logo
আপডেট : ৭ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০২
কাফরুলের ছাত্র মোমিন হত্যা মামলায় আজ রায় ঘোষণা হাইকোর্টে

কাফরুলের ছাত্র মোমিন হত্যা মামলায় আজ রায় ঘোষণা হাইকোর্টে

রাজধানীর কাফরুলের বহুল আলোচিত কলেজছাত্র মোমিন হত্যা মামলায় হাইকোর্টে শুনানি শেষ হয়েছে গতকাল বুধবার। আদালত আজ বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেছেন। বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল এক আদেশে রায়ের দিন নির্ধারণ করেন।

মতিঝিল থানার সাবেক ওসি এ কে এম রফিকুল ইসলাম এই মামলার আসামি ছিলেন। প্রথমে সিআইডি ও পরে ডিবি পুলিশ তাঁকে বাদ দিয়ে অভিযোগপত্র দিলেও শেষ পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় তদন্তে ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। যার ভিত্তিতে নিম্ন আদালতে তাঁর মৃত্যুদণ্ড হয়। পরে কারাবন্দি অবস্থায় ২০১৫ সালের ২২ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। এসব কারণে মামলাটি বহুল আলোচিত।

২০০৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর খুন হন কলেজছাত্র মোমিন। এ ঘটনায় ওই দিনই নিহতের বাবা আবদুর রাজ্জাক বাদী হয়ে ওসি রফিকসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ মামলায় ওসি রফিককে আসামির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে ২০০৭ সালের ১৩ মে অভিযোগপত্র দাখিল করে সিআইডি। এর বিরুদ্ধে বাদী নারাজি আবেদন দিলে ডিবিকে তদন্তের দায়িত্ব দেন আদালত। ডিবিও তদন্ত শেষে ওসি রফিককে বাদ দিয়ে ২০০৮ সালের ২ মার্চ অভিযোগপত্র দেয়। এরপর বিচার বিভাগীয় তদন্ত হয়। ২০০৮ সালের ৩০ অক্টোবর দেওয়া এ তদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে ওসি রফিকসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। ওই বছরের ১১ নভেম্বর এ অভিযোগপত্র গৃহীত হয়। এরপর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ এ ২০০৯ সালের ৫ অক্টোবর অভিযোগ গঠন করা হয়। পরবর্তী সময়ে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এ স্থানান্তর করা হয়। এ আদালতে ওসি রফিকের বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ গঠন করা হয় ২০১১ সালের ২ জানুয়ারি। এ আদালতেই বিচার শেষে ২০১১ সালের ২০ জুলাই রায় দেওয়া হয়। রায়ে ওসি রফিকসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী হাবিবুর রহমান তাজসহ ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এরপর নিম্ন আদালত থেকে ফাঁসি অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স পাঠানো হয় হাইকোর্টে। পাশাপাশি কারাগারে থাকা আসামিরা আপিল করেন। এ আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর ১২ নভেম্বর হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়।

ওসি রফিক মারা যাওয়ায় মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা এখন দুজন। এঁরা হলেন সাখাওয়াত হোসেন জুয়েল ও তারেক ওরফে জিয়া। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন হাবিবুর রহমান তাজ, জাফর আহমেদ, মনির হাওলাদার, ঠোঁট উঁচা বাবু, আসিফুল হক জনি ও শরিফ উদ্দিন।

হাইকোর্টে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী হিসেবে শুনানি করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ ও নির্মল কুমার দাস। 

সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন,
নির্বাহী সম্পাদক : মোস্তফা কামাল,
ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com