logo
আপডেট : ১৯ জুলাই, ২০১৭ ০২:১৫
ঢাবিতে অধ্যাপক এন্টনি ভেনাবেলস
শহরের উন্নয়নই কোনো একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন কৌশল

শহরের উন্নয়নই কোনো একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন কৌশল

কোনো দেশের শহরের উন্নয়নকে ওই দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের কৌশল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন আন্তর্জাতিক একাডেমিক অর্থনীতিবিদদের সংগঠন ইকোনমেট্রিক সোসাইটির ফেলো ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. এন্টনি ভেনাবেলস। তিনি বলেছেন, নিজেদের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে শহরের উন্নয়নে কৌশল নির্ধারণ করতে হবে।

সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিকের (সানেম) আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের মোজাফফর আহমেদ মিলনায়তনে ‘সানেম-বিশ্বব্যাংক লেকচার’ দেন অধ্যাপক এন্টনি ভেনাবেলস। সানেমের নির্বাহী পরিচালক ড. সেলিম রায়হানের সভাপতিত্বে লেকচারের ওপর আলোচনায় অংশ নেন পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান অধ্যাপক হোসেন জিল্লুর রহমান, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান এবং সানেম চেয়ারপারসন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. বজলুল হক খন্দকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক নাজমা বেগম ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া।

‘সিটিস ফল ডেভেলপমেন্ট, ক্রিয়েটিং লিভাবিলিটি অ্যান্ড প্রডাক্টিভ’ শীর্ষক বক্তব্যে অধ্যাপক ভেনাবেলস বলেন, শহরায়ন হচ্ছে একটি দেশের উন্নয়নের চালক। কাজেই শহরের উন্নয়নে নীতিনির্ধারণ কিংবা কৌশল নেওয়া মানেই দেশের উন্নয়ন। অবকাঠামো কিংবা ব্যবসায় বেসরকারি বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করবে, যা বাজারের চাহিদা বা শক্তি দ্বারা নির্ধারিত হবে। তবে অবকাঠামো ও সরকারি সেবায় জনগণের অংশগ্রহণ জরুরি।

অধ্যাপক ভেনাবেলস তাঁর বক্তব্যে আরবান প্রডাক্টিভিটি, আরবান কস্ট ও আরবান ইক্যুইলিব্রিয়াম এবং নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে জমির যথাযোগ্য ব্যবহার, অবকাঠামো ও সমন্বয়-প্রত্যাশা তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, ঢাকা শহরে ক্রমাগতই নতুন নতুন মানুষের আগমন ঘটছে। কেউ কাজের সন্ধানে আবার কেউ জীবন বদলানোর তাগিদে। এতে অতিরিক্ত চাপ পড়ছে শহরের সীমাবদ্ধ জমিতে। অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি মানুষের কাজের কিংবা শিল্পের বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে। রুরাল কিংবা গ্রামে পড়ে থাকা জমি ব্যবহার করতে হবে। স্থানীয় সরকার কিংবা স্থানীয় শিল্পকে জোরদার করে বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে।

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে নগরায়ণের উন্নয়ন করতে হবে। ঢাকা শহরে ক্রমাগত নতুন মানুষের চাপ বাড়ছে। এসডিজি লক্ষ্য বাস্তবায়নে টেকসই উন্নয়নে জোর দিতে হবে।’

ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘ঢাকা শহরকে উন্নত করতে হলে নগরায়ণের ভিশন কিংবা মিশন থাকতে হবে। আর নগরায়ণ করতে গেলে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন নীতিনির্ধারণ কিংবা নীতিগত সহায়তা।’ অধ্যাপক বজলুল হক খন্দকার বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ক্রমাগত উন্নতি ধরে দেশ একটু একটু করে উন্নতির দিকে এগোচ্ছে। তবে ঢাকা শহর সমস্যাগ্রস্ত থাকলে উন্নত দেশে পৌঁছা সম্ভব হবে না।’

 

সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন,
নির্বাহী সম্পাদক : মোস্তফা কামাল,
ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com