kalerkantho


টিফিন আওয়ার

মজার সব স্কুল

স্কুল মানে যেমনটি এত দিন দেখে আসছ, তেমনটি না-ও হতে পারে। বিশ্বে যেমন দারুণ মজার স্কুল আছে, তেমনি আছে মহাবিরক্তিরও। কয়েকটি উদাহরণ দিচ্ছেন সজল সরকার

৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



মজার সব স্কুল

দক্ষিণ কোরিয়ার স্কুলগুলোতে মধ্যরাত পর্যন্ত ক্লাস করার পর এভাবেই অনেকে ঘুমিয়ে পড়ে ক্লাসরুমে

টিফিন ব্রেক দুই ঘণ্টা

খাবারদাবারের জন্য এমনিতেই বিখ্যাত ফ্রান্স। প্রতিদিনই দেশটির স্কুলগুলোতেও চলে টিফিনের উত্সব! টিফিনে সাধারণত হালকা খাবারের চল থাকলেও ফ্রান্সে রীতিমতো ভূরিভোজ চলে।

বিরতিও অনেক লম্বা—১ থেকে ২ ঘণ্টা! শিশুরা যাতে খাবারের নাম, উত্স ও রেসিপি সম্পর্কে জানতে পারে, সে জন্যই এত আয়োজন। কারো যদি খেতে গিয়ে একটু বেশি সময়ও লাগে, তবে ক্ষতি নেই। নিয়মানুযায়ী খাওয়া শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত তাকে ক্লাসরুমে কেউ ডাকতে পারবে না!

রাত-দিন স্কুল

দক্ষিণ কোরিয়ার স্কুলগুলো একটু বেশিই কড়া। এখানে শুধু পড়াশোনার জন্য আসে না  শিক্ষার্থীরা। প্রাত্যহিক নানা কাজও শেখানো হয় স্কুলে। শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার করা থেকে শুরু করে অন্য সহশিক্ষা কার্যক্রমগুলোর জন্য এখানে শিক্ষার্থীদের সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্লাস করতে হয়। সকাল ৮টায় স্কুল শুরু হওয়ার পর ৪টার দিকে বাসায় যাওয়ার বিরতি পায় শিশুরা। পরে আবার সেই স্কুলে এসেই নাচ-গানের ক্লাস করতে হয়। দেশটির মাধ্যমিক স্তরের অনেক স্কুলে মধ্যরাত পর্যন্তও ক্লাস চলে।


আত্মরক্ষা বাধ্যতামূলক

ভারতের বেশির ভাগ গার্লস স্কুলে মেয়েদের আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। স্কুলের পাঠ্যক্রমে এটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বছর চারেক আগে থেকে। এ ক্ষেত্রে কারাতে দিয়ে শুরু করে তারা। দেশটির কোচি রাজ্যের কয়েকটি মেয়েদের স্কুলে একেবারে প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বাধ্যতামূলকভাবে কারাতের ক্লাস করতে হয়।

ছুটির রাজ্য

প্রাথমিক স্তরে বাকি দুনিয়ার চেয়ে তুলনামূলক বেশি ছুটি কাটায় আর্জেন্টিনার শিশুরা। ডিসেম্বর থেকে শুরু করে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত একটানা ছুটি। বড়দিনসহ শীতের ছুটিও এর মধ্যে থাকে। অস্ট্রেলিয়ার শিশুরা কম পায় না। বছরে কয়েক দফায় দুই মাসেরও বেশি ছুটি থাকে তাদের।

ক্লাসরুম হাউসফুল

সবচেয়ে বেশি মানুষ থাকে চীনে। ক্লাসরুমে যে ভিড় হবে তা তো জানা কথা। গড়ে দেশটির প্রতিটি ক্লাসে শিক্ষার্থী থাকে ৫০ জন করে। যুক্তরাষ্ট্রে থাকে ২৩ জন। সুইজারল্যান্ড ও রাশিয়ায় ২০ জনেরও কম।


মন্তব্য