃতীয় দিনে হাউসগুলোয় উপস্থিতি স্বাভাবিক ছিল। তবে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মনে একধরনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারে।
কাজী ফিরোজ রশীদ সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জামিল মাশরুর মিলার বলেছেন, দিনের শুরুতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চাঙ্গাভাব ছিল। তবে পিপলস ইনস্যুরেন্সের পক্ষ থেকে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা না দেওয়ায় এই খাতের অন্য কম্পানির দরপতনে বড় ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, বেক্সিম লিমিটেডের এজিএমের তারিখ অন্য বছরের তুলনায় এগিয়ে নিয়ে আসায় বিনিয়োগকারীদের মনে নানা সংশয় দেখা দেয়। ফলে এর শেয়ারের বড় ধরনের দরপতন ঘটে। এ দুটো ঘটনা দিনের লেনদেনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। দিনশেষে তা সামগ্রিক লেনদেনে প্রভাব রাখে।
আবদুর রহমান নামের এক বিনিয়োগকারী জানান, দিনের শুরুতে স্বাভাবিক লেনদেন শুরু হয়। ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ওঠে বাজার। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে গুজব রটে যায়, আইএমএফ বাংলাদেশ ব্যাংককে শর্ত মোতাবেক ঋণ দিচ্ছে না। এমন একটি খবর বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তিনি বলেন, শেয়ারবাজারের ওঠা-নামার প্রধান নিয়ামক এখনো গুজব। এখান থেকে বাজার বেরিয়ে আসতে পারেনি।
ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্যে দেখা গেছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল ২৬৪টি কম্পানির ১২ কোটি ৩২ লাখ ৩৯ হাজার ৩০৯টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। গতকাল ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৮৭৪ কোটি ২৪ লাখ ৭৪ হাজার ২০৩ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৩৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকা কম।
সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৩১.২৬ পয়েন্ট কমে ৫৩৫৭.০১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। গতকাল লেনদেন হওয়া ২৬৪টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৯টির, কমেছে ১৭৭টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টি কম্পানির শেয়ারের দাম।
গতকাল ডিএসইর বাজার মূলধনের পরিমাণ ছিল দুই লাখ ৭৬ হাজার ৭০ কোটি ৭৭ লাখ ৮১ হাজার ৯২১ টাকা। লেনদেনের ভিত্তিতে গতকালের প্রধান ১০টি কম্পানি হলো গ্রামীণফোন, স্কয়ার ফার্মা, বেক্সিমকো লিমিটেড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, জিপিএইচ ইস্পাত, সামিট পাওয়ার, এম আই সিমেন্ট, যমুনা অয়েল ও ডেসকো লিমিটেড।
নিজস্ব প্রতিবেদকতবে আগের দিন প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক ২১ পয়েন্ট বাড়লেও গতকাল তা কমে গেছে ৩১ পয়েন্ট। সাদ সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেলোয়ার হোসেন বলেন, টানা হরতালের তৃতীয় দিনে হাউসগুলোয় উপস্থিতি স্বাভাবিক ছিল। তবে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মনে একধরনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারে।
কাজী ফিরোজ রশীদ সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জামিল মাশরুর মিলার বলেছেন, দিনের শুরুতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চাঙ্গাভাব ছিল। তবে পিপলস ইনস্যুরেন্সের পক্ষ থেকে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা না দেওয়ায় এই খাতের অন্য কম্পানির দরপতনে বড় ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, বেক্সিম লিমিটেডের এজিএমের তারিখ অন্য বছরের তুলনায় এগিয়ে নিয়ে আসায় বিনিয়োগকারীদের মনে নানা সংশয় দেখা দেয়। ফলে এর শেয়ারের বড় ধরনের দরপতন ঘটে। এ দুটো ঘটনা দিনের লেনদেনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। দিনশেষে তা সামগ্রিক লেনদেনে প্রভাব রাখে।
আবদুর রহমান নামের এক বিনিয়োগকারী জানান, দিনের শুরুতে স্বাভাবিক লেনদেন শুরু হয়। ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ওঠে বাজার। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে গুজব রটে যায়, আইএমএফ বাংলাদেশ ব্যাংককে শর্ত মোতাবেক ঋণ দিচ্ছে না। এমন একটি খবর বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তিনি বলেন, শেয়ারবাজারের ওঠা-নামার প্রধান নিয়ামক এখনো গুজব। এখান থেকে বাজার বেরিয়ে আসতে পারেনি।
ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্যে দেখা গেছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল ২৬৪টি কম্পানির ১২ কোটি ৩২ লাখ ৩৯ হাজার ৩০৯টি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। গতকাল ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৮৭৪ কোটি ২৪ লাখ ৭৪ হাজার ২০৩ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৩৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকা কম।
সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৩১.২৬ পয়েন্ট কমে ৫৩৫৭.০১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। গতকাল লেনদেন হওয়া ২৬৪টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৯টির, কমেছে ১৭৭টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টি কম্পানির শেয়ারের দাম।
গতকাল ডিএসইর বাজার মূলধনের পরিমাণ ছিল দুই লাখ ৭৬ হাজার ৭০ কোটি ৭৭ লাখ ৮১ হাজার ৯২১ টাকা। লেনদেনের ভিত্তিতে গতকালের প্রধান ১০টি কম্পানি হলো গ্রামীণফোন, স্কয়ার ফার্মা, বেক্সিমকো লিমিটেড, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স, জিপিএইচ ইস্পাত, সামিট পাওয়ার, এম আই সিমেন্ট, যমুনা অয়েল ও ডেসকো লিমিটেড।
শিল্প বাণিজ্য -এর আরো সংবাদ
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com








