kalerkantho

হুমায়ূন কুইজ

হুমায়ূন আহমেদ ছোটদের জন্যও চমৎকার কিছু বই লিখেছেন। ১৩ নভেম্বর তাঁর জন্মদিনকে সামনে রেখে এসব বই থেকে কিছু কুইজ দিচ্ছি তোমাদের। দেখি তো উত্তর দিতে পারো কি না! না পারলেও দুশ্চিন্তার কিছু নেই। উত্তর থাকছে নিচেই

৯ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



টুকুনের কথা কেউ বিশ্বাস করে না।

টুকুন কিছু বলতে গেলেই তার মা চোখ বড় বড় করে বলেন, ‘আবার? আবার? চুপ কর বললাম। কিচ্ছু শুনতে চাচ্ছি না।’

টুকুন করুণ গলায় বলে, ‘শুনতে চাচ্ছ না কেন মা?’

টুকুনের মা বিরক্ত গলায় বলেন, ‘তোমার বানানো গল্প শুনে কান ঝালাপালা হয়েছে। এই জন্যেই শুনতে চাচ্ছি না।’

বলো তো টুকুন চরিত্রটির দেখা পাবে কোন বইয়ে?

এক দেশে একটা পিঁপড়া ছিল। মানুষের হিসাবে তার বয়স তেরো বছর। তার চোখ ঝকঝকে নীল। বলো তো পিঁপড়াটার নাম কী?

 

গভীর বেদনায় আমার চোখে পানি এসে গেল। আমি মনে মনে বললাম, ‘ভূত ভাই, তুমি সত্যি হও আর মিথ্যাই হও, আমি সারা জীবন তোমাকে ভালোবেসে যাব। তুমি যেখানেই থাক—ভালো থেকো, সুখে থেকো।’

একটি বইয়ের শেষ অংশ। বইটির নাম বলতে পারবে?

 

রোগা ছেলেটার পরনে শুধু একটা নীল প্যান্ট। মুখ গোলগাল। তার একটা কুকুরছানা আছে। সে নানা ধরনের কাণ্ডকীর্তি করে। যেমন—রিকশার চাকার হাওয়া ছেড়ে ঝেরে দৌড় দেয়, অদৃশ্য বোতল থেকে অদৃশ্য পাইপ দিয়ে ফান্টা খায়। ছেলেটার নাম কী?

 

আখলাক সাহেবের শান্তি বিঘ্নিত হচ্ছে। কারণ তাঁর বাড়িতে শুরু হয়েছে ভূতের উপদ্রব। ভয় না পেলেও ভীষণ লজ্জা পাচ্ছেন তিনি। কোন বইয়ের ঘটনা এটি?

 

দুপুরে নুহাশ কিছু খেল না। কারণ দুপুরে তার জ্বর এল। বেশ ভালো জ্বর। থার্মোমিটার দিলে এক শ দুই কিংবা তিন হবে। বুয়া থার্মোমিটার দেখতে জানে না। নুহাশও জানে না। কিন্তু সে বুঝতে পারছে জ্বর অনেক বেশি। যখন জ্বর অনেক বেশি হয় তখন শরীর হালকা হয়ে যায়। কিন্তু মাথা হয়ে যায় ভারি। মনে হয় মাথাটা বিছানায় পড়ে আছে, আর শরীরটা আকাশে উঠে যাচ্ছে।

হুমায়ূন আহমেদের একটি বইয়ের অংশ এটি। বলো তো সন্ধ্যা ৬টার দিকে ডাক্তার এসে নুহাশের জ্বর কত পেলেন?

‘সূর্যের দিন’ বইয়ে শুরু হয়েছে যে চরিত্রটি দিয়ে, সে মে মাসের শেষ দিকে মক্তিবাহিনীতে যোগ দেওয়ার জন্য পালিয়ে যায়। ছেলেটার আর কোনো খোঁজ মেলেনি। ওর নাম বলতে পারবে?

 

বিড়াল পরিবার মহানন্দে খেয়ে যাচ্ছে। আফসার সাহেবের রাগ ক্রমেই বাড়ছে। তিনি ঠিক করে ফেললেন—ডানপায়ে বিড়ালটার গায়ে একটা দুর্দান্ত কিক বসাবেন, যাতে সে ভবিষ্যতে কখনো এভাবে তাকে অপদস্থ না করে। কিক বসাতে যাবেন তখন একটা ব্যাপার ঘটল। তিনি পরিষ্কার শুনলেন মা বিড়ালটা যেসব কথা বলছে তা তিনি বুঝতে পারছেন। ম্যাঁও ম্যাঁও করেই নিচু গলায় কথা বলছে কিন্তু তিনি প্রতিটি শব্দ বুঝতে পারছেন। এ কী অদ্ভুত কাণ্ড! কোন বই থেকে নেওয়া হয়েছে লাইন কয়টি?

উত্তর : একি কাণ্ড!; পিপলী বেগম; বোতল ভূত; অন্তু মিয়া; ভয়ংকর ভুতুড়ে; ১০৩.৫; খোকন; বিপদ (কুইজ অনুযায়ী ধারাবাহিকভাবে দেওয়া আছে)



মন্তব্য