logo
আপডেট : ৩ জানুয়ারি, ২০১৮ ২৩:৫৮
ডিজিটাল বাংলাদেশ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কিছু কথা
ড. মো. সোহেল রহমান

ডিজিটাল বাংলাদেশ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কিছু কথা

ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭তে সোফিয়াকে নিয়ে মাতামাতি দেখে আমরা অনেকেই মুগ্ধ, আবার অনেকেই বিরক্ত! এ নিয়ে আলাপ করতে গেলে প্রথমেই বলতে হয়, সোফিয়া আসলে কে? কয়েক মাস আগে হলে হয়তো আরো স্পষ্ট করে বলা যেত সোফিয়া আসলে কী? কিন্তু এখন একটু সাবধান হওয়া দরকার। কারণ গত অক্টোবর মাসে সোফিয়া সৌদি আরবের নাগরিকত্ব লাভ করেছে। কী বিবেচনায় সোফিয়াকে এই নাগরিকত্ব দেওয়া, তা নিয়ে আলোচনা পরে হবে। তবে প্রথমে নিরপেক্ষভাবে একজন কম্পিউটারবিজ্ঞানীর দৃষ্টিতে সোফিয়াকে একটু মাপা যাক।

সোফিয়া একটি রোবট। তার একটি বিশেষ বিশেষত্ব হলো, তার মুখখানি দেখতে মানুষের মতো। এ ধরনের রোবটকে বলা হয় হিউম্যানয়েড রোবট। এর অন্য বিশেষত্বগুলো কী? আসলে সারা বিশ্বে বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত চ্যাট-বট  (Chat-Bot) ও সোফিয়ার মধ্যে (চেহারা বাদে) গুণগত তেমন কোনো পার্থক্য নেই বলেই সোফিয়ার সমালোচকদের ধারণা। তবে এ ব্যাপারে আরো আলোচনা করার আগে চ্যাট-বট বিষয়টি আলোচনার দাবি রাখে।

চ্যাট-বট আসলে একটি কম্পিউটার প্রগ্রাম, যা কিনা কোনো একজন মানুষের সঙ্গে লিখিতভাবে কিংবা মৌখিকভাবে বুদ্ধিদীপ্ত আলোচনায় রত হতে পারে। এখানে মূল ধারণা হলো এই যে একজন ব্যক্তি যখন কোনো চ্যাট-বটের সঙ্গে কথা বলবে, সে বুঝতেই পারবে না যে সে একটি কম্পিউটার প্রগ্রামের সঙ্গে কথা বলছে; তার মনে কোনো সন্দেহই আসবে না আলোচনায় অংশগ্রহণকারী আসলে কোনো মানুষ নয়। তত্ত্বীয় কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে সুপরিচিত বিখ্যাত কম্পিউটারবিজ্ঞানী এলান টিউরিং প্রবর্তিত একটি বহুল প্রচলিত পরীক্ষা রয়েছে, যা দ্বারা একটি চ্যাট-বট কতখানি ‘ভালো’, তা পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। এই পরীক্ষার নাম ‘টিউরিং পরীক্ষা’। টিউরিং পরীক্ষাটি হয় একজন মানুষ ও তার সঙ্গে কথোপকথনকারী একটি চ্যাট-বটের মধ্যে। এখানে একজন স্বতন্ত্র নিরীক্ষক (মানুষ) থাকেন, যিনি আসলে পরীক্ষাটি সম্পাদন করেন। তিনি জানবেন যাদের মধ্যে কথোপকথন চলছে তার একজন মানুষ, আরেকজন রোবট। কিন্তু তিনি জানবেন না কোনটি কে। টিউরিং পরীক্ষাটি মূলত লিখিত মাধ্যমে হয়ে থাকে। কারণ মেশিন কর্তৃক মৌখিক কথায় যান্ত্রিকতার ছাপ থেকে যেতে পারে, যা নিরীক্ষক বুঝে ফেলতে পারেন। মনে রাখতে হবে যে এই পরীক্ষার উদ্দেশ্য হলো এটি দেখা যে চ্যাট-বটটি যে কথোপকথন চালাচ্ছে, তা মানবীয় কি না। এখানে কথোপকথনের মধ্যে থাকা প্রশ্নোত্তরগুলোর ক্ষেত্রে চ্যাট-বটটি সঠিক, কি ভুল উত্তর দিল, তা কিন্তু মোটেই বিবেচ্য নয়। যদি নিরীক্ষক এই (লিখিতভাবে) কথোপকথন থেকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কোনটি চ্যাট-বট, তা নিশ্চিত করে বলতে না পারেন, তাহলে চ্যাট-বটটি টিউরিং পরীক্ষায় পাস করেছে বলে ধরে নেওয়া হয় এবং এর মানে হলো চ্যাট-বটটি একজন সাধারণ মানুষের মতোই আরেকজন মানুষের সঙ্গে কথোপকথন করতে সক্ষম।

