logo
আপডেট : ১৬ মার্চ, ২০১৭ ০৪:০৪
দক্ষিণ ভারত জুড়ে খরা

দক্ষিণ ভারত জুড়ে খরা

দুই বছর পর গত মরশুমে সারা দেশ প্রায়-স্বাভাবিক বর্ষা পেলেও মোটেই পায়নি দক্ষিণ ভারত। শুধু দক্ষিণ-পশ্চিম মরশুমি বায়ুই নয়, সম্পূর্ণ ফাঁকি দিয়েছে উত্তর-পূর্ব মরশুমি বর্ষাও। নিজেদের খরাক্লিষ্ট ঘোষণা করতে বাধ্য হয়েছে কেরল, কর্ণাটক, তামিলনাডু এবং পুদুচেরি। 

খরা দীর্ঘায়িত হওয়ায় শুরু হয়েছে পানীর হাহাকার। পালাক্কাড়ের পেপসিকো কারখানায় মাটির নিচের পানি তোলা কার্যত নিষিদ্ধ করেছে কেরল সরকার। খরার আক্রমণ সবচেয়ে তীব্র কেরল এমং কর্ণাটকে। দুই রাজ্যেই ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ধান, আখ এবং জোয়ার চাষ। চা, কফি, নারকেল, দারচিনি, রবারের উৎপাদনও কমেছে। 

কেরল সরকারের হিসেব, গত ১০০ বছরে এমন ভয়ঙ্কর খরা কখনও হয়নি। শুধু শস্য ক্ষতির পরিমাণই ২২৫ কোটি টাকারও বেশি। পানি নেই, পশুখাদ্য নেই, শুরু হয়েছে গরু-মোষের অভাবী বিক্রি। এদিকে, ২০১৭ সালের মাঝামাঝি থেকে এল নিনো-র প্রভাব বেড়ে পৃথিবী-জুড়ে বর্ষা মার খাওয়ার সাবধানবাণী শুনিয়ে রেখেছে অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া দপ্তর। ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর অবশ্য এখনও কোনও সরকারি পূর্বাভাস ঘোষণা করেনি।

সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন,
নির্বাহী সম্পাদক : মোস্তফা কামাল,
ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com