kalerkantho


ঢাকাকে নাম্বার ওয়ান বাসযোগ্য নগরী বানাতে চাইলে

বাসযোগ্য নগরী হিসেবে ঢাকার অবস্থান এতটাই পেছনে যে, এতটাই পেছনে যে, এতটাই পেছনে যে, পুরো ২১৪ নম্বরে। কিন্তু আমরা চাই বাসযোগ্য নগরী হিসেবে ঢাকা উঠে আসুক এক এ। কিভাবে এটা সম্ভব, সেটাই জানাচ্ছেন ইকবাল খন্দকার

২১ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



ঢাকাকে নাম্বার ওয়ান বাসযোগ্য নগরী বানাতে চাইলে

♦ গ্রামে বসবাস করলে বিশেষ ভাতা দেওয়া হবে—এই মর্মে একটা ঘোষণা দিতে হবে। দীর্ঘদিনের জন্য না হলেও অন্তত বছরখানেকের জন্য যদি ঘোষণাটা দেওয়া যায়, তাহলে দেখা যাবে, ঢাকা শহরের প্রায় সব লোক চলে গেছে গ্রামে।

আর গ্রামে চলে গেলে ঢাকা শহরে আর কোনো যানজট থাকবে না, অনেকটা ঈদের সিজনের মতো। যানজট না থাকলে ঢাকা শহর বসবাসের উপযোগী হয়ে উঠবে।

♦ মশা মারার জন্য ধোঁয়াজাতীয় ওষুধ ছিটানোর কাজটা ম্যালা দিন ধরেই করে আসছে সিটি করপোরেশন। কিন্তু তাতে খুব একটা উপকার পাওয়া যাচ্ছে না। যে কারণে ঢাকা হয়ে গেছে মশার নগরী। সুতরাং আর নয় ওষুধ ছিটানো। বরং বিশেষ মশারি আবিষ্কার করে পুরো ঢাকা ঢেকে দিতে হবে। যেহেতু ঢাকায় বড় বড় বিল্ডিং আছে, সেহেতু মশারির হাইট কেমন হবে, বুঝতেই পারছেন। মশারি দিয়ে ঢাকাকে ঢাকা গেলে ঢাকা হয়ে উঠবে মশামুক্ত বসবাসের নগরী।

♦ নাক, কান, গলা—বলতে গেলে একই ক্যাটাগরির তিনটি অঙ্গ। যে কারণে এই তিন অঙ্গের জন্য একই ডাক্তারের কাছে যাই আমরা। নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ। কিন্তু খেয়াল করেছি, কানের জন্য কানটুপি আছে, গলার জন্য মাফলার আছে, বাট নাকের জন্য বিশেষ কোনো পোশাক নেই। কানটুপির মতো নাকটুপি বানাতে হবে। তারপর এটা নাকে পরিধান করে হাঁটাচলা করলেই ডাস্টবিনের গন্ধ পাওয়া যাবে না। আর ডাস্টবিনের গন্ধ না থাকলে ঢাকা এমনিতেই সেই রকম একটা নগরী হয়ে যাবে।

♦ যদি দেখা যায়, কোনোভাবেই ঢাকা শহরকে নাম্বার ওয়ান বাসযোগ্য নগরী বানানো সম্ভব হচ্ছে না, তাহলে অনন্ত জলিলকে ছোট্ট একটা কল দিতে হবে। কল দিয়ে শুধু সমস্যাটা জানাতে হবে। যেহেতু অসম্ভবকে সম্ভব করাই অনন্ত জলিলের কাজ, সেহেতু এটা কোনো ব্যাপারই না। আর যদি দেখা যায়, অনন্ত জলিল দেশে নেই বা ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে শট দেওয়ার কাজে ব্যস্ত, তাহলে খবর দিতে হবে জুয়েল আইচকে। ঠাস করে উনি একটা জাদু করবেন, আর ঢাকা শহর হয়ে উঠবে ফাটাফাটি একটা নগরী।


মন্তব্য