logo
আপডেট : ২৯ মার্চ, ২০১৬ ০১:১০
কালান্তরের কড়চা
বিশ্বময় এই অব্যাহত সন্ত্রাস কেন বন্ধ করা যাচ্ছে না?
আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী

বিশ্বময় এই অব্যাহত সন্ত্রাস কেন বন্ধ করা যাচ্ছে না?

পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীরা ভেবেছিল, এবারের যুদ্ধটা মধ্যপ্রাচ্যে এবং মুসলিম দেশগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। এটা বিশ্বযুদ্ধে পরিণত হবে না এবং ইউরোপ আবার যুদ্ধবিধ্বস্ত হবে না। দু-দুটো মহাযুদ্ধে ইউরোপ দু-দুবার বিধ্বস্ত হয়েছে। আমেরিকাকে মার্শাল প্ল্যানের ইনজেকশন দিয়ে ইউরোপের মৃতপ্রায় দেহে রক্ত সঞ্চালন করতে হয়েছে। তাই পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীরা দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শেষে আটলান্টিক চার্টারের মাধ্যমে আটঘাট বেঁধেছিল ইউরোপে যেন আর যুদ্ধ না হয়। 

কিন্তু যুদ্ধ না হলে অস্ত্র নির্মাণশিল্পের বিরাট মুনাফা ও বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে গ্লোবাল ক্যাপিটালিজমের যে বিকাশ ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠা; পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদ যাকে ভিত্তি করে টিকে আছে, তার কী হবে? তাই থিয়েটার অব ওয়ারে তাদের অবশ্যই চাই। তবে সেই প্রেক্ষাগৃহটি ইউরোপ থেকে এশিয়ায় সরিয়ে দিতে পারলে ভালো হয়। তাই দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির একটা মূল লক্ষ্য ছিল, তাদের ওয়ার ইন্ডাস্ট্রি বাঁচিয়ে রাখার জন্য যুদ্ধ অবশ্যই বাধাতে হবে, তবে তা ইউরোপে নয়, এশিয়ায়। তার ফলেই দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর দুটি বড় আঞ্চলিক যুদ্ধ হয়েছে, একটি কোরিয়ায় এবং অন্যটি ভিয়েতনামে। ইউরোপে বার্লিন ওয়ালসহ বিভিন্ন সমস্যায় ঠাণ্ডা যুদ্ধ বা কোল্ড ওয়ার চালানো হয়েছে। তা গরম যুদ্ধে পরিণত হয়নি।

সোভিয়েত ইউনিয়নের বিপর্যয়ের পর মধ্যপ্রাচ্যে বিরাট আকারে যুদ্ধ বাধানো এবং অস্ত্র বিক্রির বাজার সম্প্রসারণ সহজ হয়েছে। পঞ্চাশের দশকে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আরব জাতীয়তাবাদী শক্তির (যেমন মিসরের নাসের) পক্ষে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের শক্তিশালী অবস্থানের দরুন মার্কিন যুদ্ধবাদীরা সেখানে সহজে নাক গলাতে চায়নি। বরং ছাপ্পান্ন সালের সুয়েজ যুদ্ধের সময় আমেরিকা নিরপেক্ষতার ভান করে দূরে অবস্থান নিয়েছে। সোভিয়েত হুমকির কাছে মাথানত করেছে ব্রিটেন, ফ্রান্স ও ইসরায়েল। এই তিনটি দেশই তখন নাসেরের নেতৃত্বাধীন মিসরের বিরুদ্ধে হামলা শুরু করেছিল।

সোভিয়েত ইউনিয়নের বিপর্যয়ের পর আমেরিকা সরাসরি মধ্যপ্রাচ্যে নাক গলানোর সুযোগ পায়। ওয়াশিংটনের উসকানি ও মদদেই আট বছরব্যাপী ইরান-ইরাক যুদ্ধ হয়। সুন্নি মুসলিম ও শিয়া মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিরোধ বাধে। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আরব ঐক্য ধ্বংস হয়। দু-দুটি গালফ যুদ্ধে গোটা মধ্যপ্রাচ্য এখন মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত। আমেরিকার মদদেই আল-কায়েদা, তালেবান, বর্তমানের আইএস প্রভৃতি জিহাদিস্ট গ্রুপের সৃষ্টি এবং এই জিহাদিস্টরা এখন তাদের যুদ্ধক্ষেত্রের সীমা মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি, ইউরোপ পর্যন্ত সম্প্রসারণ ঘটিয়েছে। প্যারিস ও ব্রাসেলসও এখন তাদের উপর্যুপরি হামলার টার্গেট। লন্ডনে এই হামলা প্রতিরোধের জন্য যে প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে, তা অনেকটা দ্বিতীয় মহাযুদ্ধকালীন কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার সঙ্গে তুলনীয়।