কিভাবে একটি চ্যাট-বট এ রকম দুরূহ একটি পরীক্ষায় পাস করে ফেলতে পারে? অর্থাৎ চ্যাট-বট আসলে কিভাবে একজন মানুষের মতোই অন্য একজন মানুষের সঙ্গে দিব্যি কথাবার্তা চালিয়ে যায়? আসলে এ জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো  Natural Language Processing বা সংক্ষেপে এনএলপি  (NLP), যা কিনা কম্পিউটারবিজ্ঞানের খুবই গুরুত্বপূর্ণ শাখা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটি উপশাখা। এ বিষয়ে এখনো গবেষণা তার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেনি বলেই আমাদের বিশ্বাস; যদিও ইংরেজিসহ অনেক ভাষায়ই আমরা অনেক অগ্রগতি করতে পেরেছি। তবে বাংলা ভাষায় এনএলপি  (NLP) গবেষণা এখনো শৈশব বা কৈশোর পেরোয়নি বলেই আমরা মনে করি এবং সে জন্য এ বিষয়ে আমাদের গবেষণার অনেক কিছুই রয়েছে।

আবার চ্যাট-বটের প্রসঙ্গে ফিরে আসি। এটি আমাদের কী কাজে লাগতে পারে? সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭তে সোফিয়ার প্রদর্শনীর পাশাপাশি চ্যাট-বটের (Chat-Bot) ওপর একটি সেমিনারও অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারটি আয়োজন করে রিভ সিস্টেমস নামের স্বনামধন্য একটি প্রতিষ্ঠান, যাতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা আমাদের সবার প্রিয় ও শ্রদ্ধাভাজন, স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। প্যানেলিস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্ডাস্ট্রি ও একেডেমিয়ার বেশ কয়েকজন শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিত্ব। এই সেমিনারে কি-নোট বক্তব্যে রিভ সিস্টেমের সিইও খুবই সুন্দরভাবে চ্যাট-বটের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও এর কার্যকারিতা এবং উপযোগিতা নিয়ে আলাপ করেন, যা পরে প্যানেলিস্টদের আলোচনার মাধ্যমে পূর্ণতা পায়। এর মধ্যেই চ্যাট-বট কিভাবে আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ কার্যক্রমের অংশ হয়ে উঠেছে সে ব্যাপারটি আলোচিত হয় এবং আরো কিভাবে চ্যাট-বট আমাদের কাজে আসতে পারে, তা নিয়েও বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা চলে। উদাহরণস্বরূপ প্রজাতন্ত্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ভুলে যাওয়া পাসওয়ার্ড রিকভারির জন্য তৈরি করা চ্যাট-বট কিভাবে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে পরোক্ষ ভূমিকা রাখছে, তা আলোচনা করা হয়। আসলে এ ধরনের নাগরিক সেবায় একটি উন্নত চ্যাট-বট অনেক শক্ত ভূমিকা রাখতে পারে। প্রতিটি নাগরিক সেবার ক্ষেত্রেই কোনো না কোনোভাবে, ছোট কিংবা বড় মাপে এটি ব্যবহারযোগ্য। যেমন ধরুন, একটি উন্নত চ্যাট-বট আপনাকে আপনার ট্যাক্স-রিটার্ন তৈরিতে সাহায্য করতে পারে; সে আপনার সঙ্গে কথোপকথনের মাধ্যমে যথাযথ ফরমগুলো অনলাইনে পূরণ করে নিরীক্ষণের জন্য আপনার সামনে উপস্থাপন করতে পারে, যা নিরীক্ষা করে আপনি পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন। আমাদের অনেক নাগরিক সেবা কিভাবে আমরা পেতে পারি তার তথ্যাদি (অনেক সময় ওয়েবসাইটে থাকলেও) সহজে খুঁজে বের করতে আমাদের অনেকেই ব্যর্থ হয়। আর কিছু না হোক, এ তথ্যাদি কিন্তু একটি চ্যাট-বটের মাধ্যমে সহজেই আপনি জেনে নিতে পারেন। বাইরের দেশগুলোতে চ্যাট-বটের ব্যবহার তাই সরকারি-বেসরকারিসহ সব ক্ষেত্রেই সমভাবে প্রচলিত।

