logo
আপডেট : ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:২৪
নতুন সিইসি নুরুল হুদা
চার নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার,রফিকুল ইসলাম
বেগম কবিতা খানম ও শাহাদৎ হোসেন

নতুন সিইসি নুরুল হুদা

কে এম নুরুল হুদা

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ পেলেন সাবেক সচিব কে এম নুরুল হুদা। গতকাল সোমবার রাতে সার্চ কমিটির সুপারিশ করা নামের তালিকা থেকে রাষ্ট্রপতি সিইসি হিসেবে তাঁর নিয়োগ অনুমোদন করেন। রাতে মন্ত্রিপরিষদসচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম প্রেস ব্রিফিং করে এ তথ্য জানান। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাবেক সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব তালুকদার, অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ বেগম কবিতা খানম এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদৎ হোসেন চৌধুরী। রাত সাড়ে ১০টায় নতুন নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নতুন এ কমিশনের অধীনেই ২০১৯ সালে জাতীয় নির্বাচন হবে।       

সিইসি হিসেবে নিয়োগ নিশ্চিত হওয়ার পর গত রাতে কে এম নুরুল হুদা তাঁর প্রতিক্রিয়ায় কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সবাইকে নিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারব বলে আশা করি। নিরপেক্ষ ও সাংবিধানিকভাবে কাজ করাই হবে আমার লক্ষ্য। আমাকে ও আমার কাজ নিয়ে কোনো বিতর্ক হবে না বলেই আমার প্রত্যাশা।’

এক প্রশ্নের জবাবে নতুন সিইসি বলেন, ‘ভালো তো লাগছেই। কারণ অনেক গুরুদায়িত্ব আমার ওপরে। সে দায়িত্ব কিভাবে পালন করব, তা দায়িত্বে বসে অনুধাবন করতে পারব। আমি আগে দায়িত্ব নেই, তারপর সবার সঙ্গে বসব। সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আপনাদের সঙ্গেও বসব।’

কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন (ইসি) বিদায় নিচ্ছে ৮ ফেব্রুয়ারি। তারপর শপথ নেবে নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন ইসি। এটি হবে বাংলাদেশের দ্বাদশ ইসি।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আগেই জানিয়েছিল তারা রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত মেনে নেবে। আর নতুন ইসি গঠনের পর গতকাল বিএনপি বলেছে, আজ মঙ্গলবার রাতে তারা আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাবে।   

নতুন ইসি গঠনে গতকালই রাষ্ট্রপতির কাছে প্রস্তাবিত নামের সুপারিশ করার কথা ছিল সার্চ কমিটির। এ লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে গতকাল বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বৈঠক করে আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি। বৈঠকে ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করে কমিটির সদস্যরা বঙ্গভবনের উদ্দেশে রওনা হন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তাঁদের সাক্ষাতের সময় নির্ধারিত ছিল। সেখানে তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে প্রস্তাবিত ১০ জনের নামের তালিকা হস্তান্তর করেন। একই সঙ্গে সার্চ কমিটিকে দেওয়া দেশের বিশিষ্ট নাগরিকদের মতামতের সারসংক্ষেপও রাষ্ট্রপতির কাছে হস্তান্তর করা হয়। প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা অবস্থানের পর তাঁরা বঙ্গভবন ছাড়েন।

বঙ্গভবন থেকে বের হওয়ার সময় মন্ত্রিপরিষদসচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ইসি গঠনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তাবিত নাম থেকে কোন ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে, তা জানা যাবে রাত ৯টায়। ইসি গঠনে অনুসন্ধান কমিটির সঙ্গে মতবিনিময়ে বিশিষ্টজনদের মতামতের সারসংক্ষেপও ওই সময় প্রকাশ করা হবে। এর আগে মন্ত্রিপরিষদসচিব জানান, রাজনৈতিক দলগুলোর দেওয়া নাম থেকেই ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করেছে সার্চ কমিটি। নির্ধারিত সময়ের আগেই অনুসন্ধান কমিটি তাদের সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে। সার্চ কমিটি সিইসি পদে দুজনের নাম প্রস্তাব করেছিল। কে এম নুরুল হুদা বাদে আরেকজন হলেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদসচিব আলী ইমাম মজুমদার। এ ছাড়া কমিশনার পদে অন্য যাঁদের নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল তাঁরা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষক ড. জারিনা রহমান খান, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমেদ, পরিকল্পনা কমিশনের সাবেক সদস্য মো. আবদুল মান্নান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ। 