ইউরোপে সদ্য হামলা চালানোর সঙ্গে সঙ্গে হামলা চালানো হয়েছে এশিয়ার একটি ভূখণ্ডেও। পাকিস্তানের লাহোর শহরে ইস্টার সানডেতে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ৭০ জন নিহত এবং আড়াই শ মানুষ আহত হয়েছে বলে প্রাথমিক খবরে জানানো হয়েছে। এই হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে আইএসেরই সমগোত্রীয় আরেকটি জিহাদিস্ট গ্রুপ পাকিস্তানি তালেবানের অংশ জামায়াত উল আহরার। এই সাম্প্রতিক হামলাগুলো দ্বারা জিহাদিস্টরা সম্ভবত প্রমাণ করতে চেয়েছে, অস্ত্র ও জনবলে তারা এতই শক্তিশালী যে বিশ্বের যেকোনো স্থানে, তা ইউরোপের যেকোনো শহর হোক বা ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, মিসর; পাকিস্তানের যেকোনো স্থান হোক তারা হামলা চালাতে সক্ষম।

এই জিহাদিস্টদের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘আমাদের সন্ত্রাসী বলা হয়, আমরা সন্ত্রাসী নই, যোদ্ধা। আমাদের যুদ্ধ পশ্চিমা শক্তি ও তাদের অনুগত মুসলমান নামধারী রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে। আমাদের হামলায় নিরীহ মানুষ মারা যাচ্ছে এটা সত্য। যুদ্ধে এটা এড়ানোর উপায় নেই। পশ্চিমা দেশগুলো তাদের হামলার মাধ্যমে আমাদের চেয়ে বহুগুণ বেশি নিরীহ নরনারী, শিশু হত্যা করছে। সেই নিহতদের সংখ্যা গোপন রাখা হয়। এই বর্বরতার নিন্দা কেউ জানায় না।’

নিউ ইয়র্কের টুইন টাওয়ারে লাদেনপন্থী জিহাদিস্টদের হামলার পর আমেরিকা ভেবেছিল এই হামলার সুযোগ নিয়ে বিশ্ব সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামার  (war against terrorism) ধুয়া তুলে পরিস্থিতিকে তারা নিজেদের যুদ্ধাস্ত্র বিক্রির বাজার সম্প্রসারণের কাজে লাগাবে। ইউরোপ-আমেরিকাকে এই যুদ্ধ থেকে মুক্ত রাখা হবে। যুদ্ধটি মোটামুটি সীমাবদ্ধ রাখা হবে মধ্যপ্রাচ্যে, বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলোতেই। এশিয়া ও আফ্রিকার    দু-চারটি অমুসলিম দেশে তা ছড়িয়ে পড়লেও ক্ষতি নেই। অস্ত্র বিক্রির বাজার তাতে বাড়বে।

পশ্চিমা যুদ্ধ ব্যবসায়ীরা হয়তো হিসাবটা কষেছিলেন এভাবে, আমেরিকার বিশাল সামরিক শক্তি ‘ন্যাটোর’ শক্তির সঙ্গে মিলিত হয়ে আমেরিকা ও ইউরোপকে বর্তমান সন্ত্রাস বা যুদ্ধ থেকে মুক্ত রাখতে সক্ষম হবে। যুদ্ধটি চলবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো, বিশেষ করে এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলোতেই। এই অবিরাম যুদ্ধে দুই পক্ষকেই অস্ত্র সরবরাহ করে লাভবান হবে পশ্চিমা ওয়ার ইন্ডাস্ট্রি। তা গ্লোবাল ক্যাপিটালিজমকে অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে। এতে ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও আধিপত্য বাড়বে এবং সিরিয়া ও ইরাকের বিরাট এলাকা দখলকারী আইএসের কাছ থেকে অতি সস্তায় তেল কেনা যাবে। অস্ত্র কেনার জন্য জিহাদিস্টদের টাকা প্রয়োজন। সবচেয়ে বড় কথা, পশ্চিমা শক্তি, বিশেষ করে আমেরিকা নিত্যনতুন যে মারণাস্ত্র তৈরি করছে তার প্রয়োগ-নৈপুণ্য পরীক্ষা করার জন্য ইউরোপ-আমেরিকার বাইরে একটি রণক্ষেত্র প্রয়োজন। আণবিক বোমা আবিষ্কারের পর আমেরিকা তার কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য বেছে নিয়েছিল এশিয়ারই হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহর। ইউরোপে এই বর্বরতার পরীক্ষা চালাতে তারা চায়নি।

পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের এই হিসাবে একটা বড় ভুল ছিল। ফ্রাংকেনস্টাইন তৈরি করা হলে সেটা যে জন্মদাতার বিরুদ্ধেই শেষ পর্যন্ত দাঁড়ায়—গল্পের এই নীতিবাক্যটা তারা ভুলে গিয়েছিল। অতীত থেকেও এ ব্যাপারে তারা শিক্ষা নেয়নি। প্রথম মহাযুদ্ধের পর যখন সারা ইউরোপে শোষিত মানুষ জেগে উঠছে, সমাজতন্ত্রের মন্ত্রে দীক্ষা নিচ্ছে, রাশিয়ায় কমিউনিস্ট বিপ্লব সফল হয়েছে তখন আতঙ্কিত পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদ ও ধনবাদ কমিউনিজম ধ্বংস করার জন্য যুদ্ধবিধ্বস্ত জার্মানি ও ইতালিতে ফ্যাসিবাদের জন্মলাভে সাহায্য জোগায়। জার্মানিতে হিটলারের নাৎসি দল গড়ে ওঠার পেছনে ছিল বিরাট মার্কিন ডলার সাহায্য। পশ্চিমা শক্তি ভেবেছিল, এই ফ্যাসিস্ট দানবকে তারা ইউরোপে কমিউনিস্ট বিপ্লব ঠেকানো এবং কমিউনিস্ট রাষ্ট্র ধ্বংস করার কাজে লাগাবে। ফ্যাসিস্টরা এই কাজটিতে লাগার আগে পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের বিরুদ্ধেই যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়।

এই একই কাজ পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীরা করেছে আফগানিস্তানে সেক্যুলার ও সোশ্যালিস্ট গভর্নমেন্ট প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সেই গভর্নমেন্টের পতন ঘটানো এবং মধ্যপ্রাচ্যে সমাজতন্ত্রের জোয়ার ঠেকানোর জন্য তালেবান, আল-কায়েদা, আইএস ইত্যাদি নিষ্ঠুর জঙ্গি গোষ্ঠী তৈরির মাধ্যমে। পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ এলাকায় গোপন সামরিক ঘাঁটি তৈরি করে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর সহায়তায় জঙ্গিদের রিক্রুট ও অস্ত্র চালনায় ট্রেনিং দেওয়া হয়। আমেরিকার অর্থে ও অস্ত্রে এই দুর্ধর্ষ জিহাদিস্ট গ্রুপগুলো তৈরি হয়। আফগানিস্তানে সেক্যুলার গভর্নমেন্টের পতন ঘটিয়ে আমেরিকা এই ধর্মান্ধ তালেবানকেই ক্ষমতায় বসিয়েছিল। পরে এই তালেবান সরকার উচ্ছেদের জন্যই আমেরিকাকে যুদ্ধ করতে হয়েছে। তাতে আফগানিস্তান ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। হাজার হাজার নরনারী নিহত হয়। লাখ লাখ মানুষ দেশত্যাগে বাধ্য হয়।

একই লক্ষ্যে সিরিয়া ও ইরাকে আরো দুর্ধর্ষ আইএসের জন্ম দিয়েছে আমেরিকা। সৌদি আরব ও ইসরায়েল এই জিহাদিস্টদের রণকৌশল শিখিয়েছে। তাদের হাতে মারণাস্ত্র তুলে দিয়েছে। উদ্দেশ্য ছিল প্রথমে সিরিয়ার সেক্যুলার প্রেসিডেন্ট আসাদকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করা, তারপর ইরানে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা। এই আইএসই এখন আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধরত এবং বিশ্বের সর্বত্র ভয়াবহ সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে। এই যুদ্ধ ব্যাপকতায় একটা বিশ্বযুদ্ধের রূপ নিয়েছে। কেউ কেউ একে তৃতীয় মহাযুদ্ধেরও সূচনা বলতে চান। পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীরা আশা করেছিল, এই যুদ্ধ ইউরোপের মাটি পর্যন্ত সম্প্রসারিত হবে না। কিন্তু তাদের আশা অলীক প্রমাণিত হয়েছে।

