kalerkantho


উড়ছে ‘রেড ভেলভেট’

১ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



উড়ছে ‘রেড ভেলভেট’

গত বছর প্রকাশিত ‘রেড ভেলভেট’ অ্যালবামের সঙ্গে নতুন তিনটি গান যোগ করে ‘দ্য পারফেক্ট রেড ভেলভেট’ নিয়ে এসেছে রেড ভেলভেট। অ্যালবামের ‘ব্যাড বয়’ গানটি ঝড় তুলেছে ইউটিউবে। ব্যান্ডটি নিয়ে লিখেছেন আবু সালেহ শফিক

 

ব্যান্ডটি তৈরি করতে সাত বছর লেগেছে এসএম এন্টারটেইনমেন্টের। ২০০৭ সালে প্রথম জোগাড় করা হয় সিউলগিকে। তারপর ২০০৯ সালে আসেন আইরিন, ২০১১ সালে ইয়েরি। ওয়েন্ডি আর জয়কে পাওয়া যায় পরের বছর কোরিয়া ও কানাডায় অডিশন চালিয়ে। সব মিলিয়ে পাঁচজন সদস্য। সবাই মেয়ে। দক্ষিণ কোরিয়া কাঁপিয়ে এখন পৃথিবী কাঁপানোর জন্য তৈরি ‘রেড ভেলভেট’। দক্ষিণ কোরিয়ার হয়ে যাওয়া শীতকালীন অলিম্পিকে ফিগার স্কেটিং ইভেন্টে রেড ভেলভেটের গানেও নেচেছেন স্কেটাররা। সাফল্য দলটির সঙ্গে থেকেছে শুরু থেকেই। ২০১৪ সালে প্রকাশ পায় তাদের প্রথম সিঙ্গেল ‘হ্যাপিনেস’। ২০১৫ সালে প্রথম ইপি ‘আইসক্রিম কেক’, যেটি দক্ষিণ কোরিয়ার গাওন অ্যালবাম চার্টের শীর্ষস্থান দখল করে। সে বছরই আসে প্রথম পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম ‘দ্য রেড’। তারপর আসে ইপি ‘দ্য ভেলভেট’, ‘রাশিয়ান রুলেট’, ‘রুকি’ ইত্যাদি। সবই গাওনের মাথায় চড়ে বসে। এখন তাঁরা আলোচনায় ‘দ্য পারফেক্ট রেড ভেলভেট’ দিয়ে। অ্যালবামের ‘ব্যাড বয়’ গানটি এখন শোনা যাচ্ছে চারদিকে। এক মাসেরও কম সময়ের ব্যবধানে পাঁচ কোটিরও বেশি ভিউয়ার পেয়েছে গানটির ভিডিও, যাতে কমেন্ট পড়েছে দেড় লাখের বেশি। আর লাইক দিয়েছে ১০ লাখের বেশি মানুষ। এই বছরই পাঁচ বছরে পা দিয়েছে তারা। সেই উপলক্ষে হাই কাট ম্যাগাজিন তাদের একটি সাক্ষাৎকার ছাপে। তারই নির্বাচিত অংশ এখানে—  

 

আইরিন, আপনি তো ডায়েরি লিখতে পছন্দ করেন।

হ্যাঁ, প্রতিদিন লিখতে চাই। কিন্তু শোর সময়গুলোতে শিডিউল লিখতে লিখতে অনেক সময় চলে যায়। অনেক সময় দলের ম্যানেজারকেও নোট পাঠাতে হয়। আমি অনেক সিনেমা দেখি। সেগুলো নিয়ে লিখতেও ভালো লাগে।

 

সেদিন কনসার্টের দিনটির কথা মনে আছে?

আমি কান্না করে ফেলেছিলাম। রিহার্সাল দিতে উঠে দেখি সামনের সব সিট খালি। ভয় পেয়ে গেলাম এই ভেবে, এগুলো ভরবে তো? দিনটা ছিল মেঘলা, খুশির কথা হলো গান করার সময় বাইরেও অনেক লোক অপেক্ষা করছিল।

 

এখন কেমন যাচ্ছে?

এখন আমি নিজেকে বেশি করে দেখতে পাচ্ছি। আরো আরো নিজের নিকটবর্তী হচ্ছি। আগের চেয়ে অনেক পরিবর্তন আমার। আগেও নিজেকে ভালোবাসতাম। এখন বুঝি আরো ভালোবাসি!

 

২০১৮ সালে কী চান?

ভালো শ্রোতা হতে চাই, ভালো বক্তাও।

 

সিউলগি কেমন আছেন? আপনি তো ছবি আঁকেন, তাই না?

অনেক দিন আঁকা হয়নি। তবে এখন আমার নিজের ড্রইং স্টাইল খুঁজছি। আগে তো কপি করতাম শুধু।

 

২০১৮ সালের পরিকল্পনা কী?

কিছু নিয়ে উদ্বেগ করা সমাধানের উপায় নয়। আমি এখন সহজ আর মজার জীবন যাপনের কথা ভাবছি।

 

ওয়েন্ডি তো বিফ খেয়ে গত বছরটা শেষ করে দিলেন, তাই না?

আরে! আপনি জানলেন কিভাবে? আহা, যা দারুণ ছিল খেতে!

 

সামনের দিনগুলো কিভাবে কাটাতে চান?

অনেক নতুন নতুন বন্ধু বানাতে চাই। ফটোশুটের জন্য প্রচুর জামাকাপড় কিনতে চাই।

 

জয়, চলতি বছর আপনার ইচ্ছা কী?

সুখী হতে চাই, সব সময় হাসি-খুশি থাকতে চাই।

 

ইয়েরি, আপনি তো ২০ বছরে পা দিলেন। কেমন লাগছে?

আহ্, অনেকে আমার বয়স জেনে ফেলেছে! যাই হোক মাইন্ড করলাম না। এ বছর আমি ড্রাইভিং লাইসেন্স পাব, এটাই খুশির ব্যাপার।

 

এখনকার দিনগুলো কেমন যাচ্ছে?

অনেক বই কিনছি। আমি বইয়ের দোকানে যেতে পছন্দ করি, কারণ সেখানে বিরক্ত করার লোক বেশি থাকে না। দোকানে গিয়ে বইয়ের ভিড়ে হারিয়ে যাই।

 

বলেন দেখি কী কী বই কিনেছেন?

দ্য লিটল প্রিন্স, কনফেশনস, নরওয়েজিয়ান উড।

 

২০১৮ সালে কেমন থাকতে চান?

সুখে থাকতে চাই।


মন্তব্য