English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

দূরে থাক ‘মমো’

‘মমো’ শুনতে বেশ ভালো লাগলেও নামের সঙ্গে কাজের মিল নেই। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে এশিয়া, আফ্রিকা আর ইউরোপের অনেক দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ক্ষতিকর এই অনলাইন গেইম। সতর্কতাও জারি করেছে কয়েকটি দেশ। জানাচ্ছেন তুসিন আহম্মেদ

  • ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডার পাশাপাশি অনলাইনে গেইম খেলেন অনেকেই। এ আগ্রহকে পুঁজি করেই জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ছে ভয়ংকর গেইম মমো।

বিশেষজ্ঞরা একে তুলনা করছেন আলোচিত ব্লু হোয়েলের সঙ্গে। বলেছেন, ভয়াবহ এই খেলা নিয়ে যেতে পারে মারাত্মক পরিণতির দিকে। আর তাই দক্ষিণ আমেরিকায় এরই মধ্যে এর বিরুদ্ধে সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। স্পেন পুলিশও এ ধরনের গেইম না খেলার পরামর্শ দিয়েছে। নিজ দেশের নাগরিকদের রক্ষা করতে টুইটারে প্রচারণাও চালাচ্ছে মেক্সিকো ও স্পেন।

এটা আসলে কী?

মমো দেখতে ভয়ংকর। গায়ের চামড়াও ফ্যাকাসে। বাইরের দিকে থাকা লাল লাল চোখের মণিতে অশুভ হাসির ছবি দেখে বুকের মাঝে কাঁপন লাগতেই পারে। তবে অজানা কারণে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মমো। গেইমটির নির্মাতা কে, কোন দেশেই বা তৈরিএসব প্রশ্নের উত্তর মেলেনি আজও।

বিপজ্জনক কেন?

হুট করেই কম্পিউটারের স্ক্রিনে ভেসে উঠতে পারে মমো। আহ্বান জানাতে পারে খেলার জন্য। প্রলোভনে একবার যে রাজি হয়েছে, সেই আটকে গেছে ভয়ংকর নেশায়। গেইমটির কাহিনি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে মমোর সঙ্গে যোগাযোগের আশায় ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অনুভূতি বা সাধারণ দায়িত্ববোধ হারিয়ে ফেলেন গেইমাররা। তাই খেলার সময় নির্দেশমতো ব্যক্তিগত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থেকে শুরু করে সহিংস ছবি পোস্ট করতেও দ্বিধা করেন না অনেকে।

অনেকটা নেশার ঘোরে দেওয়া এসব তথ্য কাজে লাগিয়ে পরে হয়রানি বা চাঁদাবাজির শিকারও হতে পারেন কেউ।

এ ছাড়া ব্যবহারকারী মানসিক ও শারীরিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। কারণ হতে পারে উদ্বেগ, বিষণ্নতা, অনিদ্রারও। এমনকি আত্মহত্যায়ও প্রলুব্ধ করতে পারে।

এরই মধ্যে অনেকে হুমকিমূলক বার্তা পেয়েছেন। কারো বা ফাঁস হয়ে যাচ্ছে ব্যক্তিগত তথ্য। আবার কাউকে অপরিচিত নম্বরে কল দেওয়ার জন্য প্রলুব্ধও করা হয়েছে।

টেলিকম- এর আরো খবর