|
|
জোর করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষরপুঠিয়ায় মানসিক অস্থিরতায় ভুগে আ. লীগ নেতার মৃত্যুর অভিযোগ
রাজশাহী অফিস
জোর করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেওয়ায় হার্ট অ্যাটাকে (হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে) পুঠিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সারোয়ার হোসেন মিঠুন মারা গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সারোয়ার হোসেনের পরিবারের দাবি, ইচ্ছার বিরুদ্ধে চাপ প্রয়োগ করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেওয়ায় মানসিক অস্থিরতায় ভুগে গত বুধবার রাতে হার্ট অ্যাটাকে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এদিকে সারোয়ার হোসেনের মৃত্যুর খবরে পুঠিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
সারোয়ার হোসেন মিঠুর পরিবার ও দলীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি রাজশাহী-৫ আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য কাজী আবদুল ওয়াদুদ দারার নির্দেশে পুঠিয়া উপজেলা কমিটি ভেঙে দিয়ে নতুন কমিটি গঠনের জন্য কমিটির সব সদস্যকে পদত্যাগ করতে বলা হয়। এর জন্য একটি পদত্যাগপত্র তৈরি করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক এবং শিক্ষা ও পাঠচক্রবিষয়ক সম্পাদক শাহরিয়ার রহিম কণক গত কয়েকদিন উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নিচ্ছিলেন। কোনো নেতা এতে স্বেচ্ছায় স্বাক্ষর দিতে না চাইলে তাঁকে হুমকি-ধমকি দিয়ে তাঁর কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়া হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার রাতে সাংগঠনিক সম্পাদক সারোয়ার হোসেনের বাসায় গিয়ে তাঁর কাছ থেকে জোর করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেন ওই দুই নেতা। সারোয়ার হোসেনের ভাই মামুন জানান, দলীয় পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করার পর সারোয়ার মানসিকভাবে অস্থির হয়ে পড়েছিলেন। আর এতেই পরদিন অসুস্থ হয়ে রাতে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান তিনি।
তবে জোর করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেওয়ার কথা অস্বীকার করে এমপি আবদুল ওয়াদুদ দারা বলেন, সারোয়ার হোসেনের মৃত্যু নিয়ে নোংরা রাজনীতি শুরু হয়েছে। এর বাইরে কিছুই নয়। তিনি বলেন, পুঠিয়া উপজেলা আ. লীগের বর্তমান কমিটি স্থবির হয়ে পড়েছে। এর জন্য নতুন করে কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছিল।
পুঠিয়া উপজেলা আ. লীগের শিক্ষা ও পাঠচক্রবিষয়ক সম্পাদক শাহরিয়ার রহিম কণক বলেন, আট বছর আগে এই কমিটি গঠন করা হয়েছিল।
রাজশাহী অফিসসারোয়ার হোসেন মিঠুর পরিবার ও দলীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি রাজশাহী-৫ আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য কাজী আবদুল ওয়াদুদ দারার নির্দেশে পুঠিয়া উপজেলা কমিটি ভেঙে দিয়ে নতুন কমিটি গঠনের জন্য কমিটির সব সদস্যকে পদত্যাগ করতে বলা হয়। এর জন্য একটি পদত্যাগপত্র তৈরি করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক এবং শিক্ষা ও পাঠচক্রবিষয়ক সম্পাদক শাহরিয়ার রহিম কণক গত কয়েকদিন উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নিচ্ছিলেন। কোনো নেতা এতে স্বেচ্ছায় স্বাক্ষর দিতে না চাইলে তাঁকে হুমকি-ধমকি দিয়ে তাঁর কাছ থেকে স্বাক্ষর নেওয়া হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত মঙ্গলবার রাতে সাংগঠনিক সম্পাদক সারোয়ার হোসেনের বাসায় গিয়ে তাঁর কাছ থেকে জোর করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেন ওই দুই নেতা। সারোয়ার হোসেনের ভাই মামুন জানান, দলীয় পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করার পর সারোয়ার মানসিকভাবে অস্থির হয়ে পড়েছিলেন। আর এতেই পরদিন অসুস্থ হয়ে রাতে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান তিনি।
তবে জোর করে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেওয়ার কথা অস্বীকার করে এমপি আবদুল ওয়াদুদ দারা বলেন, সারোয়ার হোসেনের মৃত্যু নিয়ে নোংরা রাজনীতি শুরু হয়েছে। এর বাইরে কিছুই নয়। তিনি বলেন, পুঠিয়া উপজেলা আ. লীগের বর্তমান কমিটি স্থবির হয়ে পড়েছে। এর জন্য নতুন করে কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছিল।
পুঠিয়া উপজেলা আ. লীগের শিক্ষা ও পাঠচক্রবিষয়ক সম্পাদক শাহরিয়ার রহিম কণক বলেন, আট বছর আগে এই কমিটি গঠন করা হয়েছিল।
খবর -এর আরো সংবাদ
সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন, উপদেষ্টা সম্পাদক : অমিত হাবিব, ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com








