kalerkantho


শোভনের চিঠি

রোজ ওষুধ খাওয়ার মতো নিয়ম করে চিঠি লেখেন শোভন। সিটি করপোরেশন থেকে ফোন কম্পানি পর্যন্ত। এ পর্যন্ত চার হাজার চিঠি লিখেছেন শোভন। কাজও হয়েছে কিছু। চিঠিতে নয় সশরীরেই তার খোঁজ নিতে গিয়েছিলেন সানজাদুল ইসলাম সাফা

৩০ জানুয়ারি, ২০১৬ ০০:০০



শোভনের চিঠি

শোভনের জন্ম ১৯৮২ সালে। পড়াশোনায় বেশি ভালো ছিলেন না। স্কুল পালানোর ফিকিরেই সময় যেত। কিন্তু মা রাখতেন কড়া নজর। নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় কিছুটা মুক্তি মিলল। বাল্লা লোকাল, চাঁদপুর লোকাল আর কর্ণফুলীতে চেপে দূরে দূরে চলে যেতেন। মাকে জানিয়েই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একবার দাদার বাড়ি গিয়েছিলেন। ফেরার দিন গেলেন পাগাচং স্টেশনে। টিকিট কেনার পর দেখলেন, গায়ে লেখা দামের চেয়ে দুই টাকা বেশি রেখেছে। অভিযোগ দিতে গেলেন সহকারী স্টেশন মাস্টারের কাছে। তিনি জানালেন, এখনকার মূল্য এটাই, টিকিট আগে ছাপানো হয়েছে। শোভন বললেন, তাহলে নোটিশ টানান। এরপর শোভন যান ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশন মাস্টারের কাছে। মাস্টার তাঁকে পুরো বিষয়টি বুঝিয়ে বললে তিনি চিঠি লেখেন পূর্বাঞ্চল রেলের সদর দপ্তর, চট্টগ্রামে। সেটাই শুরু। প্রতিকার চেয়ে এখন পর্যন্ত চার হাজার চিঠি লিখেছেন শোভন। চিঠি লেখেন ব্লগেও।

ঢাকায় এলেন

২০০৫ সাল। প্রথম দুই বছরে প্রায় ৪০০ চিঠি ছোট-বড় বিভিন্ন পত্রিকায় ছাপা হয়। চিঠিগুলো ছিল যানজট, যত্রতত্র পার্কিং, ময়লা-আবর্জনা ইত্যাদি বিষয়ে। সে সময় কর্তাব্যক্তিরা যানজটের কারণ হিসেবে রিকশাকে দায়ী করতেন। শোভন লিখলেন, আসলে প্রাইভেট কার যানজটের অন্যতম কারণ। তিনি নজর কাড়তে একই বিষয়ে ভাই, বন্ধু, সহকর্মীদের নাম দিয়েও চিঠি পাঠাতেন। পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) সঙ্গে কাজ করা শুরু করেন ঢাকায় আসার পরপরই। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংগঠনটির প্রেস রিলিজ পৌঁছে দেওয়ার সময় নিজের লেখা একটি চিঠিও দিতেন। প্রামাণ্যচিত্র, গবেষণাপত্র বা পবার ফিল্ড রিপোর্ট দেখে তিনি তথ্যাদি সংগ্রহ করতেন এবং চিঠিতে সেই মতো আবেদন জানাতেন। তারপর যখন নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখতেন, তখন ছাপা হওয়া চিঠি সংযুক্ত করতেন। পত্রিকার প্রতিবেদকদেরও তিনি অনেক চিঠি লিখেছেন। কখনো জনস্বার্থ বিষয়ে লেখা ছাপানোর জন্য, কখনো বা প্রয়োজনীয় বিষয় নজরে আনার জন্য।

 

উৎসাহ পেয়েছেন ভালো

বহু মানুষ তাঁকে চিঠি লেখায় উৎসাহ দিত, বিশেষ করে পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খান তাঁকে খুবই উৎসাহ দেন। শোভন অনুষ্ঠানাদিতে তাঁর ছাপা হওয়া চিঠির ফটোকপি নিয়ে যেতেন। যেন অন্যরা উৎসাহী হয়। যখন কোনো চিঠি সাড়া তৈরি করত না, তখন তিনি দুই তরফা চেষ্টা চালাতেন। ফের লিখতেন পত্রিকায়, লিখতেন দপ্তরের কর্তাব্যক্তিকেও। মাঝেমধ্যে উত্তর দিত কর্তৃপক্ষ। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বেশি উত্তর দেয় না। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক, ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছ থেকে উত্তর পেয়েছেন। পেয়েছেন বিশ্বব্যাংকের চিঠি।