রাষ্ট্রপতি সিইসিসহ নতুন নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ অনুমোদনের পর গত রাতে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদসচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানান, সিইসি হিসেবে বিএনপির পক্ষ থেকে মাহবুব তালুকদার ও তোফায়েল আহমেদের নাম সুপারিশ করা হয়েছিল। আর আওয়ামী লীগ শাহাদৎ হোসেন চৌধুরী এবং সাবেক জেলা ও দায়রা জজ বেগম কবিতা খানমের নাম সিইসি হিসেবে সুপারিশ করেছিল।

তবে সিইসি হিসেবে কে এম নুরুল হুদার নামের প্রস্তাব কোনো রাজনৈতিক দল থেকে এসেছিল, না কি সার্চ কমিটি তাদের নিজস্ব অনুসন্ধান থেকে তাঁর নাম প্রস্তাব করেছে তা স্পষ্ট নয়। তাঁর নাম কারা প্রস্তাব করেছিল, এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদসচিব বলেন, ‘এখন আমার মনে আসছে না। তবে বড় দুটো দল (আ. লীগ-বিএনপি) না। অন্য দল।’  

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদসচিব বলেন, ‘সার্চ কমিটি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতিবেদন দাখিল করে। সেই প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে যথাযথ প্রক্রিয়ায় কার্যক্রম গ্রহণ করি এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর শেষে এই কার্যক্রম চূড়ান্ত করা হয়েছে।’

এরপর সার্চ কমিটি প্রস্তাবিত ১০ জনের নাম পড়ে শোনান তিনি। তারপর সিইসি ও চার নির্বাচন কমিশনারের নাম ঘোষণা করেন। নতুন ইসি নিয়ে কোনো বিতর্ক হবে না বলে আশাবাদী তিনি। প্রসঙ্গত, মন্ত্রিপরিষদসচিবের দপ্তর সার্চ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দিয়েছিল।  কে এম নুরুল হুদা সম্পর্কে জানা যায়, তিনি ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশে সিভিল সার্ভিসে প্রশাসন ক্যাডারের সদস্য হিসেবে যোগ দেন এবং সরকারের সচিব পদ থেকে অবসর নেন ২০০৬ সালে। অবসরের পর তিনি মাল্টিসেক্টরাল প্রাইভেট কম্পানি জেমকনের মানবসম্পদ ও প্রশাসন বিভাগের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ মিউনিসিপ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফান্ড প্রজেক্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

গত রাতে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে কে এম নুরুল হুদা তাঁর পেশাগত জীবন সম্পর্কে কালের কণ্ঠকে জানান, একসময় তিনি ফরিদপুর ও কুমিল্লার ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। যুগ্ম সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সংসদ সচিবালয় এবং বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে। ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ২০০২ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার আমলে তাঁকেসহ আরো অনেককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। পরে উচ্চ আদালতের নির্দেশে তাঁরা চাকরি ফিরে পান। সচিব হিসেবে অবসর নেওয়ার সময় তাঁর চাকরি সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত ছিল। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি।

পটুয়াখালী প্রতিনিধি জানান, কে এম নুরুল হুদার জন্ম ১৯৪৮ সালে পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার নওমালাতে।

জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যান বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন তিনি। যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটি ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকেও উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের আবাসিক এ ছাত্র ১৯৭২-৭৩ সালে হল ছাত্রসংসদে সাংস্কৃতিক সম্পাদক ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মান দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময়ই ৯ নম্বর সেক্টরে বরিশাল অঞ্চলে মেজর জলিলের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন তিনি। স্ত্রী হুসনে আরার সঙ্গে নুরুল হুদার সংসারে তিন ছেলেমেয়ে। বড় ছেলে প্রকৌশলী, কানাডায় রয়েছেন। মেজ মেয়ে বুয়েট থেকে পাস করে পিএইচডি শেষে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে থাকেন। ছোট মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনার পাট চুকিয়ে উচ্চতর ডিগ্রির জন্য কানাডায় রয়েছেন। 