উচ্চশিক্ষা গ্রহণকালে বিদেশে অবস্থানকালে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা একটু শেয়ার করি। একবার আমার ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত একটি সমস্যার বিষয়ে আমাকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের এজেন্টকে ফোন করতে হয়েছিল। কিন্তু ফোনে একজন এজেন্টকে পেতেই আমার অপেক্ষা করতে হয়েছিল প্রায় সাত-আট মিনিটের মতো। পরে যে এজেন্ট আমার সঙ্গে প্রথম কথা বললেন তাঁর কাছ থেকে আরো দু-একজনের হাত ঘুরে অবশেষে আমার সমস্যার সমাধান হয়। প্রতিবার এই হাত ঘোরার সময় আবার আমাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে গড়ে তিন-চার মিনিট! আর এই ফোনকলগুলো কিন্তু বিনা মূল্যের কল হয় না! পাঠক বুঝতেই পারছেন যে এ ধরনের ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতি মুহূর্তে যত ফোনকল নিয়ে কাজ করতে হয়, তাদের এজেন্টদের পক্ষে তাদের সবাইকে সেবা দেওয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না। এখন চিন্তা করুন, যদি একটি উন্নত চ্যাট-বট এই সেবার জন্য রাখা হয়, তাহলে সে কিন্তু একই সময়ে সমান্তরালে অসংখ্য মানুষকে সেবা দিতে পারবে, তাই না? এখন আমার সেই ব্যাংকও একটি চ্যাট-বট ব্যবহার করে, যা তাদের ওয়েবসাইটে ঢুকলেই অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে আপনার সঙ্গে কথা বলতে আসবে এবং আপনাকে নানাভাবে সেবা দেওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকবে।

অনেকক্ষণ চ্যাট-বট নিয়ে কথা বললাম; আবার সোফিয়ার প্রসঙ্গে ফিরে আসি। আগেই বলেছি চ্যাট-বট ও সোফিয়ার মধ্যে (চেহারা বাদে) গুণগত তেমন কোনো পার্থক্য নেই বলেই বিশ্বের তাবৎ বিজ্ঞানীর ধারণা। মূলত সোফিয়াকে নিয়ে বিশ্বব্যাপী এত মাতামাতির সূচনা বোধ করি এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান, হ্যানসেন রোবটিকসের কর্ণধার ডেভিড হ্যানসেনের করা একটি মন্তব্যের মধ্য দিয়ে, যেখানে তিনি দাবি করেন যে সোফিয়া কার্যকরভাবে একটি জীবন্ত কিছু (Essentially alive)! এই প্রসঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের একটি উচ্চতর ধারণা নিয়ে আলাপ করতেই হয়, যাকে বলে কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল জেনারেল ইন্টেলিজেন্স (Artificial General Intelligence) বা এজিআই (অওে)। খুব সহজে বললে, এজিআই হলো একটি মেশিনের সেই স্তরের বুদ্ধিমত্তা, যা সফলভাবে বিভিন্ন বুদ্ধিবৃত্তিক কার্য সম্পাদন করতে পারে, যা শুধু একজন মানুষের পক্ষেই করা সম্ভব। এখন সায়েন্স ফিকশন ছবি বা গল্পগুলোতে অনেক আগে থেকেই এজিআইয়ের সরব উপস্থিতি থাকলেও, আসলেই এজিআই বাস্তব, না অলীক কল্পনা, তা নিয়ে বৈজ্ঞানিক মহলে নিরন্তর বিতর্ক চলমান। তো হ্যানসেন এই বিষয়কেই সুচতুরভাবে সোফিয়ার মার্কেটিংয়ের জন্য ব্যবহার করেছেন। কিন্তু আমরা যদি হ্যানসেন রোবটিকসের প্রধান বৈজ্ঞানিক  (Chief Scientist) বেন গোয়েরটজেলের কথা শুনি, তাহলে আমরা আসল অবস্থাটি ভালোই অনুধাবন করতে পারব। গোয়েরটজেল এজিআইয়ের ব্যাপারে একজন অত্যন্ত আশাবাদী ব্যক্তি হলেও তিনি স্পষ্ট করেই বলেছেন যে সোফিয়া মোটেই এজিআইয়ের একটি উদাহরণ নয়, বরং সম্ভবত আমরা এজিআই থেকে এখনো পাঁচ থেকে ১০ বছর দূরে রয়েছি!