ঘটনাটি লালবাগের

পরিবেশ আন্দোলনের কাজে একবার লালবাগ কেল্লায় গিয়ে দেখেন দেয়াল ঘেঁষে কিছু একটা হচ্ছে। শোভন কেল্লার লে-আউট, নকশা আর সীমানা সম্পর্কে খোঁজখবর করতে লাগলেন। মেইলও লিখলেন অনেককে। ফ্রান্সের একজন মানুষ, নাম পিটার, জানালেন, ব্রিটিশ মিউজিয়ামে তথ্য থাকতে পারে। তিনি মিউজিয়ামকে বললেন, ‘আমরা লালবাগ স্থাপনা রক্ষায় কাজ করছি। কিন্তু আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য নেই।’ ফিরতি মেইলে মিউজিয়াম জানায়, তাঁরা সহযোগিতা করতে আগ্রহী এবং এশিয়া ডিপার্টমেন্টকে ইতিমধ্যেই অবহিত করা হয়েছে। পরে তারা ই-মেইলে কেল্লার নকশা এবং ডাকযোগে ১৯৬৮ সালের একটি বই শোভনকে পাঠিয়েছিল।

 

মাকে দেখে শিখেছেন

ছোটবেলায় মাকে দেখতেন কেউ অসুস্থ হলে সেবা দিতে। হাসপাতালেও নিয়ে গেছেন অনেককে। পড়াশোনার জন্য গ্রাম থেকে যারা আসত তাদের ভরসা হয়ে উঠেছিলেন শোভনের মা। বয়োজ্যেষ্ঠদের কাছে শোভনের মা হয়ে উঠেছিলেন নিজের মেয়ে। তাঁরা শেষ মুহূর্তে শোভনের মায়ের হাতের পানি খেতে চাইতেন। এসব দেখেই শোভন মানুষের জন্য কিছু করার শিক্ষা পেয়েছেন। একবার ২০০০ সালে কালীবাড়ি মোড়ে একটি তেলের দোকানে আগুন লাগে। শোভনরা তিন ভাই তখন ঘুমাচ্ছিলেন। মা তাদের জাগিয়ে তুলে আগুন নেভাতে পাঠান। অথচ অন্যরা তখন নিজের ঘরের আসবাব বাঁচাতে ব্যস্ত ছিল। কেউ মারা গেলে শোভন ও তাঁর ভাইয়েরা দাফনের বন্দোবস্ত করতেন। এলাকায় চক্ষুশিবির বসাতেন। সংগ্রহ করতেন শীতবস্ত্র।

১০ টাকার জন্য

২০১০ সালে শোভন একটি মোবাইল ফোন কোম্পানির মিসকল সার্ভিস ব্যবহার করতেন। কিন্তু হঠাৎই সার্ভিসটি বন্ধ হয়ে যায়। অথচ মাসে ১০ টাকা ঠিকই কেটে নিচ্ছিল। গ্রাহকসেবায় ফোনে খরচ হয় আরো ১০০ টাকা। তারপর লিখলেন চিঠি। একে একে ২৫ বার চিঠি ও ফ্যাক্স করলেন। ফল না পেয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে ডাকে চিঠি পাঠান। দ্বিতীয় চিঠি হাতে হাতে গিয়ে দিলে ছয় মাস পর সাড়া পেলেন। কোম্পানিটিকে তারা কারণ দর্শাতে বলে।  উত্তরে সন্তুষ্ট না হয়ে তারা শোভন ও কোম্পানি কর্তৃপক্ষকে ডেকে পাঠায়। অধিদপ্তরের আইনজীবী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছিলেন তিনজন। ফোন কোম্পানির কর্তারা ১০ টাকার জন্য তাঁদের ডেকে পাঠানোয় খুব বিরক্ত হন। কিন্তু শোভন নাছোড়বান্দা। অবশেষে শুনানিতে শোভনের পক্ষে রায় হলে আপস রফা হয়। শোভনকে ২৯০ টাকার টকটাইম ফেরত দেয়া হয়। যদিও যাওয়া-আসায় এর চেয়ে বেশি খরচ হয়ে গেছে; কিন্তু শোভন ভেবেছে—এটা না করলে আরো মানুষ ভুক্তভোগী হবে। আরেক ফোন কোম্পানির সঙ্গেও ঘটেছে আরেকটি ঘটনা। তারা গ্রাহককে প্রতিদিন প্রচুর এসএমএস পাঠাত। বাংলাদেশ টেলিরেগুলেটরি কমিশনকে (বিটিআরসি) চিঠি দিয়ে শোভন জানান, এতে তাঁর সময়ের অপচয় হয়। তাই এটি বন্ধ করা হোক। কিছুদিন পর বিটিআরসি এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে।

