kalerkantho


তাঁদের অভিনয়ের ঝলক

কাল মুক্তি পাচ্ছে গায়িকা রিহানা অভিনীত ‘ওশান’স এইট’। গায়িকাদের অভিনয়ের ঝলক দেখানো এই প্রথম নয়। সাড়া-জাগানো কয়েকটির কথা জানাচ্ছেন লতিফুল হক

৭ জুন, ২০১৮ ০০:০০



তাঁদের অভিনয়ের ঝলক

ম্যাডোনা

গানের পাশিপাশি অভিনয়ও সমানতালে চালিয়ে গেছেন ম্যাডোনা। তবে ‘বডি অব এভিডেন্স’-এ তাঁর আবেদনময়ী উপস্থিতি ছাড়িয়ে যায় আগের সবকিছুকে। এই ছবি বলা যায় তিনি একাই টেনেছেন। ছবিটিতে তাঁর প্রভাবও ছিল ব্যাপক, সহ-অভিনেতা উইলেম ডাফোকে তিনিই বেছে নিয়েছিলেন। ছবির অন্তরঙ্গ দৃশ্যগুলো সব নিজেই করেন ম্যাডোনা। এরপর ম্যাডোনার আরেকটি আলোচিত ছবি ‘সোয়েপ্ট অ্যাওয়ে’। এখানেও পাওয়া যায় আবেদনময়ী ম্যাডোনাকে।

 

এলভিস প্রিসলি

১৯৫৬ সালে ‘লাভ মি টেন্ডার’ দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক। এরপর ‘লাভিং ইউ’, ‘জেলহাউস রক’, ‘কিং ক্রেওল’ও ছিলেন এই কিংবদন্তি গায়ক। তবে এগুলোতে প্রিসলি গায়ক, চরিত্রগুলো লেখা হয় তাঁর কথা ভেবেই। তবে প্রিসলির নিজের পছন্দ ‘কিং ক্রেওল’। ১৯৫৮ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবিতে নিজের সেরা কাজ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

 

ডেভিড বোওয়ি

বড় পর্দায় তো বটেই; থিয়েটারেও কাজ করেছেন এই ব্রিটিশ শিল্পী। ১৯৭৬ সালে মুক্তি পাওয়া সায়েন্স ফিকশন ‘দ্য ম্যান হু ফেল টু আর্থ’ তাঁর উল্লেখযোগ্য ছবি। এ ছাড়া ১৯৮৩ সালের ব্রিটিশ আমেরিকান ইরোটিক হরর ‘দ্য হাঙ্গার’-এও দুর্দান্ত করেন এই গায়ক। ছবিটি কান চলচ্চিত্র উত্সবে দেখানো হয়েছিল।

 

মারায়া ক্যারি

১৯৯৯ সালে ‘দ্য ব্যাচেলর’ দিয়ে অভিষেকের পর প্রায় ডজনখানেক ছবি করেছেন গায়িকা, তবে সবচেয়ে বেশি মনে রাখার মতো কাজ ‘গ্লিটার’। এই রোমান্টিক মিউজিক্যালটি তেমন সাফল্য না পেলেও ছবির গানগুলো সুপারহিট হয়। ব্যাণিজ্যিকভাবে যা ছবির ক্ষতি পুষিয়ে দেয় অনেকটাই। এরপর ‘ওয়াইজ গার্লস’, ‘আ ক্রিসমাস মেলেডি’ ইত্যাদি ছবি করেন গায়িকা।

 

ব্রিটনি স্পিয়ার্স

২০০২ সালে টিন কমেডি ড্রামা ‘ক্রসরোডস’-এ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র করেন ব্রিটনি। জোয়ি সালদানার সঙ্গে রীতিমতো পাল্লা দিয়ে কাজ করেছিলেন গায়িকা। ছবিটি ব্যাবসায়িক সাফল্যও পেয়েছিল। কিন্তু আশ্চর্য, এরপর আর সেভাবে ছবি করেননি গায়িকা।

 

জেনিফার লোপেজ

তিনি গায়িকা নাকি নায়িকা বোঝা মুশকিল। মূলত গায়িকা হলেও অভিনয়েও সমান ঝলক দেখিয়েছেন লোপেজ। মাত্র ১৬ বছর বয়সে ‘মাই লিটল গার্ল’-এ ছোট একটি চরিত্র করেছিলেন। এরপর টিভি আর সিনেমায় বেশি কিছু কাজ করলেও জনপ্রিয়তা মেলেনি। কিন্তু ১৯৯৭ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সেলেনা’ তাঁর অভিনয় ক্যারিয়ারে নতুন গতি সঞ্চার করেন। ব্যাবসায়িকভাবে সফল এই ছবি সমালোচকদের কাছেও ব্যাপক প্রশংসা পান। ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্র করেন লোপেজ। পরে ‘অ্যানাকোন্ডা’, ‘ইউটার্ন’, ‘আউট অব সাইট’, ‘দ্য সেল’, ‘পার্কার’ ইত্যাদি জনপ্রিয় ছবিতেও দেখা গেছে তাঁকে। অভিনয়ের সঙ্গে হালে প্রযোজনাও শুরু করেছেন লোপেজ।

 

সেলেনা গোমেজ

শুরুতে তিনি ছিলেন অভিনেত্রী। বাচ্চাদের টিভি শো দিয়েই যাত্রা শুরু। পরে পুরো মাত্রায় গায়িকা হয়ে গেলেও অভিনয় বাদ দেননি। ‘অ্যানাদার সিনড্রেলা স্টোরি’, ‘প্রিন্সেস প্রটেকশন প্রগ্রাম’, ‘মন্টে কার্লো’, ‘স্প্রিং ব্রেকারর্স’ ইত্যাদি ছবির গুরুত্বপূর্ণ বা প্রধান চরিত্র করেছেন। এগুলোর সবই টিন ছবি। তবে ২০১৩ সালে এথান হকের সঙ্গে অ্যাকশন থ্রিলার ‘গেটওয়ে’তেও দেখা যায় সেলেনাকে।

 

হুইটনি হিউস্টন

রোমান্টিক থ্রিলার ‘দ্য বডিগার্ড’ দিয়ে রীতিমতো পেশাদার অভিনেত্রীদের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন তিনি। ১৯৯২ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবিটি সারা দুনিয়াতেই ব্যাপক ব্যবসাসফল হয়। ছবির গানগুলোও ছিল ব্যাণিজ্যিকভাবে সফল। সর্বকালের সেরা ব্যবসাসফল সিনেমার

গানের তালিকায় আছে গানগুলো। এরপর আরো দুটো ছবি করেছেন গায়িকা, তবে কোনোটাই প্রথমটির জনপ্রিয়তা ছাড়িয়ে যেতে পারেনি।

দ্য ম্যান হু ফেল টু আর্থ’-এ ডেভিড বোওয়ি



মন্তব্য