English

অনলাইন

আজকের পত্রিকা

ফিচার

সম্পাদকীয়

মুখোমুখি প্রতিদিন

নেপাল খেলেছে কিন্তু গোল করেছি আমরা

  • ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

ইউরোপে লম্বা কোচিং ক্যারিয়ার তাঁর। জর্জিয়া জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। গত সাফে আফগানিস্তান ফাইনাল খেলেছে তাঁর অধীনে। সেই পিটার সিগার্তের সঙ্গে গ্রুপ পর্বের মালদ্বীপকে মেলানো যায়নি একেবারে। তবে কাল আসল লড়াইয়ে চমক দেখালেন ক্রোয়েশিয়া বংশোদ্ভূত এই জার্মান কোচ। টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দল নেপালকে হারিয়ে মালদ্বীপের ফাইনাল নিশ্চিতের পরই মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি সংবাদমাধ্যমের

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : টস ভাগ্যে সেমিফাইনালে ওঠা মালদ্বীপ ফাইনালেও ওঠে গেল...

পিটার সিগার্ত : হ্যাঁ, আমি দারুণ খুশি। পুরো মালদ্বীপই এখন নিশ্চয় খুশি। এখন আমরা ফাইনালটাও জিততে চাই।

প্রশ্ন : কিভাবে সম্ভব হলো?

সিগার্ত : আমাদের জন্য সত্যি কঠিন ম্যাচ ছিল এটি। নেপালই খেলা তৈরি করেছে। তবে গোল করেছি আমরা। প্রথম গোল পেয়ে যাওয়ার পর সেই লিড ধরে রেখেই ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা করেছি। এই তো ম্যাচের গল্প।

প্রশ্ন : ফ্রিকিকের ওই গোলটাই তো টার্নিং পয়েন্ট?

সিগার্ত : হ্যাঁ, আমরা ভাগ্যবান। অনুশীলনে সব সময়ই এমন কিছুর চেষ্টা করা হয়। কখনো হয়, কখনো হয় না। আজ গুরুত্বপূর্ণ সময়েই তা লেগে গেল।

প্রশ্ন : বিরতিতে নিশ্চয় যেকোনো উপায়ে লিডটা ধরে রাখারই মন্ত্র দিয়েছিলেন খেলোয়াড়দের?

সিগার্ত : শুধু লিড ধরে রাখা না। ব্যবধান বাড়ানোরও মন্ত্র দিয়েছিলাম ওদের। কখনোই ১-০ ব্যবধানে ম্যাচ জিততে চাইনি আমি। এটা চাওয়াও যায় না। তা খুব ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। আমি ওদের বলেছি ডিফেন্স জমাট করে কাউন্টার অ্যাটাকের চেষ্টা করতে। আর অবশ্যই সীমিত সুযোগগুলো যেন কাজে লাগানো হয়, এটাই ওদের জোরালোভাবে বলে দেওয়া হয়েছিল। দেখবেন আমি কিন্তু ফরোয়ার্ড তুলে ডিফেন্ডার বাড়াইনি। আমি ফরোয়ার্ডের জায়গায় ফরোয়ার্ডই নামিয়েছি, ডিফেন্ডারের জায়গায় ডিফেন্ডার। পজিশন অনুযায়ী পরিবর্তন করেছি যাতে দলের গোল করার চেষ্টাটা নষ্ট না হয়ে যায়।

প্রশ্ন : গ্রুপ পর্বের পারফরম্যান্সের পর আপনার যেভাবে সমালোচনা হচ্ছিল, সেখান থেকে এই জয় তো আপনার বড় স্বস্তি?

সিগার্ত : গ্রুপ পর্বে গোল না পাওয়াতেই আমাদের সমালোচনা হচ্ছিল। হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে সেই সময় আমি আমার খেলোয়াড়দের আগলে রেখেছি। তারা আমাকে সেই প্রতিদান দিয়েছে। আশফাককে কেন দলে নেওয়া হয়নি এ নিয়ে অনেক কথা শুনতে হয়েছে। তবে সময়টাকেও মূল্য দিতে হবে। ৯ বছর মালদ্বীপ ফাইনালে খেলতে পারেনি।

প্রশ্ন : তবু এমন কাউন্টার অ্যাটাক-নির্ভর মালদ্বীপকে আগে দেখা যায়নি?

সিগার্ত : এটা আমাকে করতে হয়েছে স্বল্প সময়ের প্রস্তুতির জন্য। এমন নয় যে আমাদের প্রতিভাবান খেলোয়াড় নেই। কিন্তু চার-পাঁচ সপ্তাহে একটি দলকে ফলনির্ভর করে গড়ে তোলাটাই সহজ আক্রমণাত্মক করে তোলার চেয়ে।

খেলা- এর আরো খবর