kalerkantho


বাংলা

নাটক-উপন্যাসে পড়া কম, সে তুলনায় প্রশ্ন বেশি

২৫ জানুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



নাটক-উপন্যাসে পড়া কম, সে তুলনায় প্রশ্ন বেশি

প্রথম পত্র : সৃজনশীল প্রশ্নে চারটি অংশ থাকে—(ক) গদ্য, (খ) পদ্য, (গ) নাটক ও (ঘ) উপন্যাস। মোট প্রশ্ন থাকে ৯টি, ৭টির উত্তর দিতে হবে। ৭টির মধ্যে অবশ্যই গদ্য থেকে ২টি, পদ্য থেকে ২টি, উপন্যাস থেকে ১টি, নাটক থেকে ১টি করে বাছাই করতে হবে। অবশিষ্ট প্রশ্নটি নিজের পছন্দমতো যেকোনো অংশ  (নাটক/উপন্যাস থেকে নিতে পারো) থেকে দেওয়া যাবে। হাতে সময় থাকবে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। শেষের প্রশ্নের উত্তরটি উপন্যাস বা নাটক থেকে করতে পারো। উপন্যাস ও নাটকে পড়া কম, অথচ প্রশ্ন থাকে ৪টি। কম পরিশ্রম করেই এ দুটি অংশে ভালো করতে পারবে।

♦   জ্ঞানমূলক প্রশ্নের উত্তরে একটি বাক্যই যথেষ্ট।

♦   অনুধাবনমূলক প্রশ্নের উত্তরে দুটি প্যারা করবে। প্রথম প্যারায় এক বাক্যে মূল কথা ও দ্বিতীয় প্যারায় তিন বাক্যে ব্যাখ্যা করবে। লেখক ও রচনার নাম দেওয়ার সুযোগ থাকলে দেবে।

♦   প্রয়োগমূলক প্রশ্নের উত্তর তিন প্যারায় লিখতে হবে। প্রথম প্যারায় এক বাক্যে মূল উত্তর, দ্বিতীয় অংশে এর ব্যাখ্যা উদ্দীপকের আলোকে উপস্থাপন করতে হবে। তৃতীয় প্যারায় ভূমিকায় বা প্রথম অংশে যা লেখা হয়েছে, তা-ই গঠনগতভাবে অন্য বাক্যে উপসংহার টানতে হবে। এ ক্ষেত্রে বাক্যের সংখ্যা ১০টির বেশি হবে না।

♦   উচ্চতর দক্ষতামূলক প্রশ্নের উত্তরে বিচার-বিশ্লেষণ করে কোনো সিদ্ধান্ত বা মতামত লিখতে হয়। তোমার সিদ্ধান্ত গ্রহণের কারণ কী তা প্রশ্নের সঙ্গে সংগতি রেখে প্রথম প্যারায় এক বাক্যে লিখবে। দ্বিতীয় প্যারায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের কারণ হিসেবে মূল পাঠ্য বিষয়ের সাদৃশ্যপূর্ণ অংশ লিখতে হবে। তৃতীয় প্যারায় উদ্দীপকের যে অংশের ওপর ভিত্তি করে ‘ঘ’ নম্বর প্রশ্ন করা হয়েছে, তা লিখতে হবে এবং শেষ প্যারায় নিজের মতামত প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এ জন্য প্রথমেই ‘পরিশেষে’, ‘অতএব’—এ শব্দগুলো যুক্ত হবে। সব মিলিয়ে ১৫ বাক্যের বেশি হবে না।

♦   ক, খ, গ ও ঘ অংশের উত্তর করতে কোনোভাবেই ২০ মিনিটের বেশি সময় নেওয়া যাবে না।

♦   সৃজনশীলে পূর্ণ নম্বর পাওয়ার জন্য বেশি লেখা নয়, একটু কৌশলই যথেষ্ট।

♦   ২০১৬ সালে তোমার বোর্ডের সৃজনশীলে যে গদ্য বা পদ্য থেকে প্রশ্ন এসেছে, তা তোমার জন্য এ বছর কম গুরুত্বপূর্ণ।

♦   প্রতিবছর নজরুল বা রবীন্দ্রনাথের লেখা থেকে কমপক্ষে একটি সৃজনশীল প্রশ্ন থাকে। এ জন্য এ বিষয়গুলোর কোনো অংশই বাদ দেবে না।

♦   বহু নির্বাচনীর ক্ষেত্রে মূল বইয়ের কোনো অংশ বাদ দেওয়া যাবে না।

 

দ্বিতীয় পত্র : এ বছর থেকে অনুচ্ছেদের মান দ্বিগুণ (১০) করা হয়েছে। যে বিষয় সম্পর্কে অনুচ্ছেদ লিখতে হবে, সে বিষয়ের সব কিছুই ‘এক প্যারায়’ সংক্ষেপে লিখতে হবে। এ ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫টি বাক্য লিখতে হবে।

♦   পত্রের নম্বরও দ্বিগুণ হয়েছে। তাই পত্র লেখার ক্ষেত্রে বেশি নম্বর পেতে হলে ব্যক্তিগত পত্র না লিখে আবেদনপত্র লেখা ভালো।

♦   সারমর্মের অন্তর্নিহিত ভাব বুঝতে না পারলে সারাংশ লেখাই উত্তম।

♦   ভাব সম্প্রসারণ তিনটি অংশে লিখতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে ‘মূলভাব’, ‘সম্প্রসারিতভাব’ ও ‘মন্তব্য’ এই শব্দগুলো না লিখলেও চলবে।

♦   প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে নিয়ম ঠিক থাকলে যেকোনো প্রতিবেদনেই ভালো নম্বর পাওয়া সম্ভব। সংবাদপত্রে সাধারণত জনজীবনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ঘটনা যেমন—দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, দুর্ঘটনা, খাদ্যে ভেজাল ও বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা তুলে ধরা হয়। প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে সাধারণত বিদ্যালয়ে উদ্যাপিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান যেমন—সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া, বিতর্ক, বিজ্ঞান মেলা, বৈশাখী মেলা, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ইত্যাদি বিষয় থাকে।

♦   ৩টি বর্ণনামূলক রচনা থেকে একটির উত্তর করতে হয়। রচনাটি অবশ্যই তথ্যবহুল ও যুগোপযোগী হবে।

♦   সৃজনশীলে নম্বর তোলার জন্য বেশি লেখা নয়, কৌশলী হলেই হবে।

♦   ২০১৬ সালে তোমার বোর্ডের সৃজনশীলে যে গদ্য বা পদ্য থেকে প্রশ্ন এসেছে, তা তোমার জন্য এ বছর কম গুরুত্বপূর্ণ।

♦   তোমরা লক্ষ করে থাকবে, প্রতিবছর নজরুল বা রবীন্দ্রনাথের লেখা থেকে কমপক্ষে একটি সৃজনশীল প্রশ্ন থাকে। এ জন্য এ বিষয়গুলোর কোনো অংশই বাদ দেওয়া যাবে না।

♦   ক, খ, গ ও ঘ অংশের উত্তর করতে কোনোভাবেই ২০ মিনিটের বেশি সময় নেওয়া যাবে না।



মন্তব্য