এই যে ধর্মের নামে বর্বরতা, বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক হামলায় অসংখ্য নিরীহ নরনারী, শিশু হত্যা, এটা বন্ধ করার উপায় কী? পশ্চিমা নেতারা এই জিহাদিস্টদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামে ক্রমাগত রণহুংকার ছাড়ছেন এবং কাজে যা করছেন তা হলো সিরিয়া, ইরাক, লিবিয়ায় ক্রমাগত বোমা হামলা চালিয়ে নিরীহ নরনারী, শিশু হত্যা। সিরিয়ায় লাখ লাখ মানুষ আজ বিদেশে শরণার্থী এবং মানবেতর জীবন যাপন করছে। এই বিশাল শরণার্থীর জোয়ারও ইউরোপের আর্থসামাজিক ব্যবস্থায় অদূর ভবিষ্যতে যে বিরাট ধাক্কা সৃষ্টি করবে তাতে সন্দেহ নেই। এই ধাক্কা পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের অনেক হিসাব-নিকাশ ভণ্ডুল করে দেবে।

এই জিহাদিস্টদের দমনের জন্য সবচেয়ে কার্যকর ব্যবস্থা হবে যা, তা পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীরা করতে চাইছে না। তারা শুধু লোকদেখানো যুদ্ধের মহড়া দেখাচ্ছে আইএসের বিরুদ্ধে। আইএসকে পরাজিত করার জন্য আসল যুদ্ধ করেছে রাশিয়া এবং অনেকটা সফলও হয়েছে। এদিক থেকে পশ্চিমা শক্তির ভূমিকা অনেকটা বরের ঘরের পিসি এবং কনের ঘরের মাসি হওয়ার। একদিকে পশ্চিমা সৈন্য ও ন্যাটো জিহাদিস্টদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে, অন্যদিকে তাদের কাছে মারণাস্ত্র বিক্রি করছে পশ্চিমা যুদ্ধাস্ত্র ব্যবসায়ীরাই। সস্তায় পাওয়ার লোভে আইএসের কাছ থেকে তেল কিনে তাদের হাতে যুদ্ধ চালানোর ও অস্ত্র কেনার অর্থ জোগান দিচ্ছে পশ্চিমা ব্যবসায়ীরাই। তাদের সরকার তা জানে না তা নয়।

ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময়ও দেখা গেছে আমেরিকা প্রকাশ্যে ইরাকের সমর্থক ও সাহায্যদাতা, কিন্তু গোপনে অস্ত্র বিক্রি করছে ইরানের কাছে। রিগ্যান আমলের এই ঘটনা ইরানগেট স্ক্যান্ডাল নামে এখন পরিচিত। পশ্চিমা শক্তির উচিত এই ভণ্ডামি ত্যাগ করে জিহাদিস্টদের অর্থ ও অস্ত্র জোগান দেওয়া বন্ধ করা। একমাত্র তাহলেই এই জিহাদিস্টরা দমিত ও পরাজিত হতে পারে এবং বিশ্বের নিরীহ নরনারী এই অব্যাহত সন্ত্রাসের বর্বরতা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারে।

 

লন্ডন, সোমবার, ২৮ মার্চ ২০১৬

সম্পাদক : ইমদাদুল হক মিলন,
নির্বাহী সম্পাদক : মোস্তফা কামাল,
ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পক্ষে ময়নাল হোসেন চৌধুরী কর্তৃক প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বসুন্ধরা, বারিধারা থেকে প্রকাশিত এবং প্লট-সি/৫২, ব্লক-কে, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, বাড্ডা, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ : বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯। পিএবিএক্স : ০২৮৪০২৩৭২-৭৫, ফ্যাক্স : ৮৪০২৩৬৮-৯, বিজ্ঞাপন ফোন : ৮১৫৮০১২, ৮৪০২০৪৮, বিজ্ঞাপন ফ্যাক্স : ৮১৫৮৮৬২, ৮৪০২০৪৭। E-mail : info@kalerkantho.com