এনালগ যুগ : ঘুম থেকে উঠে আমরা মুখ ধুইতাম। ডিজিটাল যুগ : ঘুম থেকে উঠেই ফেসবুকে ঢুকি। এনালগ যুগ : খাবার আগে সবাই হাত ধুইত। ডিজিটাল যুগ : খাবার আগে সবাই সেলফি তোলে। এনালগ যুগ : বাসায় মেহমান এলে নাশতাপানি দিলে খুশি হইতো। ডিজিটাল যুগ : বাসায় মেহমান এলে ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড বলে দিলে বেশি খুশি হয়। এনালগ যুগ : কাউকে দীর্ঘদিন না দেখলে বলতাম, ছবি পাঠাইস। ডিজিটাল যুগ : কাউকে কয়েক দিন না দেখলেই বলি, ভিডিও কল দিস! এনালগ যুগ : দরকারি কোনো ডকুমেন্টস লাগলে কুরিয়ার করতে বলতাম। ডিজিটাল যুগ : দরকারি কোনো ডকুমেন্টস লাগলে বলি মেইল করতে। এনালগ যুগ : নিজের পরিচিতি বাড়াতে ভিজিটিং কার্ড বিতরণ করা হইতো। ডিজিটাল যুগ : পরিচিতি বাড়াতে ফেসবুক আর বিভিন্ন ম্যাসেঞ্জারের লিংক শেয়ার করা হয়। এনালগ যুগ : বিনোদনের জন্য মাঠে গিয়ে ক্রিকেট, ফুটবল কিংবা ব্যাডমিন্টন খেলত। ডিজিটাল যুগ : বিনোদনের জন্য মোবাইলে ক্ল্যাশ অব ক্ল্যানস কিংবা ক্যান্ডি ক্রাশ গেইম খেলে। এনালগ যুগ : টাকা, কাপড়, খাবার—এগুলোই সচরাচর মানুষ ভিক্ষা চাইত। ডিজিটাল যুগ : লাইক, কমেন্ট, শেয়ার—এইগুলোই ইনবক্সে গিয়ে ভিক্ষা চায়। এনালগ যুগ : কারো সঙ্গে কথা বলতে মন চাইলে বলত, ফোন করিস। ডিজিটাল যুগ : কারো সঙ্গে কথা বলতে মন চাইলে বলে, ম্যাসেঞ্জারে নক দিস। এনালগ যুগ : বন্ধুবান্ধবদের কাছে খাতা-কলম বা বই কেনার জন্য টাকা ধার চাইত। ডিজিটাল যুগ : বন্ধুবান্ধবদের কাছে টাকা ধার চায় মোবাইলের এমবি কেনার জন্য। এনালগ যুগ : মুরব্বিদের সম্মান ও সবার কথা শুনে চললেই ভালো মানুষের উপাধি পাওয়া যাইত। ডিজিটাল যুগ : ভালো মানুষের উপাধি পাইতে হইলে সবার স্টেটাসে নিয়মিত লাইক-কমেন্ট করতে হয়! এনালগ যুগ : যারা চলতে অক্ষম তারাই স্টিক নিয়া চলাফেরা করত। ডিজিটাল যুগ : প্রায় সব বয়সের লোকদেরই সেলফি স্টিক হাতে নিয়া ঘুরতে দেখা যায়।