kalerkantho


চিকুনগুনিয়ার কাছে অসহায়

৩১ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



এ বছরের এপ্রিল মাস থেকে রাজধানী ঢাকায় ব্যাপক আকারে ধরা পড়ে ভাইরাসজনিত জ্বর চিকুনগুনিয়া। এ ভাইরাসটি অক্টোবর পর্যন্ত মানুষকে ভুগিয়েছে। এ রোগে আক্রান্ত হলে রোগীর শরীরে নানা অসংগতি দেখা দেয়। মাথাব্যথা, সর্দি, বমি বমি ভাব, হাত-পা ও আঙুলের গিঁটে ব্যথা, ফোসকা পড়া ছাড়াও শরীর বেঁকে যেতে পারে। এ ভাইরাস মশা থেকে মানুষের শরীরে ছড়ায়। সাধারণত মশা কামড়ানোর পাঁচ দিন পর থেকে শরীরে লক্ষণগুলো ফুটে ওঠে। এডিস অ্যালবোপিকটাস ও এডিস এজিপটি প্রজাতির মশার কামড় থেকে এ রোগে আক্রান্ত হয় মানুষ। এটি একটি বাহকবাহিত রোগ। প্রতিবছর বিশ্বে বাহকবাহিত রোগে এক কোটি মানুষ আক্রান্ত হয়। আগের বছর ভারতে প্রায় ১২ লাখ মানুষ এ ধরনের রোগে আক্রান্ত হয়। ২০১৭ সালে মৌসুমের আগেই বর্ষা শুরু হওয়ায় বাংলাদেশেও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ শুরু হয়। এ রোগে আক্রান্তদের মধ্যে ৯২ শতাংশের জ্বর ও ৮২ শতাংশের ক্ষেত্রে গিঁটে ব্যথার লক্ষণ সুস্পষ্ট। ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন এলাকায় এ রোগের বিস্তার ঘটে। চিকুনগুনিয়ার প্রকোপের পর সমালোচিত হন ঢাকার দুই নগরপিতা। সময়মতো মশা নিধন করতে না পারায় চিকনগুনিয়ার হার বেড়েছে বলে চিকিসত্সক ও নাগরিক সমাজ অভিমত ব্যক্ত করে।

 


মন্তব্য