kalerkantho


যাঁরা বিষণ্ন করে গেলেন

৩১ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



যাঁরা বিষণ্ন করে গেলেন

সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত

৫ ফেব্রুয়ারি মারা যান প্রবীণ রাজনীতিবিদ আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। তিনি ১৯৭৯ সালের সংসদে ছিলেন একতা পার্টির হয়ে। ১৯৯১ সালের সংসদে গণতন্ত্রী পার্টি থেকে নির্বাচিত হন তিনি। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত আওয়ামী লীগে যোগ অষ্টম, নবম ও দশম সংসদে নির্বাচিত হন।

লাকী আখন্দ্

২১ এপ্রিলে মারা যান মুক্তিযোদ্ধা, শিল্পী, গীতিকার ও সুরকার লাকী আখন্দ্। ‘এই নীল মনিহার, আমায় ডেকো না, আগে যদি জানতাম’ এর মতো বহু জনপ্রিয় গান তিনি গেয়েছেন। শৈশবেই সংগীতশিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন লাকী আখন্দ্।

সুধীন দাশ

উপমহাদেশের বিশিষ্ট সংগীতজ্ঞ, স্বরলিপিকার, নজরুল গবেষক সুধীন দাশ ২৭ জুন মারা যান। নজরুল সংগীতের আদি গ্রামোফোন রেকর্ডের বাণী ও সুর অনুসারে স্বরলিপি গ্রন্থ তিনি লিখেন।

 তিনিই প্রথম লালনগীতির স্বরলিপি গ্রন্থ প্রকাশ করেছেন।

করুণাময় গোস্বামী

৩০ জুন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সংগীত গবেষক করুণাময় গোস্বামী মারা যান। একুশে পুরস্কার ও স্বাধীনতা পুরস্কারখ্যাত এই শিক্ষাবিদ ও সংগীত গবেষকের ১৯টি গ্রন্থ রয়েছে।

শহীদুল হক মামা

৩০ জুন মারা যান মুক্তিযুদ্ধকালে মামা গেরিলা বাহিনীর প্রধান মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল হক মামা। মুক্তিযুদ্ধকালে দুই নম্বর সেক্টরের মেলাঘর ইউনিটের প্রধান শহীদুল হক সে সময় বিহারিদের দখলে থাকা দুর্ভেদ্য ঘাঁটি মিরপুর মুক্ত করেন।

দ্বিজেন শর্মা

প্রকৃতিপ্রেমী, নিসর্গের মানুষ দ্বিজেন শর্মা মারা যান ১৫ সেপ্টেম্বর। নিসর্গ নিয়ে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থের মধ্যে ‘সপুষ্পক উদ্ভিদের শ্রেণিবিন্যাস’, ‘ফুলগুলি যেন কথা’, ‘গাছের কথা ফুলের কথা’ অন্যতম।

নায়করাজ রাজ্জাক

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক ২১ আগস্ট মারা যান। অভিনয় জীবনে তিনি বেহুলা, আগুন নিয়ে খেলা, এতটুকু আশা, নীল আকাশের নিচে, জীবন থেকে নেওয়া, ওরা ১১ জন, অবুঝ মনসহ মোট ৩০০ বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি ১৬টি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন।



আব্দুল জব্বার

সংগীত শিল্পী আব্দুল জব্বার ৩০ আগস্ট মারা যান। গুণী এই শিল্পী  বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত সালাম সালাম হাজার সালামসহ অনেক উদ্বুদ্ধকরণ গানের গায়ক।

কাজী সিরাজ

১ সেপ্টেম্বর মারা যান বরেণ্য সাংবাদিক-কলামিস্ট, লেখক ও মুক্তিযোদ্ধা কাজী সিরাজ (৭০)। টানা চার যুগ সাংবাদিকতায় নিবেদিত কাজী সিরাজ সর্বশেষ সাপ্তাহিক রোববার-এ  উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন।

এম কে আনোয়ার 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী এম কে আনোয়ার ২৩ অক্টোবর মারা যান।  ১৯৯০ সালে এম কে আনোয়ার রাজনীতির মাঠে নামেন, যোগ দেন বিএনপিতে। ২০০১-২০০৬ মেয়াদে কৃষিমন্ত্রী ছিলেন।

বারী সিদ্দিকী 

২৪ নভেম্বর মারা যান খ্যাতিমান সংগীত শিল্পী, গীতিকার ও বংশীবাদক বারী সিদ্দিকী। তিনি মূলত গ্রামীণ লোকসংগীত ও আধ্যাত্মিক ধারার গান করতেন। তাঁর অসংখ্য গান বহুল জনপ্রিয়।

আনিসুল হক

৩০ নভেম্বর মারা যান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়ার আনিসুল হক। ২৯ জুলাই ব্যক্তিগত সফরে সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান মেয়র আনিসুল হক। মাত্র আড়াই বছর তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ঢাকায় বহু নাগরিক সংকট সমাধান করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী

১৫ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী মারা যান।   চট্টগ্রামের মেয়র ছিলেন ১৬ বছর। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি ছিলেন চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি। মহিউদ্দিন চৌধুরী স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাখেন।

মুহাম্মদ ছায়েদুল হক

১৬ ডিসেম্বর চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান মত্স্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মুহাম্মদ ছায়েদুল হক। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে শেখ হাসিনার সরকারে মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান প্রবীণ এই নেতা।


মন্তব্য