logo
আপডেট : ৪ জানুয়ারি, ২০১৮ ০১:৫৫
ফেনী নদীতে সেতু নির্মাণস্থলে শ্রিংলা
আগামী নির্বাচন হবে ইসির অধীনে : সেতুমন্ত্রী

আগামী নির্বাচন হবে ইসির অধীনে : সেতুমন্ত্রী

ফাইল ছবি

গত এক দশকে হওয়া ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নকে নজিরবিহীন বলেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। গতকাল বুধবার খাগড়াছড়ির রামগড়ে ফেনী নদীর ওপর নির্মাণাধীন সেতুর অগ্রগতি পরিদর্শন অনুষ্ঠানে তিনি এ অভিমত দেন।

শ্রিংলা বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে এ সংযোগ ত্রিপুরার মানুষের অনেক দিনের দাবি। সেতুটি আমাদের দুই দেশের মানুষের মধ্যে বাণিজ্য, যোগাযোগ ও ভ্রমণব্যবস্থা এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের আমন্ত্রণে শ্রিংলা গতকাল এ সেতুর অগ্রগতি পরিদর্শন করতে যান। পরিদর্শনের সময় সেতুমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, মন্ত্রীর এখানে আসা ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সংযোগ প্রকল্পের গুরুত্বের প্রতিফলন। তিনি বলেন, ‘মন্ত্রী নিজেই একজন মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর দেশের স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক মূল্যবোধ রক্ষা করতে তিনি লড়াই করেছেন। আমাদের দুই দেশের উন্নতির জন্য তিনি জোরালো ভূমিকা রেখেছেন।’

ভারতীয় হাইকমিশন জানায়, ভারত সরকারের অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ সরকারের সার্বিক সহযোগিতায় সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে। ন্যাশনাল হাইওয়েজ অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া (এনএইচআইডিসিএল) এটি নির্মাণ করছে। সেতুটি নির্মিত হলে দক্ষিণ ত্রিপুরা ও চট্টগ্রামের সঙ্গে সাব্রুম (ভারত)-রামগড় (বাংলাদেশ) হয়ে সড়কপথে সংযুক্ত হবে। এ ছাড়া ভারতের ত্রিপুরা ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও পর্যটনের প্রসারের পাশাপাশি মানুষে মানুষে সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে পুরো অঞ্চল উপকৃত হবে।

ভারতীয় হাইকমিশন জানায়, এরই মধ্যে সেতুর ভারতীয় অংশে পরীক্ষামূলক পাইলিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে। অল্পদিনের মধ্যে সেতুর বাংলাদেশ অংশেও শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ২০২০ সাল নাগাদ সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

ত্রিপুরা সরকারের গণপূর্ত বিভাগের (পিডাব্লিউডি) সচিব শান্তনুর নেতৃত্বে ভারতের ‘ন্যাশনাল হাইওয়েজ অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন লিমিটেড (এনএইচআইডিসিএল)’ ও ‘পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্টের (পিডাব্লিউডি)’ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও মন্ত্রী ও হাইকমিশনারের সঙ্গে সেতুর নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন। শান্তনু বিলোনিয়ার ছোটাখোলায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে নির্মিত ভারত-বাংলা মৈত্রী উদ্যানের কথা উল্লেখ করেন। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার গত ১৬ ডিসেম্বর এটি উদ্বোধন করেন।

আমাদের খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি জানান, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘শেখ হাসিনার অধীনে নয়; আসন্ন নির্বাচন হবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে। কিন্তু সেই নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে বিএনপি নেত্রী জনগণকে ব্ল্যাকমেইল করছেন। পদ্মা সেতুসহ মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখে খালেদা জিয়ার গাত্রদাহ শুরু হয়েছে। সেই জন্যই পদ্মা সেতু নিয়ে মিথ্যাচার করছেন।’

সেতুমন্ত্রী আরো বলেন, ‘মৈত্রী সেতুর ব্যাপারে ভারতের পক্ষ থেকে কিছু চাহিদার কথা বলা হয়েছে, সেটি এই জানুয়ারির মধ্যেই সমাধান হবে। আগামী ফেব্রুয়ারি নাগাদ মৈত্রী সেতুর নির্মাণকাজ পুরোদমে শুরু হবে। সেতু নির্মাণের পর রামগড় স্থলবন্দর চালু হলে এই অঞ্চলের মধ্যে কানেকটিভিটি সহজ হবে।’

সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন,
নির্বাহী সম্পাদক : মোস্তফা কামাল,
ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com