kalerkantho


কী লিখলে?



কী লিখলে?

নিষ্ক্রিয় গ্যাস

একদিন কোচিংয়ের রসায়ন ক্লাসে স্যার বললেন নিষ্ক্রিয় গ্যাসের বৈশিষ্ট্য লিখতে। সময় পাঁচ মিনিট। লেখা পাঁচ মিনিটের আগেই শেষ হলো। সমস্যা হলো নিষ্ক্রিয় গ্যাসের উদাহরণ নিয়ে। কিছুতেই মনে পড়ছে না। আমার সামনে বসা মেয়েটাকে উদাহরণ জিজ্ঞেস করলাম। ও বলল, ‘এইচই, এক্সই’। আমিও সেটি বাংলায় লিখে দিলাম—‘এইচই, এক্সই ইত্যাদি।’ পাঁচ মিনিট পর সবাই খাতা জমা দিলাম। আমার খাতা দেখার সময় স্যার আমাকে দাঁড় করালেন। বোর্ডে লিখলেন—‘এইচই, এক্সই’ আর আমার খাতা উঁচু করে সবাইকে দেখালেন। সবার সেকি হাসি! আসলে আমি হিলিয়াম আর জেনন-এর রাসায়নিক সংকেত ইংরেজি বর্ণ দিয়ে না লিখে বাংলায় উচ্চারণটা লিখে ফেলেছিলাম। কী আর করা। একটা নিষ্ক্রিয় হাসি দিয়ে ফিসফিস করে বললাম, সক্রিয় বিনোদন।

►শেখ তাসনিয়া


শিঙাড়া ভেবে?

আমরা তখন দ্বিতীয় শ্রেণিতে। টিফিনের সময় কয়েকজন বান্ধবী মিলে মাঠের একটা গাছের নিচে বসে খাচ্ছিলাম। এর মধ্যে এক বান্ধবীর মাথায় আবার দুটি ঝুঁটি বাঁধা। এমনিতে কোঁকড়া চুল, তার ওপর ঝুঁটি। বলের মতো গোল হয়েছিল সেগুলো। এমন সময় উড়ে এসে জুড়ে বসল একটা কাক। এসেই ওই বান্ধবীর ঝুঁটি কামড়ে ধরে টানাটানি। আমরা হাসব না কাক তাড়াব বুঝতে পারছিলাম না। বুঝতে পারছিলাম, কাকটা নিশ্চয়ই তার ঝুঁটিটাকে ছোটখাটো শিঙাড়া ভেবেছিল। এর পর থেকে টিফিনে আর ওই বান্ধবী সহজে বের হতে চাইত না। পাছে কাক যদি আবার চুল ধরে টানাটানি করে! পরে যে কয়বার গিয়েছিল, ঝুঁটি না বেঁধে বেণি করে গিয়েছিল!

►মোহাইমিন সুলতানা মিভা


যারা ও জারা

ক্লাস সেভেনের গণিত পরীক্ষা। মনোযোগ দিয়ে প্রশ্ন পড়ছি। হঠাৎ শুনি—মিস বলছেন, যারা অ্যাডমিট কার্ড আনোনি, দাঁড়াও। আমি তো আকাশ থেকে পড়লাম। আমার কাছে তো কার্ড আছে! আমি সঙ্গে সঙ্গে ম্যাডামকে বললাম—মিস, আমি কার্ড এনেছি। মিস অবাক হয়ে আমার দিকে তাকালেন। বললেন, ‘তাহলে দাঁড়াচ্ছ কেন?’ আমি বললাম—‘আপনিই তো বললেন, জারা অ্যাডমিট আনোনি দাঁড়াও।’ কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে পুরো ক্লাসে পড়ে গেল হাসির জোয়ার।

►সুহাইবা নাওয়ার জারা


যোগ দাও গ্রুপে

ম্যাগাজিন বিষয়ক মন্তব্য করতে অথবা মডেল হতে চাইলে যোগ দাও দলছুটের গ্রুপে

facebook.com/groups/447338902349393/

 

গ্রাফিকস : সমরেন্দ্র সুর বাপী  ছবি : মোহাম্মদ আসাদ। মডেল : আকিব, মুশফিক, সিফাত, জাসিয়া, অর্পা ও তানিসা



মন্তব্য