 

কাঠগড়ায় বিশ্বব্যাংক

নির্মল বায়ু শোধন প্রকল্পের আওতায় বিশ্বব্যাংক ঢাকায় ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণে অর্থ দেয়। এ ক্ষেত্রে শোভনের মনে অনেক প্রশ্ন তৈরি হয়। যেমন—শারীরিক প্রতিবন্ধী মানুষরা কিভাবে এটি ব্যবহার করবে? কষ্ট হবে বয়স্কদেরও। আরো প্রশ্ন—ক্লাইমেট চেঞ্জ এবং নির্মল বায়ুর সঙ্গে এটি কোন দিক থেকে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বিশ্বব্যাংকের মূল নীতিমালায় আছে রাস্তা সর্বজনীন। তার সঙ্গে ফুট ওভার কি মেলে? শোভন চিঠি লিখলেন। বেশ কয়েকবার চিঠি চালাচালির পর বিশ্বব্যাংকের কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য ৩১ জানুয়ারি ঢাকায় বসছেন।

বন বিভাগ সচল করে

২০ অক্টোবর ২০১৩। আগারগাঁওয়ের বন ভবন থেকে একটি স্টিকার লাগানো হয়। তাতে লেখা ছিল—কোথাও কেউ বন্য প্রাণী হত্যা করলে বা ধরলে জানান এই নম্বরে ০১৭৫৫৬৬০০৩৩। তিনি বাসায় এসে ফোন দিয়ে প্রথমে দেখেন বন্ধ। তারপর একদিন ২০-২৫ বার চেষ্টা করলেন। কেউ সাড়া দিল না। প্রধান বন সংরক্ষকের কাছে প্রথমে ডাকে, তারপর হাতে হাতে, তারপর ই-মেইলে, সব শেষে ফ্যাক্সে চিঠি দিলেন। ফেসবুকেও লেখেন—এটি ভালো উদ্যোগ, জনগণ অংশ নিতে চায়। কর্তৃপক্ষ একপর্যায়ে নম্বরটি সচল করে। শোভন জানান, ধানমণ্ডি, রায়েরবাজার এলাকায়ও বন্য প্রাণী বিক্রি হতে দেখেছেন তিনি। বিশেষ করে বনবিড়াল, বেজি ও কাঠবিড়ালি। রায়েরবাজারের এক বাড়িতে বনবিড়াল বিক্রি হতে দেখে ফোন দেওয়ার পরও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছিল না। তিনি আবার চিঠি দেন। কিন্তু সুরাহা হয় না। সেদিন বৃহস্পতিবারই ফেসবুকে বন বিভাগের অভিযোগ নম্বর ও অফিসের ল্যান্ডফোন নম্বর দিয়ে সবাইকে ফোন দেওয়ার অনুরোধ জানান। প্রচুর মানুষ ফোন দেয়। পরদিনই সে বাড়িতে অভিযান চালায় বন বিভাগ। উদ্ধার করে বিপুল পরিমাণ ঘুঘু, টিয়া ও বনবিড়াল।

এবার খাবার দোকানে

গেল বছরের ঘটনা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক হোটেলে খাওয়ার পর দেখেন, পানির আসল দামের চেয়ে বেশি দাম রাখা হচ্ছে। ম্যানেজার বললেন, ‘এটি ভালো হোটেল, তাই দাম বেশি দিতে হয়।’ ঢাকায় এসে ভোক্তা অধিকারে তিনি চিঠি দেন শোভন। কুমিল্লায় শুনানির জন্য হোটেল মালিককে ডাকা হয় এবং জরিমানা করা হয়। ঢাকার হোটেলগুলোতেও একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে তিনি অভিযোগ করেছেন এবং সাড়া পেয়েছেন। ফেসবুকে তরুণদের মধ্যেও সচেতনতা তৈরি করেছেন। অভিযোগ করে সুফল পেয়েছেন শর্মা হাউসের বিরুদ্ধেও।