নবনিযুক্ত অন্য নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদৎ হোসেন চৌধুরী নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রকল্পের প্রথম পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়নে তাঁর অবদান রয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক কাজে তাঁর ২৮ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। লাইবেরিয়া ও সিয়েরা লিওনে তিনি এ বিষয়ে কাজ করেন। আফগানিস্তানে ইউএনডিপির নির্বাচনী প্রকল্পে কো-অর্ডিনেশন অ্যাডভাইজার হিসেবেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। 

সাবেক সচিব রফিকুল ইসলাম একসময়  নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে যুগ্ম সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

সার্চ কমিটি সিইসি পদে দুজন সাবেক সচিবের নাম প্রস্তাব করায় এবারও একজন সাবেক আমলাই এই পদে নিযুক্ত হলেন। কে এম নুরুল হুদা বাদে সিইসি পদে সার্চ কমিটির প্রস্তাব করা আরেকজন আলী ইমাম মজুমদারের নাম ২০১২ সালে আগের সার্চ কমিটিও প্রস্তাব করেছিল। ওই সময় তাঁর সঙ্গে কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নামও প্রস্তাব করা হয়। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান সে সময় কাজী রকিবউদ্দীন আহমদকে সিইসি নিয়োগ করেন। এবারও আলী ইমাম মজুমদারের ক্ষেত্রে একই ঘটনা ঘটেছে। এবার বিএনপি সরাসরি না দিলেও তাদের জোটভুক্ত শরিক দলগুলোর পক্ষ থেকে আলী ইমাম মজুমদারের নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সিইস হিসেবে যাঁরা নিয়োগ পেয়েছেন তাঁদের মধ্যে সাতজন ছিলেন বিচারপতি এবং চারজন সাবেক সচিব। ১৯৭২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত সাবেক বিচারপতিরাই সিইসি পদে নিয়োগ পেয়ে আসছিলেন। এর পরিবর্তন হয় ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনের পর। ওই সময় বিচারপতি এ কে এম সাদেক পদত্যাগ করেন এবং সিইসি পদে প্রথমবারের মতো একজন সাবেক সচিব (মোহাম্মদ আবু হেনা) নিয়োগ পান। ২০০৫ সালের ২০ মে আপিল বিভাগে কর্মরত একজন বিচারপতি (বিচারপতি এম এ আজিজ) সিইসি হিসেবে নিয়োগ পেলেও ব্যাপক আন্দোলনের মুখে ২০০৭ সালের ২১ জানুয়ারি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এর পরের দুই সিইসি হচ্ছেন সাবেক সচিব ড. এ টি এম শামসুল হুদা ও কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ।  

শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার আমলে সিইসি হিসেবে সরকারের সাবেক সচিবরাই নিয়োগ পেয়েছেন। এ কারণে ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের আগে থেকেই ধারণা  ছিল, এবারও সাবেক কোনো সচিবকে এ দায়িত্ব পাবেন।

আগামীকাল বুধবার সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদসহ বর্তমান ইসির চার কমিশনার তাঁদের পাঁচ বছরের  মেয়াদ শেষে  বিদায় নিচ্ছেন। আরেক নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে গত রবিবার বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন বর্তমান ইসির সদস্যরা।  আজ বিকেল ৩টায় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তাঁরা।

প্রসঙ্গত, ইসি পুনর্গঠন নিয়ে গত ১৮ ডিসেম্বর থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে বঙ্গভবনে পর্যায়ক্রমে ৩১টি রাজনৈতিক দলের সংলাপ হয়। প্রথম দিন সংলাপে অংশ নেয় বিএনপি। গত ১১ জানুয়ারি বৈঠক করে আওয়ামী লীগ। এক মাসে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে পাঁচ দফায় এ সংলাপ হয়। সংলাপের পর রাষ্ট্রপতি নতুন ইসি গঠনের লক্ষ্যে গত ২৫ জানুয়ারি আপিল বিভাগের একজন বিচারপতির নেতৃত্বে ছয় সদস্যের সার্চ কমিটি করে দেন। আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে কমিটির আহ্বায়ক করা হয়। বাকি পাঁচ সদস্য হলেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) মাসুদ আহমেদ, সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য শিরীণ আখতার। ২৫ জানুয়ারি রাতে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন,
নির্বাহী সম্পাদক : মোস্তফা কামাল,
ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com