logo
আপডেট : ৭ অক্টোবর, ২০১৬ ০১:৫৭
শিল্পী নয়ীম গহরের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

শিল্পী নয়ীম গহরের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

‘জন্ম আমার ধন্য হলো মাগো’, ‘নোঙ্গর তোলো তোলো, সময় যে হলো হলো’সহ অনেক কালজয়ী গানের গীতিকার নয়ীম গহরের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শুক্রবার। ২০১৫ সালের এই দিনে তিনি মারা যান।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় নয়ীম গহরের লেখা গণজাগরণী গান মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা জোগায়। ২০১২ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত নয়ীম গহর একাধারে গীতিকার, ঔপন্যাসিক, গায়ক, নায়ক, নাটক রচয়িতা, বিবিসির বাংলা ভাষ্যকার, খবর পাঠকসহ নানা প্রতিভার অধিকারী হওয়ার পরও ছিলেন প্রচারবিমুখ। ১৯৩৬ সালের ১৫ আগস্ট বিক্রমপুরে (বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ) জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকে প্রথম স্থান অধিকার করেন। ভালো চিত্রকরও ছিলেন তিনি।

১৯৭১ সালে রক্তঝরা দিনগুলোতে নয়ীম গহরের লেখা ‘নোঙ্গর তোলো তোলো’, ‘সাগর পাড়িতে ঝড় জাগে যদি’, ‘পুবের ঐ আকাশে সূর্য উঠেছে’, ‘জয় জয় জয় জয় বাংলা’সহ অন্যান্য গান মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা জুগিয়েছে মুক্ত-স্বাধীন একটি দেশ গড়ার। দেশাত্মবোধক গানের পাশাপাশি তিনি দুই শতাধিক গানের কথা লিখেছেন। সংগীতের পাশাপাশি সংস্কৃতির অন্যান্য শাখায়ও নিজস্ব সৃষ্টিকর্ম নিয়ে প্রশংসা পেয়েছেন। স্বাধীন বাংলাদেশে তাঁর রচিত প্রথম নাটক ‘পাখি আমার জয়ন্ত’ বিটিভিতে প্রচারিত হয়। ফজলে লোহানীর সঙ্গে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘যদি কিছু মনে না করেন’ নির্মাণ করেছিলেন। অভিনয়শিল্পী ইলোরা গহর তাঁর কন্যা। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ ‘শব ও স্বগতোক্তি’ ও ‘নিষিদ্ধ বিছানা’ এবং গল্পগ্রন্থ ‘রাহুগ্রাস’।

সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন,
নির্বাহী সম্পাদক : মোস্তফা কামাল,
ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com