ব্যাংকের সাড়া

ব্যাংকগুলোতে স্টেটমেন্ট নিতে গেলে দেখেন, একেক বেসরকারি ব্যাংক একেক হারে চার্জ রাখছে। ২০০৯ সালে এ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি লিখেন। বাংলাদেশ ব্যাংক সাড়া দিয়ে নিয়ম করল, সব চার্জ ওয়েবসাইটে উল্লেখ করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকে অভিযোগ দেওয়া কঠিন ছিল। কারণ সেখানে হাজির হয়ে অভিযোগ দিতে হয়। তাই তিনি আবার লিখলেন একটি ফোন নম্বর দেওয়ার জন্য। বাংলাদেশ ব্যাংক একটি ফিরতি চিঠি দেয়। তাতে একটি নম্বরও লেখা ছিল। পরে সরেজমিন নম্বরটি খুঁজতে একটি ব্যাংকে গেলে দেখেন, তা লেখা আছে টয়লেটের সামনে। আরো কয়েকটি ব্যাংকে গিয়ে দেখেন, নম্বরটি নির্ধারিত স্থানে প্রদর্শিত হচ্ছে না। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকে ই-মেইল করে বিষয়টি জানান। কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিয়ে শোভনকে ফিরতি মেইলে নিশ্চিত করে। গত সপ্তাহে মোহাম্মদপুরে একটি সরকারি হাসপাতালের সামনে ময়লার ভাগাড় দেখে উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র বরাবর খোলা চিঠি দেন। বিষয়টি নিয়ে বেশ কিছু গণমাধ্যম সংবাদ প্রচার করে।

আহত হয়েছিলেন আক্তার হোসেন

২০০৯ সালে বিডিআর বিদ্রোহ শুরুর সময় ধানমণ্ডি লেকের কাছাকাছি ছিলেন শোভন। শব্দ শুনে এগিয়ে গিয়ে দেখেন, ১০-১২ বছরের এক ভ্রাম্যমাণ চা বিক্রেতা রাস্তায় পড়ে আছে। শোভন তাকে তুলে নিয়ে পুলিশের কাছে পৌঁছে দেন। পাঁচ-ছয় মাস পর দেখেন, ছেলেটি তার পঙ্গু বাবার সঙ্গে ফুটপাতে ভিক্ষা করছে। শোভন জানতে পারলেন, সে সময় হাত ভাঙার পর হাতে পচন ধরে গিয়েছিল। কিছুদিন চিকিৎসা করিয়ে গ্রামের বাড়ি চলে গিয়েছিল। পরে এখন আবার ঢাকায় এসেছে চিকিৎসা করাতে। তবে টাকা দরকার। শোভন ছেলেটিকে নিজের অফিসে নিয়ে আসেন। ডাক্তারের কাছে নিয়ে গিয়ে জানলেন, এক লাখ টাকা লাগবে। পত্রিকা অফিসগুলোতে গেলেন মানবিক সাহায্যের আবেদন জানাতে। নয়া দিগন্ত ও বাংলাদেশ সময় ছাড়া আর কেউ প্রচার করল না। ছেলেটির নাম ছিল আক্তার। তার মা প্রতিরাতে ফোন করে আকুতি জানাতেন, তাঁর ছেলেটি যেন মারা না যায়। সে কথা তিনি ব্লগে লিখেছিলেন। অনেককে ফোনও করেছিলেন। ব্লগেও শোভন লিখে চলেছিলেন নিয়মিত। লোকজন টাকাও পাঠাত ৫, ১০ বা ২০ টাকা। একপর্যায়ে ৮০ হাজার টাকা জোগাড় হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি লিখেছিলেন। এক লাখ টাকা পেয়েছিলেন। এর মধ্যে আবার অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী এটম খান চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে এগিয়ে আসেন। একপর্যায়ে অনেক টাকা জড়ো হয়ে যায়। পরে শোভনরা পরিবারটিকে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে একটি জমি কিনে ঘর বানিয়ে দিয়েছিলেন।

 

গিনেস বুকে ঢাকার রিকশা

ঢাকায় সবচেয়ে বেশি রিকশা আছে—এ কথা লিখে হাজার হাজার ঠিকানায় তিনি মেইল করেন। গিনেস বুক থেকে তাঁর দাবির সপক্ষে তথ্যপ্রমাণ দিতে বলা হয়। তিনি নানা জায়গা ঘুরে তথ্যাদি সংগ্রহ করেন এবং কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেন। একদিন ঘুম থেকে উঠে দেখেন, গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ ই-মেইলে জানিয়েছে, তাঁর দাবি বিশ্বরেকর্ড হিসেবে মনোনীত হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে সার্টিফিকেটও হাতে পান। শোভন জানান, সার্টিফিকেটটি সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে হস্তান্তর করতে চান তিনি।



মন্তব্য