kalerkantho


শেষ দিকে এসে চাঙ্গা বিএনপি

৩১ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



বিগত কয়েক বছরের মতো জাতীয় কোনো ইস্যু কিংবা দলীয় কর্মসূচিতে তেমন সক্রিয় ছিল না বিএনপি। বছরজুড়ে ঘরোয়া রাজনীতিতেই ব্যস্ত ছিল দলটি। চিকিত্সার জন্য ১৫ জুলাই লন্ডনে যান খালেদা জিয়া এবং বড় ছেলে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাসায় ওঠেন। লন্ডনে ৯৫ দিনের চিকিত্সা শেষে ১৮ অক্টোবর দেশে ফেরেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সেদিনই ঢাকার বিমানবন্দর সড়ক থেকে গুলশান পর্যন্ত ব্যাপক শোডাউন করে রাজপথের বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা। এর মধ্য দিয়ে সবার মধ্যে চাঙ্গাভাব। এরপর রোহিঙ্গাদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি ঘোষণা করেন খালেদা জিয়া এবং ২৮ অক্টোবর সড়কপথে গাড়িবহর নিয়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। পথে পথে দলটির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী তাঁকে শুভেচ্ছা জানায়। সড়কে দলীয় চেয়ারপারসনকে সংবর্ধনা দিতে এসে নানা আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় নেতারা নিজেদের আগামী নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করেন। গোটা চট্টগ্রাম জোনে নেতাকর্মীদের মধ্যে আলাদা সাড়া ফেলে খালেদা জিয়ার এই সফর।

এরই মধ্যে ফেনীতে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর পৌঁছানোর পর হামলার শিকার হয়। এরপর চট্টগ্রামে গিয়েও হামলার মুখে পড়ে। পরের দিন চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারে যান তিনি। সেখানে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন ও নির্যাতিতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন। তাঁর ফেরার পর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি চায় বিএনপি। ১২ নভেম্বর অনুমতি মেলে। সমাবেশে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত হয়। তারা ঘরে ফেরে দলীয় চেয়ারপারসনের কাছ থেকে জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের বার্তা নিয়েই।


মন্তব্য