যা হোক, বাংলাদেশে সোফিয়াকে নিয়ে যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে, তাকে আমি ইতিবাচকভাবেই দেখতে চাইব। আমি বিশ্বাস করি, নিশ্চিতভাবেই আমাদের কম্পিউটিং ও তথ্য-প্রযুক্তি এবং বিশেষত রোবটিকসে আগ্রহী ছাত্র, পেশাজীবী ও গবেষকরা এখন একটি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করবেন, সোফিয়ার চেয়েও ভালো কিছু তৈরি করা; সত্যিকারের এজিআইয়ের দিকে এগিয়ে যাওয়া। আর সরকারের অবশ্যই উচিত হবে এ ব্যাপারে গবেষণা তহবিল ও পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করা।

লেখাটি শেষ করব আবার চ্যাট-বট দিয়ে। আমি অনেক দিন থেকেই ভাবছিলাম একটি বিষয়ের কথা, দেশ ও জাতিকে নেতৃত্ব দিতে গেলে জনগণের কাছাকাছি থাকা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু কেউ যখন ক্ষমতায় আরোহণ করেন তখন মাঝেমধ্যে তিনি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অনেক দূরে সরে যান। আর আমাদের সমাজে চাটুকারের যেহেতু কোনো অভাব নেই, একপর্যায়ে দেখা যায় যে জনগণের অতি কাছের কেউও ক্ষমতায় এলে চাটুকারবেষ্টিত হয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অনেক দূরে অবস্থান করেন নিজের অজান্তেই। জনগণের দুঃখ-দুর্দশা কিংবা অনুযোগ তাঁর কানে আর পৌঁছে না। চাটুকাররা তাঁদের কানে শুধু তাঁদের পছন্দের কথাগুলোই তুলে ধরেন। তাই ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের প্রত্যেকের একটি করে চ্যাট-বট থাকলে কেমন হয়? সাধারণ মানুষ তাদের ওয়েবসাইটে থাকা চ্যাট-বটগুলোর সঙ্গে কথোপকথনের মাধ্যমে তাদের অভিযোগ-অনুযোগ জানাবে, আর চ্যাট-বটটি সেই অভিযোগগুলো বিভিন্নভাবে সাজিয়ে তাঁর সামনে তুলে ধরবে। যেমন ধরুন, আমার মাঝেমধ্যে খুব ইচ্ছা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে; কিন্তু সে সুযোগ আমি আসলে কখনোই পাব না। কিন্তু তাঁর যদি একটি চ্যাট-বট থাকত, তাহলে হয়তো আমার বক্তব্যটি সরাসরি তাঁর কাছে সহজে পৌঁছানো যেত। আমরা জানি যে ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হজরত উমর (রা.) সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা নিজে বোঝার জন্য রাতে সাধারণ মানুষের বেশে ঘুরে বেড়াতেন। এখনকার বাস্তবতায় আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে হয়তো সেটি সম্ভব নয়, তবে আজকের এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে একটি চ্যাট-বট কিন্তু খুব সহজেই সেই একই রকম বাস্তবতা আমাদের উপহার দিতে পারে।

 

লেখক : অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান

সিএসই বিভাগ, বুয়েট

sohel.kcl@gmail.com

 

সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন,
নির্বাহী সম্পাদক : মোস্তফা কামাল,
ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com