kalerkantho


বিশ্বসাহিত্য

ফিউচার লাইব্রেরিতে এলিফ শাফাক

২৯ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



ফিউচার লাইব্রেরিতে এলিফ শাফাক

কানাডার মার্গারেট অ্যাটউড, যুক্তরাজ্যের ডেভিড মিচেল ও আইসল্যান্ডের সিয়নের পর ‘ফিউচার লাইব্রেরি’ বা ‘আগামীর গ্রন্থাগার’ প্রকল্পে লেখকদের তালিকায় যুক্ত হলেন তুরস্কের ঔপন্যাসিক এলিফ শাফাক। ‘ফিউচার লাইব্রেরি’ হচ্ছে একটি সর্বজনীন শিল্পকর্ম, যেটি গড়ে উঠবে আগামী ১০০ বছর ধরে। ২০১৪ সাল থেকে ২১১৪ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর একজন জনপ্রিয় লেখকের কাছ থেকে একটি করে রচনা সংগ্রহ করা হবে। এরপর এই রচনাগুলোর একটি সংকলন প্রকাশ করা হবে। আর সংকলনের কপিও হবে নির্দিষ্টসংখ্যক—মাত্র ১০০টি। নরওয়ের রাজধানী অসলোর নডমার্কা বনে এক হাজার বিশেষ গাছ লাগানো হয়েছে। এই গাছগুলো থেকে তৈরি কাগজেই ছাপা হবে ফিউচার লাইব্রেরির ওই বিশেষ বইটি। এই প্রকল্পের স্বপ্নদ্রষ্টা হচ্ছেন স্কটিশ শিল্পী কেটি প্যাটারসন। ফিউচার লাইব্রেরির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, প্রতিবছর বিশ্বের একজন জনপ্রিয় লেখককে এর লেখকতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আর তাঁরা যে লেখা বইটির জন্য দেবেন, তা ২১১৪ সালে প্রকাশের আগে পর্যন্ত কারো পড়ার সুযোগ নেই। কারণ পাণ্ডুলিপি প্রকাশের আগ পর্যন্ত অসলোর পাবলিক লাইব্রেরিতে একটি বিশেষ ঘরে এগুলো তালাবদ্ধ থাকবে। এলিফ শাফাকের আগে লেখকতালিকায় অ্যাটউড, ডেভিড ও সিয়ন অন্তর্ভুক্ত হন। এলিফকে বিবেচনা করা হয় তুরস্কের সবচেয়ে জনপ্রিয় নারী ঔপন্যাসিক হিসেবে। এলিফ লিখে থাকেন মূলত তুর্কি ও ইংরেজি ভাষায়। এ পর্যন্ত তাঁর ১৫টি বই প্রকাশিত হয়েছে, যার মধ্যে ১০টিই উপন্যাস।


রিয়াজ মিলটন
 



মন্তব্য