kalerkantho


মগজ ধোলাই

কুয়োর প্যাঁচ

৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



কুয়োর প্যাঁচ

আইনি মারপ্যাঁচের সমাধানের জন্য বীরবল তুমুল জনপ্রিয়। গ্রামের লোকজন তার কাছেই আসত নানা সমস্যা নিয়ে। একদিন এলো এক গরিব কৃষক আর ধূর্ত বণিক। প্রথমে কৃষক তার আর্জি পেশ করল, ‘হুজুর, কদিন আগে আমি একখানা কুয়া কিনেছিলাম এই বণিকের কাছ থেকে। কুয়াভর্তি টলটলা পানি। ভাবলাম, এবার আর সেচ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। কিন্তু বণিক বাহাদুর আমার সঙ্গে একি প্রতারণা করলেন। আমি কুয়ো থেকে পানি তুলতে গেলেই তেড়ে আসেন। পানির বিনিময়ে টাকা চান।’

‘কিন্তু কুয়োটা তো বিক্রি করে দিয়েছ?’ বণিকের দিকে তাকিয়ে জানতে চাইল বীরবল। বণিক গোঁফে তা দিয়ে নির্বিকার ভাব নিয়ে বলল, ‘কুয়ো বেচেছি, তা সত্য। কিন্তু কুয়োর পানি তো বেচিনি। ওটার জন্য টাকা দিতে হবে ওকে।’

রেগেমেগে তেড়ে আসছিল কৃষক। বীরবলের ইশারা পেয়ে থামল।

‘আচ্ছা!’ কিছু একটা ভাবছে আর মুচকি মুচকি হাসছে বীরবল। কৃষকের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘তোমাকে একটা সমাধান দিচ্ছি বাপু। এতে তোমার ক্ষতি তো হবেই না। উল্টো লাভ হবে।’

 

কী সমাধান দিল বীরবল?

[উত্তর আগামী সংখ্যায়]

 

গত সংখ্যার উত্তর : বীরবল বলেছিল, আমাকে সিংহের খাঁচায় ছুড়ে হত্যা করা হবে। কথাটা যদি সত্য হয়, তবে তার গর্দান যাওয়ার কথা। কিন্তু এতে করে কথাটা হয়ে যাবে মিথ্যা। আবার মিথ্যা হলে তাকে সিংহের খাঁচায় ফেলার কথা। সে ক্ষেত্রে আবার তার কথা হয়ে যাবে সত্য। সুতরাং বীরবলের বুদ্ধির প্রশংসা ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না।



মন্তব্য