kalerkantho


আলোচিত যত অপরাধ

৩১ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



বছরের শেষ দিকে একের পর এক ছিনতাইয়ের ঘটনা নাগরিক জীবনে উত্কণ্ঠা তৈরি করে। গত ১৮ ডিসেম্বর রাজধানীর দয়াগঞ্জে টানা পার্টির কবলে পড়ে ছয় মাসের এক শিশু নিহত হয়। গত ২০ জুলাই সকালে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে নীতিমালা প্রণয়নসহ সাত দফা দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে পুলিশের টিয়ার গ্যাসের শেলে তিতুমীর কলেজের ছাত্র সিদ্দিকুর রহমানের দুই চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে সরকারের পক্ষ থেকে তাকে উন্নত চিকিত্সার জন্য ভারতের চেন্নাইয়ে নেওয়া হয়। তবে চোখ আর ভালো হয়নি তাঁর। ২০১৬ সালের শেষ দিন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে নিজ বাড়িতে ঢুকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় হকচকিয়ে ওঠে দেশবাসী। ২০০৫ সালে হবিগঞ্জে আওয়ামী লীগের শাহ এ এম এস কিবরিয়াকে হত্যার এক দশক পর কোনো সংসদ সদস্য হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। প্রথমে জামায়াতে ইসলামীকে সন্দেহ করা হলেও ২০১৭ সালের প্রথম দিকে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে। জাতীয় পার্টির এমপি প্রার্থী কর্নেল (অব.) ডা. আবদুল কাদের খানকে গ্রেপ্তার করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেন।  ২০ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় বিশেষ ডিভাইসের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস করার জালিয়াতি ধরা পড়ে। ১০ নভেম্বর রংপুরের টিটু রায় নামের এক যুবকের ফেসবুকের স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে ঠাকুরপাড়ায় হিন্দু পল্লীতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দেশে-বিদেশে ব্যাপক তোলপাড় হয়।


মন্তব্য